
নাটোরের সিংড়ায় শস্যা ভান্ডার খ্যাত ও মৎস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলবাসির স্বপ্নের বহুল প্রত্যাশিত গ্যাসের খনির সন্ধান পাওয়া গেলেও তা অধরাই রয়ে গেছে। হাজার হাজার সিমেন্টেরবস্তা খনন মুখে ঢেলে দিয়ে রাতারাতি উধাও হয়ে যায় রোমানিয়া কোম্পানি।
সরেজমিনে গিয়ে গ্যাস কূপ খননের বিভিন্ন নিদর্শন মিললেও নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে। বর্তমানে গ্যাস খনন জায়গায় জমির মালিকরা গড়ে তুলেছে বসতভিটা।কেউ কেউ বিক্রি করে অন্যত্র চলে গেছেন।
সূত্রে জানা যায়, ১৯৮০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খননকাজ পরিদর্শন করেন এবং পেট্রোবাংলায় রাত্রি যাপন করেন। ঐসময় পরিদর্শনকালে গ্যাসের সন্ধান নিশ্চিত করে চলে যান। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর কিছুদিন পর হাজার হাজার সিমেন্টের বস্তা কূপ খননের জায়গা ঢেলে দিয়ে রাতারাতি চলে যায় খননকাজে নিয়োজিতকোম্পানি।
খননকাজে নিয়োজিত স্থানীয় কয়েকজন জানান, ১৯৮০ সালের দিকে চলনবিলের কয়ড়াবাড়ি লাল পুকুরের পাশে গ্যাসের সন্ধান মিলে পরবর্তীতে রোমানিয়া সহ বিদেশি বিশেষজ্ঞ টিম এসে পরিদর্শন করেন এবং পয়েন্ট এলাকায় খননকাজ শুরু করার অংশ হিসেবে বালুয়া বাসুয়া থেকে চলনবিল রাস্তা নির্মান এবং ৪ টি পাটাতনের নির্মিত বাঁশের সেতু করেন। তারপর ট্রাকে করে মালামাল আনার মধ্যে দিয়ে খননকাজ শুরু হয়।
প্রায় ২৪ ঘন্টা শিফটে ৩ শতাধিক শ্রমিক কাজে অংশ নেন। প্রতিদিন ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০/৭০ টাকা দিন হাজিরা কেউবা মাসিক বেতনে শ্রমিক হিসেবে কাজে অংশ নেয়। এভাবে কাজ ভালোই চলছিলো। বিদেশি বিশেষজ্ঞ টিমের পরিবার গুলো সিংড়া বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণে হাফ কিলোমিটার অদুরে পেট্রোবাংলায় বসতি গড়েন।
সব ঠিক ঠাক চলাকালীন হঠাৎ করে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাতারাতি উধাও হয়ে যায় রোমানিয়া কোম্পানি।
বিবার্তা/রাজু /এমবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]