স্মৃতিতে বীভৎসতা: তবু যে আদর্শ অবিনশ্বর
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২২, ১৬:১২
স্মৃতিতে বীভৎসতা: তবু যে আদর্শ অবিনশ্বর
অধ্যাপক ড. মো নাসির উদ্দীন মিতুল
প্রিন্ট অ-অ+

আইডিয়াটা শৈশবের। মাইকের চুঙ্গা হিসেবে মাটির ভাঙ্গা কলসের গোলাকৃতির গলা, ক্যাবল হিসেবে কলাগাছের আঁশ আর মাইক্রোফোন হিসেবে কুড়িয়ে পাওয়া জর্দার কৌটা। মন্দ না! এই তিন উপকরণের সমন্বয়ে তৈরি করতাম পুরো মাইকের প্যাকেজ। এক বন্ধুর ঘাড়ে মাটির চুঙ্গা রেখে অপরপ্রান্ত থেকে জর্দার কৌটা হাতে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মূল কয়েকটি লাইন পাঠ করতাম, ‘…প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো।…আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো ……’। এটি ছিলো প্রতীকী মাইক। এতে কোনো উচ্চ-শব্দ সৃষ্টি হতো না। নিছক খেলার সামগ্রী হিসেবে এগুলো ব্যবহার করে গলা ফাটিয়ে বক্তৃতা দিতাম। বাবা-মা কখনো নিষেধ করেননি। তাদের মুখেই বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের কথা শুনে বীরদর্পে চেঁচিয়ে বলতাম, ‘……মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’


গ্রামের মুরুব্বিরা এ ভাষণ খুব মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। বাঁধা দেয়ার কেউ না থাকলে পিঠ চাপড়ে বলতেন, সাব্বাস বেটা সাব্বাস। চালিয়ে যা। সব পাড়া-মহল্লায় গিয়ে বলে আয়। কিন্তু যখনই বিশেষ কাউকে পাশ দিয়ে যেতে দেখতেন, কেমন যেনো আনমনা হয়ে যেতেন। ঐ বিশেষ ব্যক্তিদের সাথে তাল মিলিয়ে কথা ঘুরিয়ে বলতেন, ‘পোলাপাইন লেখাপড়া না কইরা এসব কি কয়? শেখ সাহেবরে তো কেউ দেখতে পারে না। সে হিন্দুদের নেতা। দেশ স্বাধীন কইরা আমাগোরে বিপদে ফেলছে …’। এমন ডবল ষ্ট্যান্ডার্ড আচরণ মেনে নিতে পারতাম না। প্রতিবাদ করতাম। বলতাম, আপনি একটু আগে কি বললেন? আর এখন কি বলছেন? উনাকে এতো ভয় পান কেনো? তিনি রা’ করতেন না। ঐ বিশেষ ব্যক্তিদের গালমন্দ হজম করতেন। পরে একাকী পেলে বলতেন, তোর বাবার পরিচিতি আছে। মাথার ওপর অনেকগুলো বড় ভাই আছে। তোকে ওরা কিছু করতে পারবে না। কিন্তু আমাদের কি আছে? ওরা ‘গ্রাম সরকার’কে বলে দিলে আমারে গ্রাম ছাড়া করবে। ‘গ্রাম সরকার’! যাকে সেই সময় দেখেছি শোষকের ভূমিকায়। জবরদস্তি করে অন্যের ভূমি দখল নিয়ে যুগের পর যুগ যিনি একটার পর একটা অবৈধ ব্যবসা করে মানুষ ঠকিয়েছেন। বিচারের নামে দরিদ্র মানুষকে আরো নিঃস্ব করেছেন। তিনি হলেন গ্রাম সরকার। পরে অবশ্য ২০০৩ সালে এই আইনটি রহিত করা হয়।


খেলাচ্ছলে এ ভাষণের কয়েকটি লাইন উচ্চারণ করতাম। কে বুঝতো এটা এত জ্বালাময়ী ছিলো? কে জানতো এ বক্তব্য শুনে ওদের এতো গাত্রদাহ হবে? রেগে বাচ্চাদের সব আয়োজন ছুঁড়ে ফেলে দিতো। কারণ জানতে চাইলে মারধর করতো। এতেও ক্ষান্ত হতো না। মা বাবাকেও এলাকা ছাড়ার হুমকি দিতো। আমি অবাক হতাম না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী অনেককেই গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেয়ার ঘটনা শৈশবে মা-বাবার কাছে শুনেছি। বঙ্গবন্ধু অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুবিহীন সাধারণ মানুষ কতোটা অসহায়। রাজাকারদের কাছে তাদের এ অসহায়ত্বতা শ্রেফ পরাধীনতার চেয়ে বেশি নয় কি? গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষের ওপর ঐসব রাজাকারদের প্রভাব এতো বেশি কেনো?


কি ছিলো এ ভাষণে? ছোটবেলা থেকেই এ প্রশ্ন নিয়ে বড় হয়েছি। শুনতে দেয় না বলেই এ ভাষণের প্রতি একরকম মোহের সৃষ্টি হয়। তাই বহুদূর থেকে যখন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ মাইকে ভেসে আসতো তখন আর মনোযোগ আটকে রাখতে পারতাম না। কান পেতে শুনতাম ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’। উদ্দীপনা তৈরি হতো মনে। কাঁপন জাগতো শরীরে। ওদের কেনো এতো গা জ্বালা করে? ক্লাস নাইন পর্যন্ত এর কোনো উত্তর পাইনি।


জিয়া’র খাল খনন প্রকল্প আবছা মনে আছে। প্রাইমারিতে থাকা অবস্থায় একবার অন্য গাঁয়ে খাল খননে গিয়েছিলাম। স্যারদের সঙ্গে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নের শ্লোগান দিতে দিতে গন্তব্যে এগিয়ে যাই। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খাল কাটি। মাঝখানে লাঞ্চ ব্রেক। মাখন-রুটি খাওয়াবে। দৃষ্টি খাবারের দিকে। কখন খাবার আসবে? দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। সামনে ১২/১৪ জন থাকা অবস্থায় গুঞ্জন শুনি খাবার শেষ। পিছনে তখনো পুরো ৬ষ্ঠ শ্রেণির তিন শাখা মিলিয়ে প্রায় ১২০ জন অপেক্ষমান। মাথা গুণে খাবার এনেছে সাত্তার স্যার। সবাই খাওয়ার পর আরো যেখানে উদ্বৃত্ত থাকার কথা! সেখানে ঘাটতি মেনে নেয়া যায় না।


অভুক্ত থেকেছি বলে বিকেলের শিফটে আমাদের আর কোদাল হাতে নিতে দেননি দয়ালু শিক্ষকগণ। ক্ষুধায় আমাদের অবস্থা খারাপ দেখে খননকার্য সংক্ষিপ্ত করে সকলে দ্রুত স্কুলে ফিরে আসি। এরপর ছুটি নিয়ে যে যার বাসায় চলে যাই। পরের দিন তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল কাহিনী। সিনিয়রদের দায়িত্ব ছিলো জুনিয়রদের খাবার বিতরণের। কিন্তু তারাই কিনা…! আর যায় কোথায়? জোড় বেত দিয়ে বিশ ঘা করে মেরে এর পাল্টা জবাব দিলেন কদম আলী স্যার। মাখন-রুটি ভাগ করে খাওয়ার ঘটনাটা গোটা এলাকায় মুহুর্তেই চাওর হয়ে যায়। এই প্রথম উপলব্ধি করি, রক্ষক ভক্ষক হলে সেখানে আর আইনের শাসন থাকে না। রিলেট করি সামরিক শাসক এরশাদের সাথে। যিনি সেনাবাহিনী প্রধান হয়ে নিজেই বলেছিলেন, সামরিক শাসন গণতন্ত্রের অন্তরায় এবং এদের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা উচিত নয়। অথচ তিনি কিনা ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ ক্ষমতা দখল করেন এবং সংবিধান স্থগিত করে সেনা শাসন জারি করেন। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে যখন এমন অবস্থা, তখনতো বিদ্যালয়ের বড় ভাইয়েরা এমনটি করতেই পারেন।


এ-তো গেলো শৈশব-কৈশোরের কথা। যৌবনেও কম দেখিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে একটি পোষ্টার বেশ নজর কেড়েছিলো। ‘জাতি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চায়’। ইংরেজিতে বড় হরফে লেখা ছিলো ‘Nation Demands Trial to the Killers of Bangabandhu’। ৭৫’র ১৫ই আগস্টের কালোরাত্রিতে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার নির্মম একটি ছবি পোষ্টারটিতে ছিলো। নজর কাড়ার কারণ মূলত ছবিটি। এ মর্মান্তিকতা কি করে নজর এড়ায় যেখানে সেদিন ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এই হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেসা মুজিব, কনিষ্ঠ পুত্র নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেলসহ অনেকে নিহত হন।


আমি একা নই। হোস্টেল জীবনের অনেক বন্ধু, সহপাঠীর মনেই বঙ্গবন্ধু খুনের এ নির্মমতা পাথরচাপা হয়ে নীরবে নিভৃতে ঘুমরে কাঁদতো। এর কোনো প্রকাশ ছিলো না। তর্ক করা দূরে থাক, প্রসঙ্গ টেনে আনার সাধ্য ছিলো না কারো। বুঝতে পারি রাতের আঁধারে লোকচক্ষুর অন্তরালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসব পোষ্টার সাটিয়ে গেছে। হল ক্যান্টিন-ডাইনিংয়ের দেয়ালে খুবই ক্ষণিকের জন্য শোভা পেতো এসব পোষ্টার। এর আয়ুস্কাল ছিলো অনেকটা সকালের শিশির বিন্দুর মতো।


ভোরের আলোয় প্রতিপক্ষ ছাত্রনেতাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তারা এটি ছিঁড়ে ফেলতো। কেউ কেউ পানি মারতো। আবার অতি উৎসাহী ভন্ড-চাঁদাবাজ তথাকথিত নেতাকে দেখেছি সিগারেটের আগুনে পোষ্টারটির বিভিন্ন স্থানে ফুটো করে বিকৃত করে দিতো। বুঝে করুক আর না বুঝে করুক, পিশাচের মতো ধোঁয়ার কুণ্ডলি ছেড়ে দলের কর্মীদের হুঙ্কার দিয়ে নেতা শুধাতো, ‘কই ছিলি তোরা সব? কিভাবে এত সাহস পায় এখানে এসে পোষ্টার মারার! উঠা এসব। এত্ত্ব বড় সাহস! আমি দেখলে গুলি করে দিতাম’। সকালের নাস্তায় ক্যান্টিনে বসে প্রতিপক্ষের ক্যাডাররা এ নিয়ে খুব হুমকি-ধমকি দেখাতো।


১৫ই আগস্ট শোক পালনের দিনে তাণ্ডব, চোখের সামনে বহুবার দেখেছি। দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে দুপুড়ের খাবার বিতরণকালে কতিপয় দুর্বৃত্ত মটরসাইকেল নিয়ে এসে সবকিছু পণ্ড করে দিতো। বন্ধ করে দিতো মাইক। কেড়ে নিতো ক্ষুধার্ত লোকজনের থালা-বাটি। নর্দমায় ফেলে দিতো খাবারের পাতিল। বঙ্গবন্ধুর অডিও-ভিজুয়াল ভাষণ অঘোষিতভাবে পুরোপুরি নিষিদ্ধ ছিলো। দোয়া, খতম, কাঙ্গালি ভোজ যে আয়োজনই হোক না কেনো, সবাই ভীত সন্ত্রস্ত থাকতো এই বুঝি ফ্রিডম পার্টির ক্যাডাররা এলো। পণ্ড করলো সব আয়োজন। এরাই তখন বঙ্গবন্ধু ইস্যুতে তাণ্ডব সৃষ্টি করতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে দেয়ালে লিখে রাখতো ‘১০ টাকা চাল ৮০ টাকা নুন, হাজার মানুষ করেছে খুন’। ন্যাক্কারজনকভাবে ১৫ই আগস্টকে পালন করতো কারো জন্মদিন কিংবা গণতন্ত্র মুক্তি দিবস হিসেবে।


আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকার সময় বঙ্গবন্ধুর খুনীরা সংগঠিত হয়ে ফ্রিডম পার্টি গড়ে তোলে৷ পরবর্তিতে তারা সব সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট হয়। এমনকি ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির প্রহসনের জাতীয় নির্বাচনে এ দলটি অংশগ্রহণ করে। সেই নির্বাচনের সরকার টিকলে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যেতো। সেই ফ্রিডম পার্টির নেতারা এখন কে কোথায়? খুঁজতে গেলে তথ্য মিলবে তাদের অনেকেই বেশভূষা পাল্টে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়েছেন। হয়েছেন জনমানুষের নেতা। আছেনও বেশ ভালো পজিশন নিয়ে। এদের জায়গা দিয়ে অনেক ত্যাগী নেতাদের বঞ্চিত করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এ দলটি। দরকার ছিলো কি এসবের?


বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে মা-বাবার কাছ থেকেই যা শুনেছি। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু শোনার সৌভাগ্য ২১ বছরে হয়নি। কেনো জানি সর্বত্র বঙ্গবন্ধুবিহীন ইতিহাস চর্চার এক অসুস্থ প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছিলো অতি উৎসাহীরা। এমনকি ৭ মার্চের ভাষণ জাতীয় দিবসগুলিতেও বাজানো নিষিদ্ধ ছিলো। বই-পুস্তকে, সভা-সমিতিতে, সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে কিংবা কোনো উন্মুক্ত বক্তৃতার মঞ্চে তো দূরের কথা ঘরে অথবা উঠোন বৈঠকের আলোচনাতেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলা যেনো পাপের শামিল বলে ভাবা হতো। ইতিহাস চর্চার নামে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপচর্চা আর মিথ্যার আশ্রয় নিতো তখনকার তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবীরা। ইতিহাস বিকৃতির নোংরা খেলায় মেতে উঠা ছিলো সে সময়ের শাসক ও তাদের অনুসারীদের নিত্যদিনের সংস্কৃতি।


এমন উদ্ভট পরিস্থিতি থেকে প্রথম মুক্তি মেলে ১৯৯৬ সালে। কুড়ি বছর পর টিভির পর্দায় ৭ মার্চের ভাষণ সম্প্রচারিত হতে দেখে মনে হয়েছিলো বাংলাদেশ বোধ করি আরেকবার স্বাধীন হলো। গবেষণা ও পর্যাপ্ত পাঠ ব্যতীত একজন মানুষ, একজন নেতা এবং একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর গুণাগুণ বিচারকরা অত্যন্ত দুরূহ কাজ বটে। বিগত চার দশক ধরে বঙ্গবন্ধুকে জানার মধ্য দিয়ে এ সত্য প্রমাণিত যে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অবিনশ্বর। প্রতিটি বাঙালীর জন্য তাঁর আদর্শ অত্যাবশ্যকীয়ভাবে অনুসরনীয় এবং অনুকরণীয় বটে। আমেরিকানরা আব্রাহাম লিঙ্কন, ভারতীয়রা গান্ধিজী, তুর্কীরা কামাল আতাতুর্ক এবং চাইনিজরা মাও সেতুংয়ের আদর্শকে পাথেয় ধরে ভবিষ্যৎ উন্নতির দিশা খুঁজে পেয়েছে। বাঙালিদেরও উচিৎ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আঁকড়ে ধরে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার মানসিকতায় উদ্দীপ্ত হওয়া।


লেখক: ডিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ইমেইল: [email protected]


বিবার্তা/আশিক

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com