‘রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে দেয়া হবে না’
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:১০
‘রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে দেয়া হবে না’
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কোনো অজুহাতেই রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে দেয়া হবে না। বাজার মনিটরিং চলছে। এছাড়া সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে চিঠি দেয়া হবে।


তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেও বাজার মনিটরিং চলছে। কাজেই আশা করছি, রমজানে বাজার স্থিতিশীল থাকবে। নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না।


তিনি আরো বলেন, রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ও চাঁদাবাজি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার চালকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে। আসন্ন রমজান মাসে কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে না এবং সরবরাহে ঘাটতি থাকবে না। চাহিদার তুলনার অনেক বেশি পণ্য মজুত রয়েছে।


নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।


রমজান মাসে ব্যবসায়ীদের সততার সাথে ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি করার আহবান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আসন্ন রমজান মাসে কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সংগত কোনো কারণ নেই। পণ্য পরিবহনে যে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সরকার শক্ত হাতে দমন করবে। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। চাঁদাবাজি বন্ধে প্রতিটি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে চিঠি দেয়া হবে।


চালকল মালিকদের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চালকল মালিকরা চাল রফতানির প্রস্তাব প্রসঙ্গে বলেছেন, বর্তমানে দেশে চাল পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি দামও কম তাই এখন রফতানি না করলে কৃষকসহ অন্যান্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই তারা চাল রফতানি করতে চায়।


তিনি বলেন, আমি তাদের প্রস্তাব শুনেছি এবং তাদের বলেছি, এ বিষয়ে কৃষি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে মজুদ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানবো, আসলেই চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে কিনা। তারা যে তথ্য দিয়েছে তা সঠিক কিনা। তারপরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সকল পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কম রয়েছে। তবে চিনির উৎপাদন খরচ বাড়ায় কেজিতে এক টাকা দাম বেড়েছে। এছাড়া ছোলা, চাল, ডাল, তেল ও আলুর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। আলু আমাদের উৎবৃত্ত রয়েছে। যা রফতানি করা যায় কিন্তু চাহিদা না থাকায় করা যাচ্ছে না।


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com