জয়ের ঝান্ডা
প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৫৬
জয়ের ঝান্ডা
কমল খোন্দকার
প্রিন্ট অ-অ+

সভাপতির দিকে তাকিয়ে থাকে হীরা মাস্টার জুলজুলে অপ্রকৃতস্থ দৃষ্টিতে। চাকরি জীবনের শেষ তিনটা বছর অবশ্য এমনিতেও কাটতে চাইছিলো না আর হীরা মাস্টারের। বরঞ্চ এই ভালো হলো। ফোর্স রিটায়ারমেন্ট! কত কাণ্ড-কাহিনিই না ঘটে গেলো এ জীবনে তার ফোর্স করে করে আর ফোর্স দিয়ে দিয়ে! বিবাগী সন্ন্যাসী মনে হয় নিজেকে হীরা মাস্টারের এখন এই সালিশ মোকদ্দমার রায় শোনার পর। মনে মনেই দর্শন আওড়ায় মাস্টার -সমুদ্রে পেতেছি শয্যা; শিশিরে কিসের ভয়!



যা না তাই বলেছে মাগীটা আজ সকাল থেকে শুরু করে একইভাবে বাইরে বের হওয়া পর্যন্ত। যেটুকু রাখঢাক ছিলো এতকাল, সেটুকুও হারিয়ে গেছে আজ হীরা মাস্টারের জীবন থেকে। ঢঙিলা ছেনালটা সত্যি সত্যিই তাহলে তার ঔরসের না! এতগুলো বছর ধরে ধন্দের ফাঁদে চড়ক খেলতে হয়েছে তাকে এজন্যই তাহলে!



মানুষের সন্দেহ মিথ্যা না! না চেহারায় না আখলাকে, কোনদিকেই কোন মিল খুঁজে পায়নি মাস্টার নিজের সঙ্গে তার ঔরসজাত ভাবা মেয়েটার। কাকের বাসায় রেখে যাওয়া কোকিলের ডিমটা ফোটার আগ মুহূর্ত থেকে শুরু করে পেলে পুষে সেয়ানা করেছে মাস্টার এ যাবতকাল তাহলে সত্যি সত্যিই কোকিলের ছানাটাকে আত্মজা প্রাপ্তির তৃষ্ণাকাতর মোহ ভালোবাসাতে।


বিড়বিড়ানিটা জোরদার হওয়াতে আজ আর কাছে যাওয়া লাগেনি তাকে মাগীর বচন শোনার জন্য। ঘরের ভেতর থেকে চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে উঠোনে এনে ফেলার পরপরই বাড় বেড়েছিলো মাগীর বিগাড় ওঠার! সেই বিগাড় ভাঙা আর শুনতে পারছিলো না মাস্টার ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে! মাথায় খুন চড়ে যাচ্ছিলো মাগীর মুখ থেকে বিষের ফোয়ারার মতো ঝরে পড়া তার মাসী পিসি ধোয়ার ন্যাক্কারজনক গালিগালাজগুলো শুনে। এখনো যেনো তার মাথার ওপর চড়াও হয়ে আগুন ঢালছে তোতা পাখির মুখস্ত বুলির মতো বেশ্যা মাগীটার একটানা পড়ে যাওয়া ধারাপাতের নামতাগুলো!



'তোর মা ছিলো বারো ভাতারি-তোর খালা ছিলো আঠারো ভাতারি-তোর চৌদ্দগুষ্টির মাগীদের কারো পেট ভরেনি এক ভাতারে-আমাকেও ভরতে দেয়নি-মুক্তিযুদ্ধ মারাতে গেছিলি না- তার মধ্যেই তোর মা মাগী মিলিটারির হাতে থেকে তোকে বাঁচানোর জন্য তুলে দিয়েছিলো আমাকে রাজাকারের হাতে -সেই রাজাকার এখন বড় মুক্তিযোদ্ধা -আর তুই -মুক্তিযুদ্ধ মারিয়ে কোন গুষ্টির পিন্ডি গিলছিস এতকাল ধরে -জানে কেউ মুক্তিযোদ্ধা তুই -ফজলু যে ভেগেছে আমার মেয়েকে নিয়ে -বেশ করেছে -কে ভাগিয়ে দিতে সাহায্য করেছে জানিস -তোর ছোট ছেলে -ঝামা ঘসে দিয়েছে তোর আর তোর মা খানকির মুখে - মরে গিয়ে খানকি বেঁচেছে ভাবিস -মার -আয় -কত পারিস মার আমাকে- ! '



সভাপতি সাহেবের বিচারে অসন্তুষ্ট জনতার শোরগোলের মধ্যেই চিৎকার করে ওঠে মাস্টার দুই হাত দিয়ে কান চেপে ধরে-


'খুন করে ফেলবো তোকে আমি,শালী খেঁকি কুত্তার বাচ্চা কোথাকার! আমার মা খালাকে আর একটা গালি দিয়ে দেখ, কী করি আমি তোর! বেশ্যা মাগী বল আরেকবার! বল শালীর খানকি ছেনাল আমার--!'


চমকে সংজ্ঞা ফিরে পায় মাস্টার হঠাৎ করেই তার চারপাশের নিস্তব্ধতায়! আলুথালু চোখে তাকায় মাস্টার উপস্থিত জনতার দিকে। এ ওর মুখ চাওয়া চাওয়ি কানাকানি করছে সবাই নিজেদের মধ্যে। শুধু ফোর্স রিটায়ারমেন্টে ক্ষোভ মেটেনি সভাপতি সাহেবের চ্যালা চামুণ্ডাদের। সমস্বরে দাবী তুলেছিলো তারা, এই অপরাধের জন্য সবার সামনে নাকে খত দিতে হবে হীরা মাস্টারকে! তাদের সোরগোল চেল্লাচেল্লির মধ্যে হীরা মাস্টারের সিনেমাটিক চিৎকারে থমকে থেমে পড়েছে উত্তেজনায় ফেটে পড়া জনতার ঢেউ! হা মুখো মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে বুঝে উঠতে পারে না মাস্টার,কী করা উচিত তার এহেনো পরিস্থিতিতে। শেষ পর্যন্ত সভাপতির দিকেই আকুল চোখে তাকায় মাস্টার কোনখানে কোন দিকদিশা খুঁজে না পেয়ে।


করিৎকর্মা মানুষ সভাপতি সাহেব! ইশারা আসতেই গায়ের কিরিচ মারা ধবধবে সাদা পাঞ্জাবির এ কোনা ও কোনা ধরে টানাটানি করতে করতে ফজলু উঠে দাঁড়ায় এসে একেবারে মঞ্চের ডায়াসের মাঝখানে মাইক্রোন মুখে ধরে। বিশেষ স্টাইলে ঠোঁটের আগায় হাতের তিন আঙুল গোল করে পেঁচিয়ে নিয়ে গলা খাকারিসহ মাইক্রোফোনে তিন-চার বার বড়সড় সাইজের ফু মারে তারপর ট্রেইনিংপ্রাপ্ত সদ্য গজানো নেতার মতো। উপস্থিত জনগনের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশে মাথা নীচু করে ধম ধরে দাঁড়িয়ে থাকে ফজলু এবার কিছুটা সময়। ফজলুর টকটকে লাল মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে জনতার ঢল পলকহীন চোখে। রহস্যময় কাহিনির জট খুলতে চলেছে যেনো এখনই! টানটান উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটে ওঠে উপস্থিত জনতার চোখ মুখ!


রাতারাতি ভল পাল্টে যে এরকম বিশিষ্ট নেতা বনে যেতে পারে কেউ, বিশ্বাসই করতে পারে না মাস্টার চোখের সামনে নিজের চোখে ফজলুকে একপ্রকার বিষ্ময়কর রূপে মুখোমুখি দেখার পরেও! অবিশ্বাস্য বিস্ফারিত চোখে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে মাস্টার ফজলু নেতার আগাপাশতলা!


বাহ্! চটরপটর হাততালির উৎসাহ পেয়ে বাণী বর্ষণের গতি আরো বেগবান হয়েছে দেখা যাচ্ছে ফজলু নেতার মুখে! কানে পাতে মাস্টার এবার ফজলু নেতার বজ্রকন্ঠ শোনার জন্য।


'ভাইসব, দেখতেই পাচ্ছেন আপনারা সবাই, ঘোরতর পাগল এই হীরা মাস্টার সম্পর্কে শ্বশুর হন আমার! হায় খোদা! এই পাগলের কাছে থেকে আর কী আশা করেন আপনারা? আপনারা এটাও জানেন, আজ পর্যন্ত মেনে নিতে পারেননি তিনি তার মেয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। কিন্তু কীসের দোষে? এতদিন পর্যন্ত আপনারা এ-ও শুনে আসছেন, তার মেয়েকে বের করে এনেছি আমি ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে। না ভাইসব! ন্যায়ের পথের পথিক আপনাদের এই ফজলু নেতা! তার ছেলেকে দেখেননি আপনারা আমার সঙ্গে? কিন্তু এখন কী আর দেখতে পান? পান না! কারণ, অসৎ পথ বেছে নিয়েছে তার ছেলে আজ। পৃথিবীর কোন্ জঙ্গলে বসে বসে যে এখন জেলের চাকী ঘোরাচ্ছে সে, একমাত্র ওপরওয়ালায় জানেন সে খবর! একটা না -তার ছেলের ১০/ ১২ টা খুনের আই উইটনেস অর্থ্যাৎ রাজস্বাক্ষী আমি! হ্যাঁ ভাইসব! আমিই ধরিয়ে দিয়েছি তাকে আইনের হাতে! কারণ, আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ্ব আছের আলী বিশ্বাসের আদর্শে চলা লড়াকু সৈনিক আমরা! আদর্শের পথ ছেড়ে অনৈতিক পথে পা বাড়িয়েছে সে যেদিন থেকে, আমিও আমার বন্ধুর খাতা থেকে নাম কেটে দিয়েছি সেদিনই তার। কিন্তু যখন বন্ধু ছিলাম আমরা, আপনারা জানেন না ভাইসব, তার ছেলে নিজে ছিলো কন্যা পক্ষের অভিভাবক! কাজী সাহেবকে ডেকে এনে নিজে উপস্থিত থেকে বোনের বিয়ে দিয়েছে আমার সঙ্গে রীতিমতো শরীয়তী বিধান মেনে! ভাইসব! দিন এসেছে আজ সত্যিটাকে আপনাদের সকলের সামনে আনার! কারন ইলেকশন আমাদের নজদিকে। আশা রাখি, এবারেও বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবেন আপনারা সকলে মিলে আমাদের একমাত্র বিপদের বন্ধু আশার প্রদীপ প্রাণের নেতাকে! -আর- আমার বিষয়ে যা বলার, নেতার মুখ থেকেই সেটা শুনবেন আপনারা একটু পরে -'


অ মা! এ আবার কী শুরু হলো! এত জোরে জোরে হঠাৎ বাজ পড়ছে কোত্থেকে? বোধহীন আচ্ছন্ন চোখে তাকায় মাস্টার আকাশের দিকে।আকাশের বুকও কেমন যেনো বিবর্ণ আর সাদা দেখায় তার ঝাপসা চোখের সামনে। একটা চিল উড়ে যাচ্ছে সাদা মেঘের গায়ে গা মিশিয়ে। কালো একটা অবয়ব বোঝা যাচ্ছে শুধু এখান থেকে। চিল না শকুন? নাকি ঈগল? ঈগলের পায়ের থাবার সঙ্গে একটা শিশু ঝুলছে না? আরে! ওটা তো তার ছোট্ট সোনার কণা! ফুটফুটে গোলাপ ফুলের মতো তার একমাত্র কন্যা কণা! উদ্ধার করতে হবে! এক্ষুনি উদ্ধার করতে হবে তার প্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয় কন্যাকে! তানাহলে যে এক্ষুণি মরে যাবে মেয়েটা ঈগলের নখের থাবার আঁচড় খেয়ে খেয়ে! রাইফেলটা গেলো কোথায়? ও! রাইফেল তো জমা দিয়ে দিয়েছে মাস্টার দেশ স্বাধীন করে ফিরে এসেই! দেশ স্বাধীন হওয়ার তিন চরমাস পরেই তো তার স্যাঁতস্যাঁতে মাটির ঘর আলো করে এসেছিলো ওই কলজের ধন তার সোনার কণা!



মেয়েটাকে বাঁচানোর জন্য ফাতু বিবিকে ডাকবে নাকি একবার? হাসি পায় হীরা মাস্টারের ফাতু বিবির কথা মনে হতেই! এখনো ওরকম পাগলীই থেকে গেলো তার আদর সোহাগের সোনার বরণী বউ ফাতুজানটা! যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর সেই যে অভিমানে গাল ফুলিয়েছে মানীনী,কিছুতেই আর নরম হচ্ছে না গোলাপি রঙের সেই ফোলা গালটা! এত যে সাধাসাধি করে হীরা মাস্টার তার অভিমানী বউয়ের রাঙা চরণ ধরে, তারপরেও রূপের গরবে ঠোঁট উল্টে চরণ সরিয়ে নেই তার রাধিকা রমনী!



আবারও সেই ভালোবাসার গানটা গাওয়া ছাড়া রাধিকা দেবীর মানভঞ্জনের অন্য কোন পথ খোলা নাই বুঝতে পারে এবার হীরা মাস্টার! মনে মনে সুরটা ঝালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে মাস্টার মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে মাটিতে পায়ের আঙুল দিয়ে খোলের বোল তুলে -



'কালো কালো কী নয় ভালো?
কালো পাঁঠার মাংস ভালো
দুধ ভালো গাই হলে কালো
কৃষ্ণ ছিলো সেও তো কালো-'



এ কী! গানের মধ্যে হোলির পিচকারিতে রক্তরুধির প্রেতের মতো চেহারার এই কৃষ্ণটা আবার তার সামনে উদয় হলো কোত্থেকে? পিছমোড়া দিয়ে লোহার হাতকড়া পরা প্রেতটাকে আবার আটকে রাখার চেষ্টা করছে তিন চারজন ষন্ডা মার্কা পুলিশ মিলে! কিছু বলছে মনে হয় প্রেতটা তাকে! শুনেই দেখা যাক না কী বলছে তাকে এই ভুতুড়ে চেহারার কেষ্টবিষ্টুটা!


'এই যে বীর মুক্তিযোদ্ধা হীরা মাস্টার! এ জনমে তো কোলঝোল পেলাম না আপনাদের, লালসাও নাই আর পাওয়ার জন্য। এমনিতেও মরতে হতো ওমনিতেও মরতে হতো! হয় অপঘাতে নয়তো ফাঁসির দড়ি গলায় লটকে! মঞ্চের দিকে তাকিয়ে দেখেন! লাশ ফেলে দিয়েছি সবকয়টার আজ! জন্ম দিয়েছেন না? সেই জন্মের ঋণ শোধ করে গেলাম! ছোট বেলা থেকে জেনে আসছি পাগলী আমার মা! কেনো পাগলী, পাগলী বানালো কে তাকে, জানার কৌতূহলটুকুও হয়নি কোনদিন! মা পাগলী হবে এটাই যেনো স্বাভাবিক! জানাও হতো না কোনদিন হয়তো, আজ যদি বাড়িতে না যেতাম!


লাপাত্তা আমি আজ প্রায় ছয়মাস ধরে! মরলাম কী বাঁচলাম সেটুকু খোঁজ নেয়ার মতোও কোন দরদী নেই এই পৃথিবীতে আমার! পুরো পৃথিবীটায় একটা গারদখানা আমার জন্য! বাড়িতে ফিরে যান। ফজলুর বাড়ি থেকে কণাকে নিয়ে যাবেন বাড়িতে ফেরার আগে। আত্মার আত্মীয় জানতাম ফজলুকে আমি। ফেলতে পারিনি তাই বোনের আব্দার। বিয়ে দিয়েছিলাম ওদের নিজে দাঁড়িয়ে থেকে। মনে খুব আঘাত পেয়েছিলেন আপনি সেজন্য। সেই পাপেরও প্রায়শ্চিত্য করে গেলাম আজ নিজের হাতে।


মাস্টার মানুষ আপনি। তারপরেও আপনার এই কুলাঙ্গার সন্তানের একটা উপদেশ শোনেন আজ। উপকারে লাগবে। জন্ম দিলেই সন্তান হয় না। কে জন্ম দিলো না দিলো তাতে আপনার কী? আপনি যে তাকে নিজের সন্তান জানেন, এটাই হলো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আর চাঁদ সুরুজের মতো সত্যি কথা।


শোনেন, পেনশনের টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাবেন প্রথমে আমার মায়ের। একবারের জন্য হলেও যেনো আমার সুস্থ স্বাভাবিক মাকে দেখার সৌভাগ্য জোটে আমার কপালে।


অই শালা মাদারচোতের বাচ্চারা! সমানে টানা হ্যাঁচড়া করছিস ক্যান সেই তখন থেকে? পিওর মুক্তিযোদ্ধা হীরা মাস্টারের রক্ত দিয়ে জন্মানো ছেলে এই পল্টু আমি! তোদের মতো ঘুষখোরের রক্ত নাই আমার শরীরে! পেছন দরজা দিয়ে পালানোর চিন্তা থাকলে এ জন্মে আর পল্টুর হাতে হাতকড়া পরানোর খায়েশ মিটতো না তোদের! চল!কোথায় নিয়ে যাবি নিয়ে যাহ্ এখন!'



মুক্তির আনন্দে অবিরল ধারায় ভেসে যায় বহুকাল পরে আজ হীরা মাস্টারের খরখরে রুষ্ট চোখ! পুলিশের আগে আগে হাজার জনতার গুঞ্জরনের মিছিল সঙ্গে নিয়ে সিনা টানটান করে চলে যাচ্ছে তার চোখের সামনে দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা! একান্তই শুধু তারই মুক্তিদাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা!



পল্টুকে জন্ম দিতে পেরে মানবজনম সার্থক মনে হয় হীরা মাস্টারের কাছে এই জীবনে আজকেই প্রথম!


বিবার্তা/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com