ছাত্রলীগের সম্মেলন: বরিশাল বিভাগে আলোচনায় যারা
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩৪
ছাত্রলীগের সম্মেলন: বরিশাল বিভাগে আলোচনায় যারা
মহিউদ্দিন রাসেল
প্রিন্ট অ-অ+

কারা আসছেন নেতৃত্বে? কোন এলাকা পাচ্ছে প্রাধান্য? সংকটকালীন সময়ে কার কী অবদান? কার পারিবারিক ঐতিহ্য কী? এসব নানা আলোচনা ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন ঘিরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু করে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় সব জায়গায় এখন ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকদের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছাত্রলীগের সম্মেলন।



৪ নভেম্বর, শুক্রবার ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। পরে ১৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার তা ৩ তারিখের পরিবর্তে ৮ ডিসেম্বর করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৯ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাবেন। দেশে ফিরবেন ৩ ডিসেম্বর। যার কারণে সম্মেলনের তারিখ পেছানোর নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। ফলে সম্মেলনের তারিখ ৮ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।



এদিকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সক্রিয় হয়ে উঠেছেন ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একদিকে মধুর ক্যান্টিনে আসছেন তারা, অন্যদিকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী নেতাদের কাছে গিয়েও লবিং, তদবির করেছেন। ছাত্রলীগের সম্মেলনের আগ পর্যন্ত তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সম্মেলনের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, পদপ্রত্যাশী ও কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস, আকাঙ্ক্ষা ততই বেড়ে চলেছে। পদপ্রত্যাশীরা এখন সংগঠনের জন্য নিজেদের ত্যাগ ও ইতিবাচক দিকগুলো বিভিন্নভাবে প্রচার করছেন।


নির্ভরযোগ্যসূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে এবারও সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি নেতা বাছাইয়ে নেতৃত্ব দিবেন। সম্মেলনে যোগ্যতা, মেধা ও পারিবারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট- এসব বিবেচনায় নিয়ে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নেতা বানানো হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে যাতে অনুপ্রবেশকারীরা দলে ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারে কঠোর থাকার নির্দেশনা রয়েছে দলের হাইকমান্ডের।


পদপ্রত্যাশীসহ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা- ছাত্রলীগে মেধাবী, শিক্ষার্থীবান্ধব, রাজপথে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিক নেতৃত্ব সম্পন্ন নেতা আসবেন।


এদিকে ছাত্রলীগের বিগত সম্মেলনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচনে কয়েকটি বিষয় দেখা হয়। তার মধ্যে- পারিবারিক পরিচিতি, নিয়মিত ছাত্রত্ব, সংগঠনের জন্য ত্যাগ ও এলাকা। নেতৃত্ব নির্বাচনে অন্যান্য যোগ্যতার পাশাপাশি এলাকার বিষয়টি বিশেষ প্রাধান্য পেয়ে আসছে। সেক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন বিভাগের পদপ্রত্যাশীরা আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।


ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে বিবার্তা২৪ডটনেটের ধারাবাহিক আয়োজনের আজ দ্বিতীয় পর্ব। সম্মেলনে নেতৃত্বের দৌঁড়ে বরিশাল বিভাগে আলোচিত যারা, তাদের নিয়ে।


ছাত্রলীগের সম্মেলনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, অঞ্চল হিসেবে সবচেয়ে বেশি নেতৃত্ব আসে যেসব জায়গা থেকে, বরিশাল তার মধ্যে অন্যতম। এ অঞ্চল থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগে বিভিন্ন সময় নেতৃত্ব এসেছে। ১৯৯৪-১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ইসহাক আলী খান পান্না ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। যিনি এই অঞ্চলের ছিলেন। এরপর ছাত্রলীগের ৬টি কমিটি হলেও এই এলাকা থেকে নেতৃত্ব আসেনি। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ইতিহাস বলে, এই শাখার বর্তমান কমিটির আগের কমিটির সভাপতি আবিদ আল হাসান এবং তার আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফও ওই অঞ্চলের ছিলেন। এদিকে ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ও ওই অঞ্চলের। ফলে এবারের সম্মেলনে প্রার্থী নির্বাচনে এ অঞ্চলটি বরাবরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


আলোচনায় যারা:


ইয়াজ আল রিয়াদ (সহ সভাপতি), সৈয়দ আরিফ হোসেন (সহ সভাপতি), তিলোত্তমা শিকদার (সহ সভাপতি), আরিফুজ্জামান আল ইমরান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), সোহানুর রহমান সোহান (সাংগঠনিক সম্পাদক), শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান (সাংগঠনিক সম্পাদক), ইমরান জমাদ্দার (ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক), সবুর খান কলিন্স (উপ-বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক), খাদিমুল বাশার জয় (কর্মসংস্থান বিষয়ক উপ- সম্পাদক)।


তবে শেষ পর্যন্ত বরিশাল অঞ্চল থেকে শীর্ষ নেতৃত্বে আসছে কী আসছে না, তা জানার জন্য আগামী সম্মেলনের পর নতুন কমিটি ঘোষণার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।


কেমন নেতৃত্ব চান আলোচিত পদপ্রত্যাশীরা?


ছাত্রলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে কেমন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করেন জানতে চাইলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ বিবার্তাকে বলেন, যারা দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত থেকে নির্ভীক, আপসহীনভাবে সংগঠনের স্বার্থে কাজ করেছেন, অবিচল থেকেছেন, সংগঠনের প্রয়োজনে-বিপদে কখনো পিছপা হননি- এ বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


তিনি আরো বলেন, আমি এই বিষয়গুলো এজন্য বলতে চাই, আমারা নিকট অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইটি তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি। প্রথমত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পরেও, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একচ্ছত্র আধিপত্ত থাকা সত্ত্বেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি হলে ছাত্রলীগের অসংখ্য কর্মী থাকার পরেও আমরা কোটা সংস্কার আন্দোলন সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছি। সেটি নিঃসন্দেহে সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং আমাদের ব্যর্থতা। তাই আমি চাই আগামীতে এমন নেতৃত্ব আসুক যাতে তারা এ ধরণের সংকট মোকাবিলা করতে পারে। সর্বোপরি আমি এমন নেতৃত্ব চাই, যারা সংকট বা আপদকালীন সময়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংগঠনকে গুরুত্ব দিয়ে সাহসী ভূমিকা রাখবে।


ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ আরিফ হোসেন বিবার্তাকে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির ভাগ্য উন্নয়নের জন্য এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই আমি মনে করি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসার জন্য অনেক গুণাগুণ থাকতে হয়। একজন প্রার্থী, যিনি নেতৃত্বে আসবেন তার মাঝে গুণের সমাহার থাকতে হবে। একাধারে তাকে জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হতে হবে, তার সাথে সৎ ও দক্ষ হতে হবে।


তিনি বলেন, যারা বছর বছর ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত ছিল, কিন্তু তারিখ ঘোষণার পরেই নিজেদের জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে। যেইসব সুবিধাবাদীদের সারা বছর খবর থাকে না, তারাও নেতা হতে চায়! ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অনেকে গা ঢাকা দিয়েছিল, এমনকি পদের জন্য ভয়ে সিভিও জমা দেয় নাই। পরবর্তীতে দল আবার ক্ষমতায় এলে তারাই ছাত্রলীগ ছাত্রলীগ করছে। যারা জীবন বাজি রেখে কঠিন সময়েও সংগঠনকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে কাজ করছে, তাদেরকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদেরকে প্রতিহত করা উচিত। দীর্ঘ সময় যারা সংগঠনের সাথে আছে, যারা ত্যাগী ও পরিশ্রমী- তাদের নেতৃত্বে আসা উচিত।


ছাত্রলীগের সম্মেলনের বিষয়ে ভাবনা জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি তিলোত্তমা শিকদার বিবার্তাকে বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলন একটি গতানুগতিক ধারা। এটা করোনা মহামারীর কারণে একটু বিলম্ব হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে আমাদের সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জাতীয় সম্মেলনকে সফল করতে প্রস্তুত আছেন। আর আমাদের ভাবনা হচ্ছে- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু আমাদের সংগঠনের অভিভাবক, সেহেতু আমরা প্রত্যাশা করি আমাদের নেতৃত্বে দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতা আসবে।


তিনি বলেন, আরেকটা বিষয় আমরা সবাই জানি- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বের বুকে স্থাপন করেছেন। শুধু তাই নয়, সমতার সমাজ প্রতিষ্ঠায় তিনি যেভাবে কাজ করছেন তা অতুলনীয়। যেমন- কৃষক লীগসহ বিভিন্ন জায়গায় তিনি যেভাবে নারীর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন- ফলে আমার চাওয়া হচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুধু ছেলে বা মেয়ে হিসেবে নয়, বরং যারা যোগ্য তাদেরকে দিয়ে কমিটি দিবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে সমতা আসুক।


ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আল ইমরান বিবার্তাকে বলেন, নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে যারা মাঠে সক্রিয় থেকে দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগ করেছে, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সরকার পতনের চক্রান্ত ও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনপূর্ব সংকটকালীন সময়ে বিএনপি-জামাতের অগ্নিসন্ত্রাস মোকাবেলা করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। কোটা ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে শিবির-ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং হেফাজত ইসলামের ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলনের মতো উগ্র মৌলবাদের প্রতিবাদে যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে তাদের মধ্যে থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হোক।


তিনি বলেন, যারা সংগঠনের মধ্য থেকেও দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অবস্থান নিয়েছে, মাদকাসক্ত, বিএনপি-জামাতের সাথে পারিবারিক-রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং সংগঠনে অনুপ্রবেশকারীরা যাতে তথ্য গোপন করে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে না আসতে পারে, সে বিষয়ে দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট সবার সজাগ দৃষ্টি কামনা করছি। ৩০তম সম্মেলনে আমাদের প্রত্যাশা প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সাংগঠনিক মেধাসম্পন্ন, অভিজ্ঞ, দক্ষ, সাহসী ও পারিবারিকভাবে যাদের শোণিতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শ বিরাজমান, তাদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।


ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান বিবার্তাকে বলেন, শিক্ষা, শান্তি, প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এ দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এই সংগঠনটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জাতির পিতার নিজ হাতে গড়া এই সংগঠনটি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করতে বদ্ধ পরিকর।


তিনি বলেন, ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নেতা ও কর্মীর মধ্যে দূরত্ব লাঘব করে একটা জবাবদিহিতামূলক সাহসী ও মেধাবী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করি। এক্ষেত্রে অতীতে সংকটময় সময়ে নেতৃত্ব দেওয়া অভিজ্ঞ, সাংগঠনিক দক্ষতাসম্পন্ন নেতা, যারা আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে কি-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে, তাদের নেতৃত্বে আসা উচিত।


ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বিবার্তাকে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের আদর্শের সংগঠন। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের পথ ধরে সংগঠনটি তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষা, শান্তি, প্রগতির পতাকাবাহী এই সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলন গঠনতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূলসহ ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়।


তিনি বলেন, আমি নিজে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্র রাজনীতির সাথে আছি। আর আমার পরিবারও আওয়ামী রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনের মাধ্যমে আমি আশা করি দক্ষ, বিচক্ষণ, পারিবারিক ঐতিহ্য ধারণকারী, পরিশ্রমী ও ত্যাগীদের নেতৃত্বে আসা উচিত।


বিবার্তা/রাসেল/ রোমেল/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com