নদ-নদী রক্ষায় পানি লুণ্ঠন ঠেকাতে হবে: ন্যাপ
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫:৫৮
নদ-নদী রক্ষায় পানি লুণ্ঠন ঠেকাতে হবে: ন্যাপ
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

নদ-নদী রক্ষায় পানি লুণ্ঠন ঠেকাতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।


রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) “বিশ্ব নদী দিবস” উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ মন্তব্য করেন।


তারা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের নদ-নদীগুলোর পানি নিয়ন্ত্রণ ও লুণ্ঠন করছে অন্য দেশ। বাংলাদেশ স্বাধীন, কিন্তু সে তার জীবনীশক্তি পানির লুণ্ঠন ঠেকাতে পারছে না। তাই আমরা মনে করি, বাংলাদেশের নদ-নদী রক্ষায় পানি লুণ্ঠন ঠেকাতে হবে, ঠেকাতে হবে নদী দখল। নদী রক্ষায় প্রয়োজন দেশপ্রেম ও দায়বদ্ধতা।


তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী রক্ষা কমিশন অনেকটা অকার্যকর। বছরে চারবার সভা হওয়ার কথা থাকলেও চার বছরে একটি হয় কি না, সন্দেহ। বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদীগুলোর সমস্যা সমাধানে এই কমিশন ভূমিকা রাখতে পারত। অভিন্ন নদীর স্বার্থ রক্ষায় সরকারকে আরো সচেষ্ট হতে হবে। আমাদের দেশের অনেক নদী দূষিত হচ্ছে। দূষিত নদী পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেন না।


নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোর যতটুকু অস্তিত্ব আছে তাও আজ অসহায়। নদী রক্ষায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। নদী উদ্ধারে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সুপারিশও কাজে আসছে না। দেশের নদ-নদী অব্যাহতভাবে দখল হয়েছে, হচ্ছে। ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-নিরক্ষর, রাজনীতিক-ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি-সাধারণ মানুষসহ সমাজের প্রায় সর্বস্তরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অবৈধভাবে নদী দখলের সঙ্গে যুক্ত। দখলের কারণে অনেক নদী ভরাট হয়েছে, নাব্যতা হারিয়েছে। দখলের পাশাপাশি নদ-নদী ব্যাপকভাবে দূষণের শিকার। দূষণে নদীর পানি ও নদীনির্ভর প্রাণবৈচিত্র নষ্ট হয়েছে। দখল ও দূষণে দেশের অনেক নদী মৃত বা মৃতপ্রায়।


তারা বলেন, মনে রাখতে হবে, নদ-নদী না বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে না। এদেশ সোমালিয়ার মতো দুর্ভিক্ষপীড়িত এবং সন্ত্রাসকবলিত হয়ে পড়বে। তাই যে কোনো মূল্যে আমাদের নদ-নদী রক্ষার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। অতীতে কে ভালো করেছে আর কে খারাপ করেছে তা দেখলে চলবে না। ইতিহাসের মর্মার্থ খুঁজে বের করতে হবে।


বিবার্তা/কিরণ/বিএম

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com