বাড়ছে ডেঙ্গু, দুই সিটি করপোরেশন কী করছে?
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৫৩
বাড়ছে ডেঙ্গু, দুই সিটি করপোরেশন কী করছে?
এস এম রিয়াদ রহমান
প্রিন্ট অ-অ+

দেশে এডিস মশার প্রজনন ক্রমাগত বেড়েই চলছে। আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণের সংখ্যা, তার সাথে বাড়ছে মৃত্যুও। আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা রাজধানী ঢাকায় বেশি। কোনো ভাবেই তা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।


সিটি করপোরেশন বলছে, আমাদের একার পক্ষে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি নির্মূল করা সম্ভব না। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে। বাড়াতে হবে সম্পৃক্ততা ও জনসচেতনতা।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকদিনের থেমে থেমে হওয়া বৃষ্টি এডিস মশার বংশবিস্তারে প্রভাব ফেলছে। এছাড়াও সাধারণনাগরিকদের অসচেতনতার দায় আছে।


১৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার সারা দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ্ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে ও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন ৩৯৯ জন রোগী। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৮৩ জন। এ বছর ( ১৮ সেপ্টেম্বর ) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৭৭ জন ও মারা গেছে ৪৫ জন।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের ২৮০ জন ঢাকার বাসিন্দা। এছাড়া ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১৯ জন রোগী। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৮১ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন ৩৯৪ জন।


দেশে ২০০০ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গুর বড় ধরনের প্রকোপ দেখা দেয়। মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরের বছরগুলোতে এর প্রকোপ বেশি না হলেও ২০১৯ সালে তা ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ে।


গত পাঁচ বছরের ডেঙ্গু রোগীর পরিসংখ্যান, ২০১৮ থেকে এখন পর্যন্ত গত পাঁচ বছর ধরে ডেঙ্গুর প্রকোপে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। এ পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্তের বছর ছিল ২০১৯ সাল। সেই বছর ১০১,৩৫৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় এবং ১৭৯ জন মারা যায়। বাকি চার বছরের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন ও মারা যায় ১০৫ জন। এ চার বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ছিল ২০১৮ সালে ১০ হাজার ১৪৮ জন ও মারা যায় ২৬ জন। সবচেয়ে কম আক্রান্ত হয়েছিল ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন ও মারা যায় ৭ জন। এ বছর ( ১৮ সেপ্টেম্বর ) পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৭৭ জন ও মারা গেছে ৪৫ জন।



এডিস মশার লার্ভার উৎপত্তি স্থল হলো জমে থাকা পরিষ্কার পানি থেকে। বাসা-বাড়ির ছাদ, ফুলের টপ ও বিভিন্ন পাত্র যেখানে পানি জমে থাকে, সেই স্থানগুলো এডিস মশার বংশবৃদ্ধির উৎসস্থল হয়ে উঠে। প্রতি বছর এডিস মশার বংশবৃদ্ধির উৎসস্থল ধ্বংস করতে দুই সিটি করপোরেশন নানা ধরনের কার্যক্রম চালায়, এখনো অনেক কর্মকান্ড চলমান আছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ নিয়মিত নানা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা। এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলেই আইন অনুযায়ী দেওয়া হচ্ছে মামলা। কিন্তু এডিস মশার বংশবৃদ্ধি কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।



ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের নানামুখী উদ্যোগ নেওয়ার পরও কেন এডিস মশার বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। প্রতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায় জেনেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয় না কেন?ডেঙ্গু মোকাবিলায় কী করছে দুই সিটি করপোরেশন। এসব বিষয় নিয়ে বিবার্তার সাথে কথা হয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল জোবায়দুর রহমান ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুর কবির ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সাথে।


ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ বলেন, আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে। যেখানে ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই ভ্রামমাণ ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে জরিমানা করছে। প্রতিনিয়ত রুটিন করে সকালে স্প্রে আর বিকারে ফগার চালানো হচ্ছে। যেসব স্থান ঝুঁকিপূর্ণ সেসব জায়গায় সনাক্ত করে অভিযান দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও আমরা কিছু ট্যাবলেট ব্যবহার করা শুরু করছি। ট্যাবলেটগুলো পানিতে দিলে সেখানে আর নতুন করে মশার লার্ভা হবে না।


তিনি বলেন, শুধু আমরা কার্যক্রম চালালে বা সচেতন থাকলে তো হবে না। যারা নগরবাসী আছেন তাদেরকেউ সচেতন হতে হবে। বাসা-বাড়ি যদি তারা ঠিকমতন পরিস্কার না রাখে মশা তো হবেই। বাসার ছাদ পরিষ্কার রাখা, গ্যারেজ পরিষ্কার রাখা ও বাসার আশপাশ পরিস্কার রাখা। আমরা তো মানুষের বাসার ছাদ বা গ্যারেজ পরিস্কার করব না। আমরা বাসার সামনে, আশেপাশে পরিষ্কার করব। এখন বাসার ছাদ বা গ্যারেজ থেকে যদি মশার জন্ম হয়, তাহলে তো আমাদের দোষ দিতে পারবেন না। এর দায়ভার হল সাধারণ মানুষের অসচেতনতা। তাই ডেঙ্গু রোধে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে এবং বাড়াতে হবে জনসচেতনতা।



ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন চলতি বছরের মে মাস থেকে নানা ধরনের কার্যক্রম এখনও চলমান আছে। আমার ওয়ার্ডের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে প্রথম এই কার্যক্রম শুরু হয়। সিটি করপোরেশনের কর্মীদের পাশাপাশি আমাদের সেচ্ছাসেবীরা নিরলস ভাবে কাজ করছে।


আসল সমস্যা হলো এলাকার সাধারণ মানুষ অনেক অসচেতন বলে মন্তব্য করেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এখন কারো বাসার ছাদের উপর পানি জমে থাকলে আমরা কি গিয়ে পরিষ্কার করব। তারা জেনেও যদি এসব পরিষ্কার না রাখে তাহলে মশার জন্ম তো বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। আমরা জরিমানা করে আসার পরও যদি সচেতন না হয়, এখন কি করব আপনারা বলেন? আমি নিজে মাইক দিয়ে এলাকায় বিশেষ করে হলগুলোর সামনে গিয়ে সচেতন করে আসি, তারপরও কেউ কথা শুনে না। মানুষের সচেতনতার বিকল্প কোনো পথ নেই।


ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল জোবায়দুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমরা সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বর্তমানে অনেক কাজ চলমান রয়েছে। সকালে প্লাজিসাইট করছি বিকালে ফগিং করছি। খাল ডোবাগুলোতে মাছ ছেড়েছি এডিসের লার্ভা ধ্বংস করার জন্য। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমে বাসা-বাড়ির ছাদ বাগান ও ছাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি, ডেটাবেইজ তৈরি করেছি। কোন ছাদে কি সমস্যা আছে আমরা সেগুলো সনাক্ত করেছি। পরীক্ষামূলকভাবে মসকেটোট্র্যাপ দিয়েছি।


তিনি বলেন, আমরা সবসময় রোড শো করেছি জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য। বর্তমানে এখনো এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা প্রতিদিন দুইটা করে ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে ট্রাকে করে মানুষকে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এই রোড শোর কার্যক্রমের প্রথম দিন মাননীয় মেয়র উপস্থিত ছিলেন। এভাবেই আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।


জোবায়দুর রহমান বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০ টায় মাননীয় মেয়র সকলকে সাথে নিয়ে একটা মিটিং করেছেন। এতে বলা হয়, প্রতি শনিবার সকাল ১০ টায় প্রতিদিন ১০ মিনিট নিজ নিজ বাসা-বাড়ি পরিস্কার করার আহ্বান করা হয়। এছাড়াও মেডিলিস্টে যত টেকনোলজি আছে যেমন ওলবাটিয়া একটি টেকনোলজি আছে, সেটা এডফ করার ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি অস্ট্রেলিয়ার সাথে। এভাবেই কাজগুলো চলমান আছে।


চলতি মাসের ১০ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত উত্তর সিটি করপোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানান জোবায়দুর রহমান। তিনি বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি ও মে মাসে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছিলাম। এক্ষেত্রে ডেঙ্গু কমানোর জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার হলো জনসচেতনতা এবং মানুষের সম্পৃক্ততা। মানুষ যদি তাদের বাসা-বাড়ি পরিষ্কার রাখে এবং জমে থাকা পানি মুক্ত রাখে তাহলে ডেঙ্গু থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।



এ নিয়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুর কবির বলেন, ডেঙ্গু ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মোটেও বাড়ে নাই। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গু পুরো নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা দৈনিক গড়ে ৩০ থেকে ৩৫জন রোগী পাচ্ছি। সারাদেশে ৪৪ জন রোগী মারা গেছে তার মধ্য ২জন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের। আমরা সকল প্রকার কর্মততপরতা চালাচ্ছি। আমরা প্রতিদিন আমাদের সকল ওয়ার্ডে বিশেষ করে যেগুলি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা আমরা যেখানে রোগী পাচ্ছি। সেসব স্থানসহ সকল এলাকায় এডিস মশার যে উৎসস্থান গুলো নির্মূল করছি। এছাড়াও জনগণকে সচেতন করা,ফগিং কার্যক্রমসহ সকল কার্যক্রম চলছে।


দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গু পুরো নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করেন ডা. ফজলে শামসুর কবির। তিনি বলেন, তারপরেও এখানে বিষয় আছে তাহলো জনগণের সচেতনতা জরুরি, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এডিস মশা জন্মায় মানুষের বাড়ির ভেতরে জমে থাকা পরিস্কার পানি থেকে। সিটি করপোরেশনের পক্ষে প্রত্যেক মানুষের বাড়ির ভেতর ঢু্কা সম্ভব না। এখানে মানুষকে সচেতন হতে হবে, নিজের ঘরে কোথাও যাতে পানি জমতে না পারে এই সচেতনতাটা মানুষেকে একটু গ্রো করতে হবে। মানুষ যদি নিজে থেকে সচেতন হয় তাহলে দ্রুত ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকানো সম্ভব।


তিনি বলেন, আবহাওয়া জনিত কারণে হঠাৎ অসময়ে বৃষ্টি । ভাদ্র মাস শেষ হয়ে আশ্বিন মাস চলে আসছে এখনো বৃষ্টি হচ্ছে। এটা একটা অস্বাভাবিক বৃষ্টি, এই কারনে রোগীর সংখ্যা একটু বেড়েছে। আমরা আশা করি এটা দ্রুত কন্ট্রোলের মধ্য চলে আসবে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গু কন্ট্রোলে আছে।


যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ সচেতন না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এটা নিয়ন্ত্রণ হবে না বলে মনে করেন ডা. ফজলে শামসুর কবির। তিনি আরও বলেন, শুধু আমাদের দেশে এই সমস্যা না ২০২২ সালে এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার আর বাংলাদেশে ১০ হাজার। আমরা সিঙ্গাপুরের থেকে অনেক ভালো আছি। মালেসিয়াতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। কাজেই উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে পরিস্থিতি সামাল দিতে। তাই এই বিষয়ে প্রক্যেকটা মানুষকে সচেতন হতে হবে।


ডা. ফজলে শামসুর কবির আরও বলেন, ডেঙ্গু মশা ড্রেনে, ডোবায় জন্মানো মশা না, এটা মানুষের ঘরে জন্মায়। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এর বংশবিস্তার রোধ করতে। আমরা আশা করি এবং বিশ্বাস করি ২০১৯ বা ২০২১ সালের পরিসংখ্যানের সাথে যদি আমরা মিলাই সেই তুলনায় রোগী অনেক কম। গত এক সপ্তাহের অস্বাভাবিক বৃষ্টির কারনে হঠাৎ করে এটা বেড়ে গেছে। এটা পাঁচ-সাত দিন রোদ থাকলেই কন্ট্রোলে চলে আসবে।


বিবার্তা/রিয়াদ/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com