কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরীর সাক্ষাৎকার
'৭১ সালে ২৩টি টর্চার সেল, ২৬৭টি গণহত্যা; বিরানভূমি কক্সবাজার'
প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:০০
'৭১ সালে ২৩টি টর্চার সেল, ২৬৭টি গণহত্যা; বিরানভূমি কক্সবাজার'
তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজার
প্রিন্ট অ-অ+

চলছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।


বাংলাদেশের স্বাধীনতা জন্য মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগী অকুতোভয় অবদান ছিল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। প্রতিটি জেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ দেশমাতৃকাকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেন।


বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী কক্সবাজার জেলা। এই জেলার মুক্তিযোদ্ধাগণও পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে দুঃসাহসিক লড়াই করে কক্সবাজারকে শত্রুমুক্ত করেন। কক্সবাজার জেলার মহান মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার, জেলা জয় বাংলা বাহিনী '৭১ এর প্রধান প্রবীণ রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়াবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরীর নিকট সকাশে গিয়ে একান্ত আলাপে হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। বিবার্তা২৪ডটনেট এর প্রতিবেদকের সাথে তাঁর আলাপে মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিস্মরণীয় অবদানসহ নানা বিষয় উঠে আসে।



মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় স্মৃতি-গাঁথা গৌরবের ইতিহাস জানতে চাইলে তিনি বিবার্তা প্রতিনিধিকে জানান- বাঙালির জন্য শেখ মুজিব দিলেন বাংলাদেশ, তাঁর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার জীবনমান উন্নয়নের তরে প্রাণপন নিরলস চেষ্টারত।



অপর দিকে, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ছলে-বলে কৌশলে, রক্ত দিয়ে অর্জিত স্বাধীন দেশটাকে ধ্বংস করতে সদাব্যস্ত। কিন্তু তারা কিছুতেই সফল হবে না।


১৯৭১ ও এর পূর্ববর্তী সময়ের দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী বলেন, আমি স্কুল জীবন থেকেই রাজনৈতিক ভাবে সচেতন ছিলাম। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ঠের নির্বাচনের প্রাক্কালে শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমার ও আজিজ মিয়ার সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটে। ১৯৬২-৬৩ সালে আমি ছিলাম কক্সবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। ১৯৬২ সালে কক্সবাজার সাংগঠনিক জেলায় ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করি এবং সভাপতি হই। বৈরুত যাওয়ার প্রাক্কালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে কক্সবাজার বিচ সংশ্লিষ্ট হাউসে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এক দুর্লভ সংবর্ধনায় ভূষিত করা হয়। ওই সময়েও ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটে। সেই সময়ের শিক্ষা আন্দোলনেও আমরা অংশগ্রহণ করি। ১৯৬৪-৬৫ সালে আমি কক্সবাজার কলেজের প্রথম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।


এই বীর মুক্তিযোদ্ধা জানান, ১৯৬৬ সালে ছয় দফার জন্য আমরা সংগ্রাম করি যা ব্যাপক গণসমর্থন পেয়েছিল। ১৯৬৭-৬৮ সালে আমি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। ১৯৬৮-৬৯ সালে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন কালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে। ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দানের কারণে আমরা কয়েকজন যেমন- প্রয়াত নজরুল, মোজাম্মেল, ছুরত আলম, কৃষ্ণ, তৈয়ব, রাজামিয়া, জহির প্রমূখের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়। ১৯৬৯ সালের এহেন পরিস্থিতির কারণে আমাদের চিন্তা-ধারার পরিবর্তন আসে। ১৯৬৯-এর আইয়ুব খানের পতনের পর ইয়াহিয়া 'আইনগত কাঠামো আদেশে’ ১৯৭০ এ নির্বাচন ঘোষনা করেন। আমরা সেই নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি। নির্বাচনের ফলাফল তো সবার জানা আছে। ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসির ফলে আমাদের চিন্তাভাবনা প্রকট হয় যে আন্দোলন জোরদার করতে হবে। প্রয়োজনে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে হবে। সেই সময়ে আমরা মহকুমা পর্যায়ে ভয়েস অব আমেরিকা এবং বিবিসি'র সংবাদের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সমস্ত কর্মসূচী পালন করতাম।


একাত্তরে উত্তাল দিনগুলো নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী জানান, ১৯৭১ এর ৭ মার্চের ভাষণের আগেই ৩ মার্চ আমরা মহকুমা প্রশাসনের অফিসের পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে পুড়িয়ে দেই। পতাকা নামানো হয় মোজাম্মেল (মরহুম)-এর কাঁধের উপর সুরত আলম তার উপর আল মামুন। ওইদিকে পানির পাইপ দিয়ে মুজিব এক সাথে উঠে পতাকা নামিয়ে পাবলিক লাইব্রেরির কোণায় আমতলা স্টেজে নিয়ে আসে।



তখন মাইকে আমি ঘোষণা করি, 'এই পতাকার নামে আমাদেরকে ২৪ বছর শোষণ করেছে। এর আর দরকার নাই। আমরা চাই নতুন পতাকা নতুন দেশ। এর সাথে সাথে পতাকায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই দিন কক্সবাজারের সর্বস্তরের মানুষের মিছিলের অগ্রভাগে ছিলাম আমি, নজরুল, ওমর, সুনিল, জালাল, মনছুর, জহির, হাবীব, তৈয়ব, রাজা মিয়া, তাহের, সিরাজ, দিদার, পিন্টু, শাকের, আবছার, তালেব, মুজিব, আলতাফ, শাহ আলম, হারুন, রশিদ, লক্ষণ, খোরশেদ, জালাল, বাচ্চু, বেলাল প্রমুখ।



বিশেষত '৭১-এর প্রথম দিক থেকেই আমরা গোপনে হোটেল সায়মন-এ ৩টি রুম নিয়ে অফিস করতে থাকি এবং ভয়েস অব আমেরিকা, বিবিসি ও টেলিফোন সংবাদের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করি। ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর অগ্নিঝরা ভাষণের নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করি। ৭ মার্চের ভাষনের মর্মবাণী আমাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। আমরা সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারলাম যে, আমাদেরকে সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। তখন থেকে আমরা ২৪/২৫ জন সিনিয়র ছাত্র রাজনৈতিক কর্মী হোটেল সায়মনে অঘোষিত ক্যাম্পে ১১ মার্চ হতে সশস্ত্র প্রস্তুতির কার্যক্রম শুরু করি।


২৫ মার্চ ১৯৭১ সাল। রাত ১.৩০ মিনিটের পর কক্সবাজার পুরাতন রেষ্ট হাউস থেকে আমরা কয়েকজন চট্টগ্রাম রেষ্ট হাউসে (বর্তমান হোটেল সৈকত) সিটি আওয়ামী লীগ অফিস থেকে জহুর আহামদ চৌধুরীর কাছে ফোন করি। ফোন ধরেন শ্রমিক নেতা জামাল। তার কাছে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি বলেন, দেশে গণহত্যা চলছে, রাজারবাগ ইপিআর বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপর আক্রমণ হয়েছে। আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। এখন চতুর্দিকে গোলাগুলি হচ্ছে। আমরা নিরাপদ স্থানের জন্য প্রস্ততি নিচ্ছি। আপনারা প্রস্তুতি নেন।


আমি রিসিভারে এখান থেকেই গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এ কথা আমরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে জানালাম। তারাও বঙ্গবন্ধুর সরাসরি নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিলেন।


আমি ২৬ মার্চ ভোর ৬টায় কক্সবাজার শহরের প্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পক্ষে আনাচে কানাচে মাইকে প্রচার করেছিলাম যে, আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ২৫ তারিখ রাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। একথা আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে জেনেছি।



"ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়নগঞ্জ, খুলনা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পশ্চিমা লাল কুত্তাদের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। ঢাকায় পুলিশ ক্যাম্প, ইপিআর ক্যাম্প এবং বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের উপর নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা চালিয়েছে। সুতরাং আমাদের আর সময় নাই। কক্সবাজারবাসী সংগ্রামী বাঙালিরা যে যেখানে যেভাবে আছেন, অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান।"



রাত ১টার দিকে জোনাব আলী, লতিফ এবং আরও কয়েকজন কক্সবাজার ইপিআর এর কাছে আসা ক্যাপ্টেন রফিক-এর ম্যাসেজে অবাঙালিদের ক্লোজ করার ব্যাপারে জানি। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খরুলিয়া পর্যন্ত ঘোষণা দেওয়া হয়, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। মুজাহিদ বাহিনীকে বাংলাদেশের এই স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়বাংলা বাহিনী এবং সংগ্রাম পরিষদের নির্দেশক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য সকাল ৮টার মধ্যে আওয়ামী লীগ অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য অতি জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়। একইভাবে আনসার অ্যাডজুডেন্টকে এনেও এই ঘোষণা দেওয়া হয়।


রাত ১১ টায় ডিএফও’র আলমারির অস্ত্র নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়, কিন্তু পারা যায়নি। পরের দিন ডিএফও-কে আনিয়ে তালা খুলে অস্ত্র নেওয়া হয়। তখন আমার সাথে ছিল সুরত আলম, মোজাম্মেল (মরহুম), জমাদার ফজল করিম, মুজিব, মনছুর, জহির ও খুরশেদ। ওইদিন রাতে ব্ল্যাক আউট করানো হয়েছিল এবং আমি ছিলাম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ বন্ধ করার দায়িত্বে।


এরপর এসডিপিও এবং ওসি-কে নিরস্ত্র করে থানা থেকে অস্ত্র নেওয়া হয়। বিবিসি এবং ভয়েস অব আমেরিকার খবরও প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সমুদ্রে সোয়াত জাহাজ ও বাবর এবং উপরে বোমারু বিমান উপস্থিতির প্রেক্ষিতে সারা শহরে এবং বিমান বন্দরে ট্রেন্স করার ব্যবস্থা করি, রানওয়ে কেটে দেই। জনাব নুর আহামদ, আবছার কামাল চৌধুরী, শমশের আলম চৌধুরী প্রমুখের একটি দল বার্মার সাথে সামরিক সহায়তায় আশায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করে বিফল হন। তখন কালুরঘাটে যুদ্ধ চলছিল। আমরা সংগ্রাম পরিষদের মাধ্যমে ৪/৫ বার কালুরঘাটে রসদ এবং ফোর্স সরবরাহের ব্যবস্থা করি এবং আমি নিজেই ওই ফোর্সের নেতৃত্ব দেই।


মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজারের সার্বিক অবস্থা ও সহযোদ্ধাদের প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী বলেন, আরও যারা আমার সাথে থাকতেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন, সুরত আলম, মোজাম্মেল (মরহুম), মুজিব, কাদের, জাফর প্রমুখ এবং জয়বাংলা বাহিনীর একটি গ্রুপ। কালুর ঘাট পতনের পর আমরা আজিজ নগর, হারবাং, ফাঁসিয়াখালী, ডুলহাজরা, ঈদগাহ, রাবার বাগান এসব জায়গায় এম্বুস বসাই। ইতোপূর্বে সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ইপিআর এর একটি গ্রুপ হাবিলদার জোনাব আলীর নেতৃত্বে কালুরঘাটে যোগদান করে। ওখানে আমরা টেকনাফ থেকে কুতুবদিয়া, হারবাং এবং আজিজ নগর পর্যন্ত আমাদের পূর্ণ তৎপরতা অব্যাহত রেখেন হানাদার মুক্ত রাখি। কালুর ঘাট পতনের পর হানাদার বাহিনী প্রথমে সাতকানিয়া এসে ফিরে যায় এবং পরে চকরিয়া পর্যন্ত এসে আবার আজিজ নগরে গিয়ে অবস্থান নেয়। ক্যাপ্টেন হারুন পেটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এবং আরও বেশকিছু মুক্তিযোদ্ধা আহত অবস্থায় ডুলহাজরা মালুমঘাট খ্রিষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে আসে। ইতিমধ্যে এখানকার অনেক নেতৃবৃন্দ বার্মায় আশ্রয় নেয়। এই সংকটে একমাত্র জয় বাংলা বাহিনীই কক্সবাজার মহকুমায় অবস্থান করে।


এরপর পাক-হানাদার বাহিনী, রাজাকার,আলবদর, আলসামসসহ স্বাধীনতা বিরোধীরা একত্রিত হয়ে কক্সবাজার শহর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া কুতুবদিয়া ও মহেশখালীতে ব্যাপক গণহত্যা চালায়।কক্সবাজারে টর্চার সেল খোলা হয় ২৩টি। জেলায় প্রথম শহিদ হন মহেশখালী কালারমারছড়া ইউনিয়নের তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান স্থানীয় মুক্তি বাহিনীর কমান্ডার শহিদ মোহাম্মদ শরীফ। তারপর উখিয়ার শহিদ জাফর আলম। এরপর একে একে হত্যা করা হয় অসংখ্য প্রতিরোধ যোদ্ধাকে। ১৯৭১ এর গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ট্র্যাষ্টের সভাপতি মুনতাসীর মামুন কর্তৃক কক্সবাজারে গণহত্যা শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কক্সবাজারে ২৬৭টি গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে। সন্ধান পাওয়া গেছে ২০টি বধ্যভূমির ও ২৯টি গণকবরের। বসতবাড়ি, মন্দির, মার্কেট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার। এভাবে দীর্ঘ ৯ মাসে সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারকে বিরানভূমিতে পরিণত করে হানাদার বাহিনী।


বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা কতটা পেলাম প্রশ্নের উত্তরে মুক্তিযুদ্ধের কক্সবাজারস্থ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে সপরিবার জীবন দিয়েছেন। তাঁরই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের দিকে একাই টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে কক্সবাজারে চলছে উন্নয়নের মহোৎসব। ডিজিটাল এই বাংলাদেশ দেখার জন্য আমরা জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম।


বিবার্তা/তাফহীমুল/রোমেল/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com