সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এপিএ স্বাক্ষর ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান
প্রকাশ : ২২ জুন ২০২২, ০০:৩৭
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এপিএ স্বাক্ষর ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আওতাধীন দফতর-সংস্থাসমূহের ২০২২-২৩ অর্থবছরের এপিএ (বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি) স্বাক্ষর হয়েছে। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর এবং দফতর-সংস্থার পক্ষে দফতর-সংস্থার প্রধানরা এপিএ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। মো. আবুল মনসুর বলেন, সংস্কৃতি নিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছে। আমরা সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সেগুলোকে একসাথে জড়ো করে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা অনুযায়ী গুছিয়ে করতে চাই।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি সচিব বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা একটি উন্নত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। এ সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে সংস্কৃতি। শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি দিয়ে সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়, সংস্কৃতিও এক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভিশন, মিশন, কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ এবং কার্যাবলীর আলোকে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১৭টি দফতর-সংস্থা তাদের নিজস্ব ভিশন, মিশন কৌশলগত উদ্দেশ্য, কার্যাবলী, বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি বিবেচনা করে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রণয়ন করেছে। সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, ফলাফলধর্মী কর্মকাণ্ডে উৎসাহ প্রদান এবং কর্মকৃতি বা পারফরমেন্স মূল্যায়নের লক্ষ্যে সরকার ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে সরকারি অফিসসমূহে ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি' বা প্রবর্তন করেন।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এপিএ স্বাক্ষরকারী ১৭টি দফতর-সংস্থা হচ্ছে যথাক্রমে বাংলা একাডেমি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, গণগ্রন্থাগার অধিদফতর, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদফতর, কবি নজরুল ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি-নেত্রকোণা, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র-কক্সবাজার, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট-রাঙামাটি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট-খাগড়াছড়ি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট-বান্দরবান, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী এবং মণিপুরি ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ-মৌলভীবাজার।


২০২১-২২ অর্থবছরের মতো ২০২২-২৩ অর্থবছরের এপিএর কাঠামোয় সুশাসন ও সংস্কারমূলক কার্যক্রমসমূহকে (জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি, ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন এবং তথ্য অধিকার) সমন্বিতভাবে এপিএর অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরপর সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাঁচজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে শুদ্ধাচার পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।


শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান (সংশোধন) নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদানের জন্য গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে এ মন্ত্রণালয়ের দফতর-সংস্থার প্রধানদের মধ্য থেকে ১ (এক) জন, ০২-০৯ গ্রেডের মধ্যে ২ (দুই) জন, ১০-১৬ গ্রেডের মধ্য থেকে ১ (এক) জন এবং ১৭-২০ গ্রেডের মধ্য থেকে ১ (এক) জনসহ মোট ৫ (পাঁচ) জনকে শুদ্ধাচার পুরস্কার দেয়া হয়।


পুরস্কার হিসাবে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্ধারিত ফরম্যাটে একটি সার্টিফিকেট ও একটি ক্রেস্ট দেয়া হয়। শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হচ্ছেন- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দফতর-সংস্থার প্রধানদের মধ্য থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) রতন চন্দ্র পণ্ডিত (গ্রেড-২), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আতাউর রহমান (গ্রেড-৩), সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সগীর হোসেন (গ্রেড-৬), প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রাজু আহমেদ (গ্রেড-১০) ও অফিস সহায়ক মো. সাদ্রিব হোসেন (গ্রেড-২০)।


বিবার্তা/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com