
ইয়েমেনের মাটিতে ইঙ্গো-মার্কিন বাহিনীর সাম্প্রতিক আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ইয়েমেনের হুতি আনসারুল্লাহ সমর্থিত সরকার।
সানা বলেছে, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী তাদের ‘আয়ত্বের মধ্যে’ কোনো মার্কিন বা ব্রিটিশ লক্ষ্যবস্তু পেলেই তাতে হামলা চালাবে।
তেহরানে নিযুক্ত ইয়েমেনের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ আদ-দেইলামি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ইয়েমেনের হুতিদের সমর্থিত সরকার গত অক্টোবর মাস থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি ভয়াবহ গণহত্যার জবাবে লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে ইসরাইলি মালিকানাধীন ও ইসরাইলগামী জাহাজগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি ইঙ্গো-মার্কিন বাহিনী হুতিদের অবস্থানে বিমান হামলা চালানোর পর ইয়েমেনের সেনাবাহিনী হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মার্কিন ও ব্রিটিশ জাহাজগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
আদ-দেইলামি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, লোহিত সাগরে ইয়েমেনের সামরিক অভিযানের ফলে ইসরাইলের ভয়াবহ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতির পরিমাণ এতটা বেশি যে, ইসরাইলের প্রধান দুই দোসর আমেরিকা ও ব্রিটেন ইয়েমেনে হামলা চালাতে বাধ্য হয়েছে।
ইয়েমেনের রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্যাতিত গাজাবাসী ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানোর দায়বোধ থেকে লোহিত সাগরে তার দেশের সশস্ত্র বাহিনী সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গাজা উপত্যকায় ইসরাইল যে ভয়াবহ গণহত্যা চালাচ্ছে তার প্রতি আরব ও মুসলিম বিশ্বের নির্বিকার থাকা উচিত নয়। অর্থনৈতিক, সামরিক ও মানসিক দিক দিয়ে ইহুদিবাদী ইসরাইল ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। এর চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করার শক্তি তেল আবিবের নেই। মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনী লোহিত সাগরকে সামরিকীকরণের যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা ইউরোপীয় দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সূত্র: পার্সটুডে
বিবার্তা/লিমন
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]