প্রগতির পথিকৃৎ: আমিনুল ইসলাম বাদশা
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২২, ২০:০৪
প্রগতির পথিকৃৎ: আমিনুল ইসলাম বাদশা
এম. এ. বাসার
প্রিন্ট অ-অ+

ত্রিকালদর্শী প্রগতিশীল রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব, যিনি আজীবন সংগ্রামী, কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু, পাবনার গণআন্দোলনের প্রাণপুরুষ বিপ্লবী আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনি সমাজতান্ত্রিক আদর্শভিত্তিক রাজনীতি ও শোষণমুক্তি চেতনার ধারক-বাহক। দেশমাতৃকার জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য বিংশ শতাব্দীর আত্মোৎসর্গকারীদের অন্যতম, একজন ভাষাবীর, একটি আদর্শিক নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম বাদশা। সরদার ফজলুল করিম এক নিবন্ধে বলেছিলেন- ‘আমিনুল ইসলাম বাদশা‘র সচল রাজনৈতিক জীবন ও আজীবন কর্মতৎপরতা ছিল মনোমুগ্ধকর এক বিষয়। শেষ বিচারে তিনি একজন যোদ্ধা’।


মূলত আমিনুল ইসলাম বাদশা‘র যুদ্ধ শোষণ-নিপীড়ণের বিরুদ্ধে, ন্যায় ও সাম্যের পক্ষে। সামন্ততান্ত্রিক ব্রিটিশ বেনিয়া-শাসকদের ভারতবর্ষের মাটি থেকে বিতাড়ণের জন্য আন্দোলন দিয়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের যাত্রা শুরু। ভারতবর্ষে কমিউনিস্ট পার্টি, পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মাধ্যমে তিন যুগেই কমিউনিস্ট আন্দোলনের সাথে যুক্ত থেকেছেন, দিয়েছেন নেতৃত্ব। বাংলাদেশের প্রতিটি অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতির আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। সামরিক শাসন, স্বৈরাচার ও মৌলবাদের বিরুদ্ধেও হয়েছেন সোচ্চার।


আমিনুল ইসলাম বাদশা এ উপমহাদেশে এমন একজন বিরল প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, যার রাজনৈতিক পথচলায় কোন আদর্শের ঘাটতি বা আদর্শহীনতা ছিল না। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকাল, স্বাধীন হয়েও বঞ্চনা ও শোষণের পাকিস্তান শাসনকাল এবং সবশেষে স্বাধীন বাংলাদেশ কালের অভিজ্ঞতায় সিদ্ধ তার রাজনৈতিক আদর্শ। তিন কালপর্বের প্রায় সব প্রগতিশীল কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করেছেন স্বপ্রণোদিত হয়ে আদর্শের তাড়ণায়। তার রাজনৈতিক আদর্শ ছিল চলমান সমাজ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবী সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের চেতনায় সমৃদ্ধ। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের পূঁজিবাদী চিন্তা-চেতনা ও সামন্ততান্ত্রিক শোষণ-নির্যাতন থেকে মানবিক মুক্তির সংগ্রামে জেল-জুলুম ছিল নিত্যসঙ্গী।


আজীবন সংগ্রামী, ভাষাসৈনিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আমিনুল ইসলাম বাদশা ১৯২৯ সালের ১৪ এপ্রিল পাবনা শহরের কৃষ্ণপুর মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আলহাজ নুরুজ্জামান শেখ, মাতার নাম খবিরন নেছা। রাজনৈতিক জীবনে সফলতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও সফল ও সার্থক আমিনুল ইসলাম বাদশা। সহায়তাপ্রবণ মানবিক স্ত্রী, পিতার আদর্শে উজ্জীবীত দুই কন্যা এবং এক পুত্র সবাই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে প্রতিষ্ঠিত, সফল এবং সার্থক। একমাত্র পুত্র সাবিরুল ইসলাম বিপ্লব সরকারের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে কর্মরত।


আমিনুল ইসলাম বাদশা ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলার সময় পাবনার গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউশনের ছাত্র ছিলেন। তখন সেলিনা বানু ও কমরেড প্রণতি কুমার রায়ের সঙ্গে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন এবং ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। সেটাই তার রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ হাতেখড়ি। তখন চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। অবিভক্ত ভারতে ৫০-এর মন্বন্তরের পদধ্বনি। আমিনুল ইসলাম বাদশা ব্রিটিশ ভারতবর্ষের স্বাধীনতা, দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধ আন্দোলনে অংশ নেন।


১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর পাবনার ঈশ্বরদীতে অনুষ্ঠিত যুব সম্মেলন, রাজশাহীর প্রখ্যাত নেতা আতাউর রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হয়, তাতে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। ১৯৪৮ সালের গোড়ার দিক থেকেই গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন।


আমিনুল ইসলাম বাদশার অন্যতম প্রধান কৃতিত্ব ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ। ১৯৪৮ সালের মার্চে ভাষা আন্দোলন প্রথমে ঢাকায় শুরু হলেও দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে দেশের সর্বত্র, পাবনাতেও। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাংলা ভাষা বিষয়ক প্রস্তাবনা মুসলিম লীগ সরকারের বিরোধিতায় নাকচ হয়ে গেলে পাবনার সচেতন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। ১৯৪৮-এর ২৬ ফেব্রুয়ারি সর্বদলীয় সভায় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। আমিনুল ইসলাম বাদশা রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২৭ ফেব্রুয়ারি সর্বদলীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পাবনা শহরে হরতাল পালিত হয়। প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পাবনা শহরে ছাত্র-জনতার মিছিল নামে। সে মিছিলে নেতৃত্ব দানকারীদের অন্যতম আমিনুল ইসলাম বাদশা। পুলিশ আমিনুল ইসলাম বাদশাসহ ৬৪ জনকে গ্রেফতার করলেও আন্দোলনের মুখে ওই দিনই আদালত মুক্তি দেন সবাইকে। এর দু'দিন পর আবার গ্রেফতার হন ও ক'দিন পর ছাড়া পান। ১৯৪৮-এর ১১ মার্চ সারা পাকিস্তানে ডাকা হরতাল সর্বাত্মকভাবে পালিত হয় পাবনায়।


রাজশাহী কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ডে জেলবন্দী কমিউনিস্ট নেতা কর্মীদের সঙ্গে উপযুক্ত রাজবন্দীর মর্যাদা ও ভালো খাবারের দাবিতে জেলবন্দী রাজনৈতিক নেতারা অনশন শুরু করেন। ১৯৫০ সালের ২৪ এপ্রিল কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ড থেকে আটজন রাজবন্দীকে কনডেমড সেল বা ফাঁসির আসামির নির্জন সেলে স্থানান্তর করার চেষ্টা করে কারাগার কর্তৃপক্ষ। এ সময় রাজনৈতিক বন্দীরা এর প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জেলার বিলের নির্দেশে একটি ঘরে আবদ্ধ করে বাইরে থেকে ৪০ জন বন্দীর উপর নির্মমভাবে গুলি চালায় কারারক্ষীরা। এর ফলে শহীদ হন মোট ৭ জন। বাকি বন্দীরা মারা না গেলেও মারাত্মকভাবে আহত হন। সে গুলিবর্ষণে আহত হয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। সে গুলির চিহ্ন বাকী জীবন বয়ে বেড়িয়েছেন আমিনুল ইসলাম বাদশা।


কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে ১৯৫৩ সালে বন্দিমুক্তিসহ মুসলিম লীগবিরোধী নানা আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত পাবনা জেলা গণতান্ত্রিক কর্মী শিবিরের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রচার অভিযান চালানোর সময় ২২ ফেব্রুয়ারি আমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করে কারাগারে নিক্ষেপ করে পাকিস্তানি পুলিশ। নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করে যুক্তফ্রন্ট বিজয়ী হয়। যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের ফলে এক মাস কারাভোগের পর পর মুক্তি পান আমিনুল ইসলাম। এর দুই মাস পর যুক্তফ্রন্ট নেতা শেরেবাংলা ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত পূর্ববাংলার প্রাদেশিক সরকার বাতিল করার সঙ্গে সঙ্গে আবার আমিনুল ইসলাম বাদশাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


১৯৫৭ সালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠনের পর তিনি ন্যাপে যোগ দেন। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আমিনুল ইসলাম বাদশার আরও অনেক অর্জনের মধ্যে ‌‘৫৮ সালের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ‘৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ‘৬৭ সালের ভুট্টাবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুথানসহ বাংলাদেশের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ- সব আন্দোলনে আমিনুল ইসলাম বাদশা ছিলেন সক্রিয় নেতা, আন্দোলনের অনুঘটক। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ন্যাপ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন।


১৯৬৭ সালে পাবনার ঐতিহাসিক ভুট্টা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিষাক্ত আটার রুটি খেয়ে মৃত্যুর কারণে পাবনা হয়ে ওঠে বিক্ষোভ ও বিস্ফোরণের নগরী। এই আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি আমিনুল ইসলাম বাদশা। ফলশ্রুতিতে জননেতা ক্যাপ্টেন মনসুর আলীসহ তিনি গ্রেপ্তার হন এবং দুসপ্তাহ পর সকলের সাথে মুক্তিলাভ করেন।


১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে পাবনায় গঠিত স্থানীয় সরকার পরিষদ ও হাইকমান্ডের তিনি ছিলেন অন্যতম সদস্য। ১০ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পাবনা পুনর্দখলের পর তিনি কলকাতা চলে যান এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময় তিনি রাজ্য সরকার ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নবগঠিত স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ও মুক্তি বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্প সমন্বয় করেন এবং শরণার্থী শিবির পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় মুক্তি সংগ্রাম সহায়ক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটিতে সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন।


১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাকশাল গঠিত হলে আমিনুল ইসলাম বাদশা জেলা কমিটিতে যুগ্ম-সম্পাদক মনোনীত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হলে তিনি মারাত্মকভাবে মর্মাহত হন। ১৯৮২-৯০ সাল পর্যন্ত তিনি সামরিক শাসনবিরোধী ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। প্রগতিশীল রাজনৈতিক পথচলায় শেষ পর্যায়ে গণতন্ত্রী পার্টি গঠনের নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনি গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালের ৪ আগস্ট আজকের দিনে আমিনুল ইসলাম বাদশা হৃদরোগে আক্রান্ত হলে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করেছেন পাবনার এই কৃতী সন্তান ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আমিনুল ইসলাম বাদশাকে। এ সম্মান প্রকৃত অর্থেই আমিনুল ইসলাম বাদশার প্রাপ্য ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এই সম্মান শুধু তার জন্য নয় বরং তার সময়ের রাজনীতিকদের এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের চেতনাধারী মানুষের প্রতিই সম্মান জানানো।


ব্রিটিশ শাসনামলে সাম্যবাদী রাজনৈতিক আদর্শের কারণে ব্রিটিশবিরোধী, পাকিস্তানকালে শোষণ-বৈষম্যের কারণে পাকিস্তানবিরোধী গণতান্ত্রিক আদর্শবাদী এবং বাংলাদেশকালে শোষণহীন সমাজ কায়েমের জন্য সমাজতান্ত্রিক আদর্শের লাল ঝান্ডা ঊর্ধ্বে তুলে ধরা আদর্শের লড়াকু সৈনিক হিসেবে তিনি ইতিহাসের অমর কাব্যের কবি হয়ে থাকবেন নিরন্তর। তাকে সবকালের মানুষ যেমন শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত করছে, তেমনি পরবর্তী প্রজন্মও তার জীবন ও রাজনৈতিক আদর্শ থেকে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে। প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষাবীর ও রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম বাদশাকে। হে বিপ্লবী বীর, হে প্রগতির পথিকৃৎ তোমার সৌরভ-শৌর্য আর অমিত সাহস আমাদের উৎসাহিত করে, উদ্দীপ্ত করে, ফের বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যোগায়।


লেখক:
এম. এ বাসার
সহকারী অধ্যাপক
প্রেষণে, গবেষণা কর্মকর্তা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
[email protected]



বিবার্তা/জেএইচ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com