
টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নকল, ভেজাল, অনিবন্ধিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির অভিযোগে তিনটি ফার্মেসিকে মোট ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নতুন বাসস্ট্যান্ডে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। টাঙ্গাইল ঔষধ প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে ওষুধের বৈধতা, সংরক্ষণ ও বিক্রির নিয়মকানুনসহ বিভিন্ন বিষয় যাচাই করা হয়।
অভিযানকালে কয়েকটি ফার্মেসিতে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি, অনিবন্ধিত ওষুধ মজুত ও বিক্রি এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ বিক্রি ও সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট তিনটি ফার্মেসির বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়। পরে ‘ঔষধ ও কসমেটিকস্ আইন-২০২৩’-এর ৪০(খ), ৪০(গ) ও ৪০(ঘ) ধারার লঙ্ঘনের দায়ে তিন ফার্মেসিকে মোট ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে আইন ও বিধিমালা মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
টাঙ্গাইল ঔষধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক তাহমিদ জামিল বলেন, ওষুধ মানুষের জীবন রক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই অনিবন্ধিত, নিম্নমানের বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যাতে বাজারে বিক্রি হতে না পারে, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে রোগীর স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ কারণে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি, অনিবন্ধিত ওষুধের বেচাকেনা এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
ঔষধ প্রশাসন জানিয়েছে, ওষুধের মান নিশ্চিত করা, অবৈধ ওষুধের বেচাকেনা বন্ধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
বিবার্তা/বাবু/এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]