ইবিতে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৫৫
ইবিতে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা
ছবি: ইবি প্রতিনিধি
ইবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।


২১শে ফেব্রুয়ারীর (শুক্রবার) প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সময় শিক্ষক-কর্মকর্তাদের গ্রুপিংয়ের ফলে এ ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রথম প্রহরে ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদের নেতৃত্বে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে বিশবিদ্যালয় প্রশাসন। এসময় প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সেলিম তোহাসহ প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


পরে যথাক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি, সদ্য কর্মকর্তা সমিতি থেকে বের হয়ে একাংশ দ্বারা গঠিত অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অভ্যান্তরীন গ্রুপিংয়ের ফলে সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু পরিষদ নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধু পরিষদের পরে ‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ নির্বাচন কমিশন’ ও কর্মকর্তা সমিতির পরে ‘অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের’ নাম ঘোষণা করে সঞ্চালক। এতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও কর্মকর্তা সমিতির নেতাকর্মীরা
সঞ্চালকের কাছে নাম ঘোষণার কারণ জানতে চান।


নেতারা দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত সংগঠন না হয়েও সংগঠন দুটির নাম ঘোষণা করার কারণে আমারা প্রতিবাদ করেছি। এতে শহীদ বেদিতে ফুল দিতে আসা শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা বিশৃঙ্খল হয়ে উঠলে পরিস্থিতি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ফলে মূল বেদিতে উঠে পড়ে উৎসুকরা। একইসাথে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সংগঠনগুলোকে ফুল দিতে দেখা যায়। অনেকে জুতাসহ বেদিতে উঠে পড়েন। এটিকে শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা বলে জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আরফিন বলেন, এটা একটি দুঃখজনক ঘটনা। আমরা বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্র প্রদত্ত কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দেয়ার পরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ নির্বাচন কমিশনের নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এ নামে কোন সংগঠন নেই। এর মাধ্যমে আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাই তাৎক্ষণিক এর প্রতিবাদ জানিয়েছি।


এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বলেন, এটি দুঃখজনক। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অভ্যান্তরীন রাজনীতির বহি:প্রকাশ এটি।


বিবার্তা/জাইম/এনকে

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com