ইউক্রেনে যাচ্ছেন বরিস জনসন
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:৩৫
ইউক্রেনে যাচ্ছেন বরিস জনসন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

ইউক্রেন ঘিরে পূর্ব ইউরোপীয় অঞ্চলে যে সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ইউরোপের এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি প্রশমনে আগামী সপ্তাহে ইউক্রেন সফরে যাবেন তিনি। ইউক্রেন সংকটে রক্তপাত এড়াতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী। রয়টার্স।


ইউক্রেনের সীমান্তে এক লাখের বেশি সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। পুতিন বলেছেন, তিনি কথা বলার জন্য প্রস্তুত থাকলেও মস্কোর প্রধান নিরাপত্তা দাবিগুলোর সুরাহা করেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো।


যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এখন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর সক্ষমতা আছে রাশিয়ার। তবে রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা চালায় তাহলে এটি বিপর্যয়কর হবে এবং এতে কোনও পক্ষই জয়ী হবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বরিস জনসন।


ইউক্রেনে কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে হুমকি দিয়ে ব্রিটেন একই ধরনের পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে সোমবার ব্রিটেনের সরকার কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


এক বিবৃতিতে জনসনের ডাউনিং স্ট্রিটের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইউরোপে রক্তপাত এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধি করতে বদ্ধপরিকর।’


‘চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে কথা বলার সময় রাশিয়ার পিছু হটা এবং কূটনৈতিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন জনসন।’ তবে কখন অথবা কোথায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই সফর হবে সে ব্যাপারে বরিস জনসনের কার্যালয় বিস্তারিত কোনও তথ্য দেয়নি।


ইউক্রেনে প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোতায়েন করেছে ব্রিটেন। যদিও দেশটির মন্ত্রীরা বলেছেন, সৈন্য মোতায়েনের সম্ভাবনা নেই।


ইউক্রেন সংকটের নেপথ্যে কী?


পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষার অভিযোগ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত মাসে পশ্চিমাদের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। এসব দাবির মধ্যে আছে-


• ন্যাটোতে ইউক্রেনের যোগদানে বাধা দিতে হবে।


• পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক কার্যক্রমের অবসান।


• পোল্যান্ডসহ বাল্টিক রাষ্ট্র এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া থেকে ন্যাটো জোটের সৈন্য প্রত্যাহার।


• রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে, এমন সব দেশে ন্যাটোর ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা যাবে না।


বিবার্তা/জেএইচ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com