
ছোট্ট একটা তথ্য দিয়ে রাখি আপনাদের জন্যে। জামায়াত ইসলামীর কিন্তু রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার জন্যে মুক্তিযোদ্ধাদের একটা সংগঠন আছে, যার নাম ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ’।
আরেকটা তথ্য দিয়ে রাখি যে, এই সংগঠনের ব্যানারে করা মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে ২০০৮ সালের ১১ জুলাই তাদের ভণ্ডামির প্রতিবাদ করাতে লাথি মারা হয়েছিলো টাঙ্গাইলের ১১ নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীকে। দুর্ভাগ্য সেই লাথির অপমান বাকিদের জাগিয়ে তুলতে পারেনি। আর তাই কয়েকদিন আলোচনা হলেও পরে ব্যাপারটা সবাই বেমালুম ভুলে গিয়েছিলো ।
ভবিষ্যতে এইরুপ ব্যানারগুলো সামনে রেখেই রাজনীতি করবে জামায়াত ও রাজনীতিবিদরা। আত্মীয়তার বাঁধনে সম্পর্ক গড়বে তাদের সাথে।
রাজাকার গোষ্ঠীর এমন আস্ফালন দেখে কিছু মানুষ অসহায়ত্ব বোধ থেকে প্রতিবাদ করবে ফেসবুকে ( রাস্তাতে মানববন্ধন টাইপ কিছুও হবে)। আর জামায়াত শিবিরের আড়ালে স্বাধীনতাবিরোধী নব্য সদস্যরা দাঁত কেলায়ে হেসে হয়তো বা বলবে, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ আসলে তারাই করেছিলো, আর বাকিরা শুধু গপ্পোই করে গেলো’।
বিবার্তা/মৌসুমী
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]