ডিজিটাল দেশ গড়ার নেপথ্যে কাজ করছে সুমিতের অ্যানালাইজেন
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৫২
ডিজিটাল দেশ গড়ার নেপথ্যে কাজ করছে সুমিতের অ্যানালাইজেন
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

বাবা-মার স্বপ্ন ছিল ছেলে পড়াশোনা করে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবে। অন্যদিকে আমার স্বপ্ন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে নতুন কিছু উদ্ভাবনের। স্বপ্ন পূরণে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ভর্তিও হই।



তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় বদলে যায় আমার ভাবনার গতিপথ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইদের পরামর্শে শুরু করি ফ্রিল্যান্সিং। শখের বশে শুরু করা ফ্রিল্যান্সিংকে একপর্যায়ে মন থেকে ভালোবেসে ফেলি। সেই ভালোবাসার টানেই ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেই। প্রতিষ্ঠা হয় অ্যানালাইজেন বাংলাদেশের। প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও বিভিন্ন কোম্পানিকে সেবা দিচ্ছে।



এভাবেই নিজের জীবনের গল্প বলছিলেন লার্ন উইথ সুমিত ও দেশের প্রথম ডিজিটাল বিপণন সংস্থা অ্যানালাইজেন বাংলাদেশের সহ প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সুমিত সাহা। শখ থেকে পেশা এখন সেটি নেশায় পরিণত হয়েছে। দেশ ও বিদেশের টেকনোলজি জগতে বিশ্বমানের সেবা দিয়ে আলো ছড়াচ্ছে অ্যানালাইজেন বাংলাদেশ।


বাবা সরকারি চাকুরে। মা গৃহিণী। বাবার চাকরির কারণে স্কুলজীবনে এসএসসি পর্যন্ত ৭ বার স্কুল বদলাতে হয়েছে। সুমিত বলেন, ঢাকা বোর্ড থেকে ক্লাস এইট পাস করার পর খুলনায় ক্লাস নাইনে ভর্তি হই। এসএসসি যশোর বোর্ডের অধীনে হওয়ায় কথা থাকলেও বাবা আবার বদলি হলে রংপুর জেলা স্কুল থেকে রাজশাহী বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা দেই। এভাবে স্কুলজীবন কাটে।



ছোটবেলা থেকেই নতুন কিছু উদ্ভাবনের আগ্রহী ছিলেন সুমিত। কম্পিউটার ও বিজ্ঞান সব সময় তাকে টানতো। বাবার চাকরির সুবাদে স্কুলজীবন কোনো একটা স্কুলে স্থায়ী না হলেও সব সময় ভালো রেজাল্ট করতেন। অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। নটরডেম কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। সেখানেও ভালো রেজাল্ট। এবার স্বপ্ন পূরণের দাঁরপ্রান্তে স্বপ্নবাজ তরুণ সুমিত। ইঞ্জিনিয়ার হতে বুয়েটে ভর্তির পালা। ভর্তি হন।



সুমিত বলেন, ২০০৪ সালে বুয়েটে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হই। প্রথমবর্ষে ক্যাম্পাসের রঙিন দিনগুলি কাটছিল বেশ ভালোই। প্রতিদিন নতুন কিছু জানার ও শেখার নেশায় ছুটে চলেছি। ক্লাসের পড়াশোনায় বেশি মনোযোগী না হলেও নতুন কিছু শেখার নেশাটা ছিল প্রবল। এভাবে কেটে যায় দ্বিতীয় বর্ষ। তৃতীয় বর্ষে এসে পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি। পড়াশোনা চলবে, সাথে ইনকাম করতে পারবো- এই ছিল আশা।



কলেজের এবং পরবর্তীতে বুয়েটের বন্ধু রিদওয়ান হাফিজ তখন পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করত। বন্ধুর সাথে বিস্তারিত আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার। শুরু হয় নতুন ক্যারিয়ার ফ্রিল্যান্সিং। ক্লাস, প্র্যাকটিকেল, হোম ওয়ার্ক, প্রেজেন্টেশন সব সামলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেপ্লেস ফ্রিল্যান্সারডটকমে কাজ শুরু করেন তরুণ এই ফ্রিল্যান্সার।



শুরুর দিকে কাজের অর্ডার কম পেতেন। ক্লায়েন্টের প্রত্যেকটি কাজ যত্নসহকারে করে দিতেন সুমিত। ক্লায়েন্টরাও খুশি হতেন। এভাবে ধীরে ধীরে ক্লায়েন্টের সংখ্যা বাড়তে থাকে। দেড় দুই বছরে ক্লায়েন্টের একটা বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। একটা সময় এত কাজ আসতে শুরু করে যে, একার পক্ষে তা সামলানো অসম্ভব। তখন বন্ধু রিদওয়ান হাফিজকে নিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা করেন। সেই চিন্তা থেকেই ২০০৮ সালের আগস্টে আত্মপ্রকাশ করে অ্যানালাইজেন এর।ওই সময় শুধু সফটওয়্যার তৈরি করে টিকে থাকাটা বেশ কঠিন ছিল। তাই, আয় বাড়াতে ২০১০ সালে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজ শুরু করেন তারা।



দেশের প্রথম ডিজিটাল বিপণন সংস্থা অ্যানালাইজেন। শুরুতে কেমন সাড়া পেয়েছেন? জবাবে সুমিত বলেন, সেই সময় দেশে ডিজিটাল বিপণনের ধারণা একদমই ছিল না বললেই চলে। দেশে ইন্টারনেটের প্রসারও তেমন ছিল না। ওই সময়ে আমরা দুই বন্ধু বিভিন্ন কোম্পানির কাছে গিয়েছি। তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি ডিজিটাল বিপণনে সুবিধা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে। ক্লায়েন্টেরদেরকে ডিজিটাল মার্কেটিং ও অ্যানালাইজেনের কাজ সম্পর্কে বোঝানো বেশ কঠিন ছিল। অধিকাংশরাই তেমন কোনো আগ্রহ দেখায়নি। হতাশ হলেও হাল ছাড়িনি। অবিরাম চেষ্টা করে গেছি।


দুই বন্ধুর মনে ছিল আত্মবিশ্বাস। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফলে একটি ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবাদানকারী কোম্পানির কাজ পান। শুরু থেকেই সেরামানের সেবা দিয়ে প্রমাণ করেন তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা। পরে স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশকে তাদের সেবার গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝাতে সক্ষম হন। স্যামসাং মোবাইল কোম্পানিও তাদের ক্লায়েন্ট। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।



যেকোনো কোম্পানি, ব্র্যান্ড বা পণ্যের জন্য বাজার বিশ্লেষণ, নির্দিষ্ট ভোক্তাশ্রেণি নির্ধারণ, কোন মাধ্যমে কম খরচে কার্যকর বিপণন করা যাবে ইত্যাদি নানা ধরনের বিপণনকৌশল ঠিক করার কাজ করে অ্যানালাইজেন। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সেবা দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন ওয়েবসাইট, অ্যাপ, গেম ডেভেলপমেন্ট, এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, এআর ও ভিআর প্রকল্প নিয়েও কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি।


প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্যিকভাবে শুরু হওয়ার পর কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে? জানতে চাইলে সুমিত বলেন, ২০০৮-১০ সালের দিকে বিষয়টি নিয়ে কাজ করাটা অত সহজ ছিল না। তখন ডিজিটাল বিপণনের ধারণা দেশে সেভাবে ছিল না। একজন ক্লায়েন্ট ডিজিটাল চ্যানেলে একটি পণ্য বা সেবার বিপণন করবেন, কীভাবে কাজটি করবেন, সে বিষয়ে কোনো ধারণাই ছিল না। অন্যদিকে ওই ক্লায়েন্টই কোম্পানির জন্য ওয়েবসাইট, সফটওয়্যার, অ্যাপস বা গেমস বানাবেন সে বিষয়েও কোনো ধারণা ছিল না। যে বিজনেসটা ক্লায়েন্ট বোঝেন না, সেটা ক্লায়েন্টক বুঝিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজ করাটা অনেক চ্যালেঞ্জের ছিল। ক্লায়েন্ট যেখানে সার্ভিস জানে না, ইমপেক্ট দেখতে পাচ্ছে না, সেখানে প্রাইসিংয়ের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করাটা আরও বেশি কঠিন ছিল। এসব পরিস্থিতির সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে এই ইন্ডাস্ট্রির ভিত তৈরি করেছি। ধীরে ধীরে বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সুফল সম্পর্কে ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছি। বর্তমান এই সেক্টরের চাহিদা অনেক। সুফল ভোগ করছে লাখো কোম্পানি।



কাজের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় ২০১৫ সালে রিসালাত সিদ্দিকী নামের অপর একজন উদ্যোক্তাকে অংশীদার করেন। যিনি বর্তমানে কোম্পানির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। একই বছরে লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয় অ্যানালাইজেন।



সুমিত বলেন, আমরা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে সব ধরনের সেবা দিয়ে থাকি। আমাদের ভোক্তারা ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইনসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আছে। প্রতিটি মাধ্যমের কনটেন্টের ধরন, আকার, ব্র্যান্ডিং আলাদা। আমরা গ্রাহকদের এসব সামাজিক মাধ্যমের উপযোগী বিপণনকৌশল ঠিক করে দিই। এ ছাড়া ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপস, গেমস ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন সফটওয়্যার সেবা দিয়ে থাকি। তবে বিপণনের পাশাপাশি ডাটা বিশ্লেষণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে অ্যানালাইজেন। ভবিষ্যতে ডাটা বিশ্লেষণ নিয়ে আরও বড় ধরনের কাজ করার ইচ্ছে তাদের।



প্রায় ১৪ বছর আগে মাত্র ৮০০ টাকা পুঁজিতে যাত্রা শুরু হয়েছিল অ্যানালাইজেনের। সেই প্রতিষ্ঠানে এখন ১৩৫ জনের বেশি কর্মী কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ১০০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করেছে অ্যানালাইজেন। এর মধ্যে দেশিয় বড় ব্র্যান্ড ছাড়াও আছে ইউনিলিভারের মতো বহুজাতিক কোম্পানিও। সুমিত বলেন, আমরা কখনোই অ্যানালাইজেনকে স্টার্টআপ কোম্পানি বলি না। কারণ, শুরু থেকেই মূলধারার বাণিজ্যিক কোম্পানি হিসেবেই পথ চলেছে এটি।



এসবের পাশাপাশি, প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি অদম্য ভালোবাসা থেকে তরুণ মেধাবী ওয়েব ডেভেলপারদের প্রোগ্রামিং শেখাতে ২০২০ সালে সুমিত প্রতিষ্ঠা করেন ‘লার্ন উইথ সুমিত প্লাটফর্ম’।


সুমিত বলেন, আমি একজন ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার ও সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও সফটওয়্যার তৈরির কাজের সাথে জড়িত। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও ব্যবহারিক পদ্ধতিতে তরুণদের ওয়েব ডেভলপমেন্টে কৌশলগুলি শেখানোর ইচ্ছা থেকেই প্লাটফর্মটি প্রতিষ্ঠা করেছি। প্লাটফর্মটিতে বর্তমানে প্রায় ৩৫০+ প্রোগ্রামিং রিলেটেড ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। প্রোগ্রামিং কোনো সহজ বিষয় নয়। এটি একটি সাধনা। প্রোগ্রামিংয়ের জটিল বিষয়গুলো সহজ সাবলীল প্রাঞ্জল ভাষায় বুঝতে আমাদের এই প্লাটফর্ম আগ্রহীকে সাহায্য করবে বলে আমার বিশ্বাস।



‘লার্ন উইথ সুমিত’ নামের একটা ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে তার। ইউটিউব চ্যানেলে এখন পর্যন্ত ৩৫০টিরও বেশি অসাধারণ ফ্রি টিউটোরিয়াল রয়েছে, যেগুলো ভালোভাবে অনুসরণ করলে একজন লার্নারের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট যাত্রা অনেক সহজ হবে। সেই সাথে সহজ, সরল প্রাঞ্জল এবং সাবলীল বাংলা ভাষায় বোঝানোর ধরণ প্রোগ্রামিংয়ের জটিল বিষয়গুলোর প্রতি ভয় দূর করবে। এই ইউটিউব চ্যানেল ও পাবলিক ফেসবুক গ্রুপ থেকে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ফ্রি প্রোগ্রামিং শিখেছেন এবং শিখছেন।



প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন সেক্টর সম্পর্কে অভিজ্ঞ সিনিয়র প্রোগ্রামারদের মতামত লার্নারদের কাছে পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গাইডলাইন দিতে ‘লার্ন উইথ সুমিত’ প্লাটফর্ম থেকে নিয়মিত আয়োজন করা হয়ে থাকে ‘টক উইথ সুমিত’ নামের ‘টেক টক শো’। সেসাথে কমিউনিটির সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে ভাতৃত্ব এবং সৌহার্দ্য ধরে রাখতে ‘লার্ন উইথ সুমিত’ প্রথমবারের মতো আয়োজন করেছিল ‘লাইভ গ্র্যান্ড টেক আড্ডা’ যেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা।



কাজের স্বীকৃতিও মিলেছে অনেক। এখন পর্যন্ত দেশি-বিদেশি শতাধিক পুরস্কার পেয়েছে অ্যানালাইজেন। এর মধ্যে ব্র্যান্ডিং ও বিপণনে শ্রেষ্ঠত্ব ও নেতৃত্বের জন্য ২০১৫ সালে গোল্ডেন গ্লোব টাইগার সামিট অ্যাওয়ার্ডস,২০১৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) থেকে তিনটি বিভাগে জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি পুরস্কার ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড অন্যতম।



গত দুই বছরে করোনার কারণে দেশে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চাহিদা ও কাজ আগের থেকে অনেক বেড়েছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে সুমিত বলেন, সবাইকে ব্যবসা করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। তবে কেউ যদি ব্যবসা করতে আগ্রহী হন, তাহলে তাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে। নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারলে ব্যবসায় টিকে থাকার সম্ভাবনাও বাড়তে থাকে।



স্বপ্ন দেখেন একদিন প্রতিষ্ঠানটি অনেক বড় হবে। হাজারো মেধাবী তরুণদের ঠিকানা হবে অ্যানালাইজেন বাংলাদেশে। সুমিতের ভাষ্য, আমাদের দেশে অনেক মেধাবী তরুণ-তরুণী আছেন। অনেকে আছেন যারা শুধু সঠিক গাইডলাইনের অভাবে মেধার বিকাশ ঘটাতে পারেন না। আমি এসব মেধাবী তরুণদের প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি উৎসাহিত করতে চাই। আমার জীবনের অর্জিত অভিজ্ঞতা, দক্ষতা দিয়ে তাদের হাতে কলমে সফটওয়্যার এবং ওয়েব ডেভলপমেন্টের কৌশলগুলি শেখাতে চাই। ডিজিটাল বাংলাদেশের সব সেক্টরের সেবাকে অটোমেশন সিস্টেমে আনতে অনেক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও ওয়েব ডেভেলপার লাগবে। সেই ডেভেলপারদের তৈরি করতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি।


বিবার্তা/গমেজ/রোমেল/জেএইচ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com