‘অসাধু ব্যবসায়ীদের খপ্পরে গেমিং প্রোডাক্টের বাজার’
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:০৯
‘অসাধু ব্যবসায়ীদের খপ্পরে গেমিং প্রোডাক্টের বাজার’
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

গেমিং প্রোডাক্ট মানেই তাইওয়ানের বিশ্বনন্দিত ব্র্যান্ড গিগাবাইট। সারাবিশ্বের গেমারদের কাছে জনপ্রিয় ও পরিচিত ব্র্যান্ড এটি। বাংলাদেশে এই ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজি লিমিটেড। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে দেশের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্টের কাজ করে আসছে যৌথভাবে স্মার্ট টেকনোলজি ও গিগাবাইট বাংলাদেশ। তিল তিল করে গড়ে তোলা গেমিং ইন্ডাস্ট্রিকে শঠতা ও প্রতারণা দিয়ে ধ্বংস করতে ব্যস্ত অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই অসাধু চক্রের হাত থেকে গেমিং ইন্ডাস্ট্রিকে রক্ষা করতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।


সম্প্রতি রাজধানীর পশ্চিম কাফরুল গিগাবাইট বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে বিবার্তার সাথে আলাপ করেছেন গিগাবাইট বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড খাজা মো. আনাস খান। আলাপে উঠে আসে দেশে গেমিং ইন্ডাস্ট্রির হালচালসহ গিগাবাইটের বিভিন্ন বিষয়াদি। দীর্ঘ আলাপের চুম্বুক অংশ বিবার্তার পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হলো।



বিবার্তা: দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে দেশের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্টে কাজ করছেন। ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থা কেমন?


খাজা মো. আনাস খান: দেখুন, যেকোনো ইন্ডাস্ট্রির গোড়াপত্তন করতে অনেক লড়াই করতে হয়। কাস্টমারদের সাথে একপ্রকার যুদ্ধই করতে হয়। কাস্টমারকে বিদেশি ব্র্যান্ডের প্রোডাক্টের সাথে পরিচয় করানো, এর ভালো-মন্দ বোঝানো, প্রচার-প্রচারণা করা অনেক কঠিন কাজ।



২০০০ সালের শুরুতে এই কাজটাই করার উদ্যোগ গ্রহণ করি। সারথি হিসেবে পাই দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য পরিবেশক ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডকে। অক্লান্ত পরিশ্রম করে টেকনিক্যালি স্কুল, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গেমিং বিষয়ে প্রোগ্রাম, সেমিনার, কর্মশালা, প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গেমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি।



এখন আামদের গেমাররা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গেমিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে পুরস্কারও অর্জন করছেন। ১৮ বছরে এই গেমিং ইন্ডাস্ট্রিটা অনেক বড় হয়েছে। দেশে এখন গেমিংয়ের একটা ভালো অবস্থান তৈরি হয়েছে। আগে বাবা-মায়েরা গেমিং বিষয়টা তেমনভাবে বুঝতেন না। এখন বোঝেন। বাবা-মায়েরা তাদের ছেলে-মেয়েদের গেমিংয়ের প্রতি উৎসাহ দিচ্ছেন। লাখ লাখ টাকা খরচ করে গেমিং একসেসরিজ কিনে দিচ্ছেন। তরুণরাও এই গেমিংকে এনজয় করছেন। ইতোমধ্যে দেশে অসংখ্য মেধাবী আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গেমার তৈরি হয়েছে। দিন দিন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিটা এগিয়ে যাচ্ছে।



বিবার্তা: গেমিং প্রোডাক্ট ব্যবসা সম্প্রসারণে সমস্যাসমূহ কী কী?


খাজা মো. আনাস খান: ব্যাবসা করতে গেলে কিছু সমস্যা তো থাকবেই। ইন্ডাস্ট্রি বিকাশের শুরুতে সমস্যাগুলো ছিল একরকম। সময়ের সাথেসাথে সমস্যার ধরণ বদলেছে। শুরুতে গেমিং প্রোডাক্ট বাজারে পরিচিত করানো। পরে সেই প্রোডাক্টের কাস্টমার, বাজার তৈরি করা ছিল সমস্যা। যখন বাজার তৈরি হয়েছে, তখন সরকারের পক্ষ থেকে প্রোডাক্ট আনার ভ্যাট, ট্যাক্স বাড়িয়ে দেয়া হয়। সেগুলো মোকাবেলা করে যখন ইন্ডাস্ট্রিকে আস্তে আস্তে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকি, তখন শুরু হয় নতুন সমস্যা।



দেশে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ পথে ওয়্যারেন্টিবিহীন গিগাবাইট প্রোডাক্ট আমদানি করছে। তারা চায়না, দুবাই, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও মালোয়েশিয়া থেকে মাদারবোর্ড, গ্রাফিক্স কার্ড, ল্যাপটপ ও মনিটর আনছে। তা রাজধানীর কম্পিউটারের ৩টি পাইকারি বাজার থেকে ছড়িয়ে পরছে সারাদেশে। কেউ কেউ অনলাইনেও এসব প্রোডাক্ট বিক্রি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করছে।



দেশের গেমারদের কাছে জনপ্রিয় ও পরিচিত ব্র্যান্ড গিগাবাইটের লাগেজ ও রিফার্বিশ পণ্যে সয়লাব হয়ে গেছে প্রযুক্তি বাজার। এর ফলে, শুধু আমরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি না, মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। একটি দুষ্টুচক্র গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রলোভন দেখিয়ে গেমিং প্রোডাক্টের বাজারকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এখনকার ক্রেতারা অনেক সচেতন ও বিচক্ষণ। তারা প্রতারণার বিষয়টা যখন বুঝতে পারবেন, তখন আর সেগুলো বাজারে চলবে না। ক্ষতি ওই অসাধু ব্যবসায়ীদেরই হবে।



বিবার্তা: এসব সমস্যা সমাধানের কোনো উপায় আছে কী?


খাজা মো. আনাস খান: অবশ্যই আছে। এখানে লাখো মেধাবী তরুণ রয়েছেন যাদের গেমিংয়ে আগ্রহ রয়েছে। গেমিং প্রোডাক্টের বাজারটাও অনেক বড়। কিছুসংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধ পথে ওয়্যারেন্টিবিহীন গিগাবাইটের নাম প্রিন্ট করে নকল পণ্য এনে বিক্রি করছেন। এসব ব্যবসায়ীরা গেমিং ইন্ডাস্ট্রি ও ক্রেতাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। এরা যাতে বেশিদিন ক্রেতাদের ঠকাতে না পারেন বা তাদের সাথে প্রতারণা করতে না পারেন, এর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



আমরা সারাদেশে খুচরা ব্যবসায়ী এবং গ্রাহদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে কাজ শুরু করেছি। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মাধ্যমে রাজধানীর বড় তিন কম্পিউটার মার্কেটের কমিটির কাছে যাব। তাদেরকে নোটিশ দিব। যারা এসব কাজ করছেন, প্রাথমিকভাবে তাদের সতর্ক করব। কেউ যদি গিগাবাইটের অফিসিয়াল প্রোডাক্ট নিতে চান তাদের জন্য বিশেষভাবে ছাড়ের ব্যবস্থা করব।



তবুও তারা যাতে ক্রেতাদের না ঠকায়। এছাড়াও প্রোডাক্টের প্রতারণা বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার, কর্মশালা করে সচেতনতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। একটা ইন্ডাস্ট্রিকে রক্ষা করা তো আমাদের একার পক্ষে সম্ভব না। তাই গ্রাহকদের ঠকানো ও প্রতারণার বিষয়টা নিয়ে সব মিডিয়াগুলিতে প্রচার করা হলে আশা করছি, অল্পদিনের মধ্যেই অবৈধ পথে দেশে গিগাবাইটের নকল পণ্য আমদানি বন্ধ হবে।


বিবার্তা: এর ফলে কি সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে?


খাজা মো. আনাস খান: প্রোডাক্টগুলি নিয়ম মেনে আমদানি করা হচ্ছে না। বৈধ পথে আনা হলে সরকারকে ভ্যাট, ট্যাক্স দিতে হত ওই অসাধু ব্যবসায়ীদের। তাই অবৈধ পথে আসা এসব পণ্য থেকে বিপুল অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।



বিবার্তা: গিগাবাইটের রিফার্বিশ প্রোডাক্ট কেনা প্রতারিত ক্রেতারা কী বিক্রয়োত্তর সেবার জন্য আপনাদের কাছে আসেন?


খাজা মো. আনাস খান: বাজার থেকে গিগাবাইটের রিফার্বিশ প্রোডাক্ট কিনে অসংখ্য ক্রেতারা প্রতারিত হয়েছেন। যখন প্রোডাক্টের কোন ক্রটি দেখা দিচ্ছে, তখন ছুটে আসছেন অফিসিয়াল ডিলারদের কাছে। আর যখন বিক্রয়োত্তর সেবা চাচ্ছেন, তখন গিগাবাইটের একমাত্র পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজিস পড়ছে চরম বিপাকে।


এই ধরনের মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড কিনে প্রতারণার শিকার হওয়া ক্রেতার সংখ্যা প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ। দেশের একমাত্র পরিবেশক হওয়ায় এসব পণ্য নষ্ট হলে বিক্রয়োত্তর সেবার দায় না থাকায় গ্রাহকদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হচ্ছে স্মার্ট টেকনোলজিসকে। বিষয়টি আমলে নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের পরিবেশিত পণ্যে হলোগ্রাম যুক্ত স্টিকার ব্যবস্থা চালু করেছি।


তাই, আমি ব্যবহারকারী ও ক্রেতাদের অনুরোধ করে বলতে চাই, আপনারা গিগাবাইটের যেকোনো পণ্য কেনার আগে অবশ্যই স্মার্ট ওয়ারেন্টি স্টিকার দেখে ক্রয় করুন।



বিবার্তা: বর্তমানে গিগাবাইট বাংলাদেশ কী ধরনের পণ্য বাজারজাত করছে?


খাজা মো. আনাস খান: একটা সময় ছিল, যখন গিগাবাইটের পণ্য বলতে সবাই শুধু মাদারবোর্ড আর গ্রাফিকস কার্ডকে চিনতেন। কিন্তু বর্তমানে গিগাবাইটের মনিটর, র‌্যাম, এসএসডি, কেসিং, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলার, মাউস, কিবোর্ড বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া, গেমার ও প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য শক্তিশালী ল্যাপটপ তো আছেই। এছাড়াও ইন্টেলের নতুন প্রজন্মের প্রসেসরগুলোর কার্যকারিতা সঠিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে গিগাবাইট তাদের ইন্টেল ৬০০ সিরিজের মাদারবোর্ডের বায়োস হালনাগাদ করেছে। ফলে বাজারে আসতে যাওয়া নতুন প্রজন্মের ইন্টেল প্রসেসরে মাদারবোর্ডগুলো স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যাবে।


বিবার্তা: এখন গিগাবাইট কোনো বিশেষ পণ্য নিয়ে কাজ করছে কি?


খাজা মো. আনাস খান: ইন্টেলের নতুন প্রজন্মের প্রসেসরগুলোর পারফরম্যান্স সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য গিগাবাইট চলতি মাসে ইন্টেল ৬০০ সিরিজের মাদারবোর্ডের বায়োস আপডেট প্রকাশ করেছে। গিগাবাইট সব সময়ই ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে ভালো কর্মক্ষমতা, সামঞ্জস্যতা এবং অভিজ্ঞতা দিতে ইন্টেলের সাথে কাজ করে আসছে।



এরই ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের ইন্টেল প্রসেসরের সাথে গিগাবাইট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট টিম জেড৬৯০, বি৬৬০ এবং এইচ৬১০ মাদারবোর্ডের জন্য পরীক্ষিত বায়োস কোড প্রস্তুত করেছে। নতুন প্রসেসর বাজারে আসার পর এটি ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ সহায়ক হবে। গিগাবাইট বায়োস, কিউ-ফ্ল্যাশ বা কিউ ফ্ল্যাশ প্লাস প্রযুক্তির দ্বারা একটি সিপিইউ, র‌্যাম এমনকি জিপিইউ ইনস্টল না করেই একটি বায়োস ফাইল ফ্ল্যাশ করতে পারে। সর্বশেষ বায়োস আপডেটগুলো গিগাবাইটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।



বিবার্তা: গিগাবাইট প্রোডাক্টের বিশেষত্ব কী?


খাজা মো. আনাস খান: তাইওয়ানের বিশ্ব নন্দিত ব্র্যান্ড গিগাবাইটের সব ধরনের প্রোডাক্টের দেশে একমাত্র অফিসিয়াল পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি.। স্মার্টের সঙ্গে গিগাবাইটের পথচলা প্রায় ১৮ বছরের। আমরা গিগাবাইটের ব্যবসার শুরু থেকেই তাইওয়ানের সাথে অফিসিয়ালি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেশে গেমিং প্রোডাক্ট আমদানি করছি। সরকারকে নির্ধারিত ভ্যাট, ট্যাক্স দিচ্ছি।



ক্রেতারা পণ্য কিনলে ওয়ারেন্টি ও বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছি। যেকোনো প্রোডাক্টের সমস্যায় অফিসিয়ালি সমাধান করছি। যদিও সাধারণত প্রোডাক্টের তেমন কোন সমস্যা দেখা যায় না। দেশের গেমিং ইন্ডাস্ট্রির শুরু থেকেই আমরা ক্রেতাদের অর্জিনাল প্রোডাক্ট দিয়ে আসছি। সারাদেশে স্মার্ট টেকনোলজিসের শোরুমগুলিতে গিগাবাইটের যেসব প্রোডাক্ট রয়েছে, সেগুলি কখনই রিফার্বিশ বা নকল নয়।



গিগাবাইট মানের প্রশ্নে কোন আপোস করে না। ইতোমধ্যে ক্রেতাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমরা সারাদেশে আইটি পেরিফেরাল মার্কেটে একটা বড় মার্কেট শেয়ার অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আমি মনে করি, এখন ক্রেতারা অনেক বিচক্ষণ ও সচেতন। কোন প্রোডাক্টটা আসল, আর কোনটা নকল সেটা তারা বুঝতে পারেন।



বিবার্তা: কেমন গেমিং ইন্ডাস্ট্রি দেখতে চান?


খাজা মো. আনাস খান:সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে কীভাবে কাজ করা যায় সে লক্ষ্য নিয়ে শুরু থেকে আমরা কাজ করছি। এখানে গেমিং ইন্ডাস্ট্রির গেমার, তাদের অভিভাবক, আইটি ব্যবসায়ী ও সরকার- সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে বিশ্বমঞ্চে ক্রিকেটের মত গেমিং ইন্ডাস্ট্রিটাও একটা জায়গা করে নিতে পারবে।


ইতোমধ্যেই বেশ কিছু খেলায় অংশগ্রহণ করে দেশের তরুণ মেধাবীরা তাদের গেমিং দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। আমি চাই, ইন্ডাস্ট্রিটা অনেক বড় হোক। সরকারিভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হোক। বিশ্বমঞ্চের বড় গেমিং আসরে উড়ুক লাল সবুজের পতাকা। একদিন বিশ্ব আসর থেকে আমাদের ছেলেরা স্বর্ণজয় করে আনবে। সে প্রত্যাশা করি।


বিবার্তা/গমেজ/রোমেল/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com