
গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর থেকে শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ইজতেমা ময়দান ঘুরে দেখা গেছে মুসল্লিরা নানা কষ্ট মেনেই আল্লাহকে রাজি-খুশি করানোর জন্য তারা ইজতেমায় এসেছেন।
ইতোমধ্যে ইজতেমা ময়দানে জড়ো হয়েছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কয়েক লাখ মুসল্লি। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে পুরো ইজতেমা ময়দান। ময়দানে জায়গা না পেয়ে অনেকে আশপাশের সড়ক, ফুটপাত ও শৌচাগার ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে দিনভর আকাশ মেঘলা থাকলেও সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত সেভাবে বৃষ্টি হয়নি। কয়েক দফায় সামান্য গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল। তবে মাগরিবের নামাজের পর থেকে বৃষ্টি নামা শুরু হয়েছে। এতে বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন মুসল্লিরা।
বৃহস্পতিবার বাদ ফজর থেকে ইজতেমা ময়দানে দেশি-বিদেশি মুরব্বিরা বয়ান করছেন। মূল ময়দানে কোথাও বসার স্থান নেই। মুসল্লিরা যে যেখানে স্থান পেয়েছেন সেখানে বসেই মনোযোগ দিয়ে ঈমান ও আমলের বয়ান শুনছেন।
শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হচ্ছে। শুক্রবার ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ। রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব। এ পর্বে অংশ নিচ্ছেন মাওলানা জোবায়েরের অনুসারীরা।
এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে আবার শুরু হবে ইজতেমা। ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ২য় পর্ব। ওই পর্বে অংশ নেবেন মাওলানা সাদ-এর অনুসারীরা।
আগে বিশ্ব ইজতেমা হতো একবারই, ৩ দিন। মুসল্লিদের উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় এবং ময়দানে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় সারা দেশের জেলাগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করে ইজতেমা ২ পর্বে করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কয়েকবার সেই নিয়মে ইজতেমা ২ পর্বে হয়েছিল।
তবে তাবলিগ জামাতের অনুসারীদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে ওই পদ্ধতি আর টেকেনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘সরকারি মীমাংসা’ মেনে নিয়ে দুই মুরুব্বির অনুসারীরা ২ পর্বে ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন।
বিবার্তা/এসবি
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]