পৌনে ২শ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২২, ১৯:১৮
পৌনে ২শ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৮৮ কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ডলারের। যা শতাংশের হিসেবে ৬০ দশমিক ৩০ শতাংশ।


ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) এর ডেটা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সোমবার (৮ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছেন বিজিএমইএর পরিচালক ও মুখপাত্র মহিউদ্দিন রুবেল।


ডেটা অনুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৫০১ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ডলারের। ২০২১ সালের একই সময়ে পোশাক পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ৩১৩ কোটি ১০ লাখ ৯ হাজার ডলারের। সে হিসেবে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালের একই সময়ে পোশাক পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৮৮ কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ডলারের।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রপ্তানি আদেশগুলো এসেছিল চলতি বছরের মে মাসে, যখন বৈশ্বিক পরিস্থিতি এখনকার মতো অস্থির ছিল না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অতটা ভালো না।


বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে বিজিএমইএর পরিচালক ও মুখপাত্র মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ে এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতি এই মুহূর্তে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং সরবরাহের ঘাটতি বিশ্ব পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যেহেতু আমরা বিশ্ববাজারে কাজ করি, আমাদের শিল্পও এর মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছে।


তিনি বলেন, গত দেড় বছরে সুতার দাম বেড়েছে ৬২ শতাংশ, মালবাহী পরিবহন খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ, রং-রাসায়নিক খরচ বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ, ন্যূনতম মজুরি গত বছরের শুরুতে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে আমাদের গড় উৎপাদনে গত ৫ বছরে খরচ বেড়েছে ৪০-৪৫ শতাংশ। সেই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা এবং দক্ষতা আমাদের জন্য একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়। কারণ বাংলাদেশে গড় উৎপাদনশীলতা প্রায় ৪৫ শতাংশ, ভিয়েতনামে উৎপাদনশীলতা ৫৫ শতাংশ এবং তুরস্কে ৭০ শতাংশ।


এই সংকট পরিস্থিতিতে উদ্যোক্তারা নিজ নিজ সরকারের কাছ থেকে সমর্থন পাচ্ছেন যা তাদের এগোতে সাহায্য করছে। আমরা সরকারের কাছ থেকেও কিছু নীতিগত সহায়তা চাই। সরকার নীতিগত সহায়তা দিলে আমরা এগিয়ে যাব উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের মতো সহযোগিতা এবং সহায়ক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারব।


মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, পণ্য তৈরি এবং বাজারের অতিরিক্ত ঘনত্ব, বিশেষ বাজারে অনুপস্থিতি, ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্পের উন্নতি ইত্যাদির মতো দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। খরচ কমিয়ে আমাদের দক্ষতা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে প্রতিযোগিতামূলক থাকার চেষ্টা করছি বলেও জানান তিনি।


বিবার্তা/জেএইচ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com