জবির সেরা ৩ গবেষকের মুখোমুখি বিবার্তা
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২২, ১৩:৪৩
জবির সেরা ৩ গবেষকের মুখোমুখি বিবার্তা
আদনান সৌখিন
প্রিন্ট অ-অ+

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গবেষণায় ব্যাপক অবদান রেখে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের সেরাদের তালিকায়। জবির গবেষকদের কেউ পাথরকুচির পাতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন, তো কেউ ক্যান্সার শনাক্তের সহজলভ্য টেস্ট কিট তৈরির চেষ্টা করছেন। এছাড়াও ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহার করে চিকিৎসা খাতেও অবদান রাখার চেষ্টা করছেন এই গবেষকেরা।


সম্প্রতি এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২১-এ দেশ সেরা ১৮৬৮ গবেষকের মধ্যে জবির ৬৩ জন স্থান পেয়েছেন। র‍্যাংকিংয়ে ১২টি ক্যাটাগরিতে বিশ্বের মোট ২০৬টি দেশের গবেষকদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সায়েন্টিফিক ইনডেক্স গবেষকদের গুগল স্কলারের রিসার্চ প্রোফাইলের বিগত পাঁচ বছরের গবেষণার এইচ ইনডেক্স, আইটেন ইনডেক্স এবং সাইটেশন স্কোরের ভিত্তিতে র‍্যাংকিংটি প্রকাশ করেছে।


সম্প্রতি জবির র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ৩ গবেষকের মুখোমুখি হয় বিবার্তা২৪ ডটনেট। কথা হয় তাদের গবেষণার খুটিনাটি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। বিবার্তার পাঠকদের জন্য সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. কামরুল আলম খান। সায়েন্টিফিক ইনডেক্সের র‍্যাঙ্কিংয়ে সারা বাংলাদেশের গবেষকদের মধ্যে ১৭ তম এবং জবিতে প্রথম স্থান লাভ করেছেন তিনি।


বিবার্তা: আপনার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি।


ড. কামরুল আলম খান: আমি মূলত রিনিউয়েবল এনার্জি এবং ন্যানো টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছি। রিনিউয়েবল এনার্জি শক্তির এমন এক অফুরান ভাণ্ডার যার কোনো শেষ নাই। শক্তির জন্য আমাদের যে প্রাকৃতিক ভাণ্ডার রয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে তা এই শতাব্দির মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। আমাদের একটি এনার্জি ক্রাইসিস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটিকে মাথায় রেখেই আমি এটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। রিনিউয়েবল এনার্জি হিসেবে আমাদের সোলার, উইন্ড, বায়োগ্যাস, টাইডাল ইত্যাদি নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। বর্তমান সময় পর্যন্ত এগুলো হচ্ছে শক্তির বিকল্প উৎস।


এছাড়া আমি ন্যানো পার্টিকেলস নিয়ে কাজ করছি। এটি দুইভাবে তৈরি করা যায়, একটি ক্যামিক্যালি আরেকটি বায়ো সিনথেসিস বা গ্রিন সিনথেসিস করে। কিছু সবুজ শাক-সবজি থেকে ন্যানো পার্টিকেলস বের করা যায় এবং সেগুলো দিয়ে পাওয়ার মনিটরিং করছি। সম্প্রতি আমরা পাথরকুচির পাতা থেকে ইলেক্ট্রিসিটি তৈরি করে দেখিয়েছি। আমাদের এসব গবেষণা বিশ্বের বড় বড় পেপার যেমন এলসিভিয়ার (Elsevier), স্প্রিঞ্জারের (Springer) মত সাইন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত হচ্ছে।


বিবার্তা: ন্যানো টেক বা রিনিউয়েবল এনার্জি এখনো আমজনতার কাছে তেমন পরিচিত না বা সহজলভ্য না। এই বিষয়ে আপনার কি ধরনের পরিকল্পনা আছে?


ড. কামরুল আলম খান: হ্যাঁ, এটি সত্য যে এই সেক্টরে সুবিধার সাথে সাথে কিছু অসুবিধাও আছে। যেমন- সোলার এনার্জি রাতে এবং বৃষ্টিতে কাজ করে না, ফলে আমরা সরাসরি ইলেক্ট্রিসিটি পাই না। সোলার এনার্জি ব্যাবহারের সবচেয়ে প্রচলিত মাধ্যম হচ্ছে স্টোরেজ ব্যাটারি ব্যবহার করা। তবে এখনো এটি সবার মধ্যে এতোটা প্রচলিত নয়, তেমন সুলভও নয়। শক্তির সবচেয়ে বড় যোগান আসছে তেল, গ্যাস ও কয়লা থেকে। দেশেট প্রায় ৮৯ শতাংশ বিদ্যুৎ আসছে গ্যাস পুড়িয়ে। এসকল বিষয় মাথায় রেখেই আমরা পাথরকুচি পাতা দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরির চেষ্টা করছি। যেনো এটি সোলার এনার্জির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এটি দিন-রাত, রোদ-বৃষ্টি সবসময় কাজ করবে। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে পারথকুচি পাতার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পায়। পাথরকুচি পাতায় কিছু অর্গানিক এসিড আছে , যার মধ্যে ম্যালিক এসিড অন্যতম। রাতে ম্যালিক এসিডের পরিমাণটা বেড়ে যায়। ফলে রাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে যায়। আশা করছি পাথরকুচি পাতার এই বিদ্যুৎ এক সময় সোলার এনার্জির বিকল্প হিসেবে দাঁড়াবে।


বিবার্তা: আপনার এই গবেষণায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, আপনার সহকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা কি ধরনের সহযোগিতা করছে?


ড. কামরুল আলম খান: এই গবেষণায় জবি প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বা কোনো ফোরামে দেখা হলে সাবেক ও বর্তমান কলিগরা সবাই বেশ উৎসাহ দেন। আর গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্বের মধ্যেই পরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে টিচিং এবং রিসার্চ দুটিই সমানভাবে চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের প্রধান কাজই হলো- creation of knowledge and dissemination of knowledge. আমি সেই কাজটিই নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে চাই।


বিবার্তা: ভবিষ্যতে আপনি নিজেকে আর কি কি গবেষণায় ব্যাস্ত রাখতে চান?


ড. কামরুল আলম খান: আমি রিনিউয়েবল এনার্জি নিয়েই আরো বিস্তারিত কাজ করতে চাই। সামনের দিনে ওয়েব, টাইডাল এবং এর কনভার্টার ডিজাইন নিয়েও কাজ করবো। আমাদের দেশে ৭১০ কিলোমিটার কোস্টাল লাইন আছে। সেই লাইন কাজে লাগিয়ে কিভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সেটা নিয়েও কাজ করার ইচ্ছা আছে। এটা সম্ভব হলে কোস্টাল এলাকার মানুষজন সহজে ও সুলভে বিদ্যুৎ সেবা পাবে। এখনো ন্যানো টেক বা রিনিউয়েবল এনার্জির ব্যাপক উন্নতি হয়নি। মূল কারণ হচ্ছে এর ব্যাপক ব্যবহার এখনো শুরু হয়নি। তবে আমার বিশ্বাস আজ থেকে ১০০ বছর পরে হলেও মানুষ পাথরকুচি পাতা থেকে নিজের বিদ্যুৎ নিজে তৈরি করে নিবে।



ইনডেক্স অনুসারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ জে সালেহ আহমেদ।


বিবার্তা: ঠিক কোন বিষয়ে গবেষণা করার জন্য আপনি জবির শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন?


ড. এ জে সালেহ আহাম্মদ: আমি প্রধানত ইলেক্ট্রোক্যামিক্যাল সেন্সর এবং ইলেক্ট্রোক্যামিক্যাল সুপার ক্যাপাসিটর নিয়ে কাজ করছি। তবে সম্প্রতি ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল জল বিভাজন (Electrochemical water splitting) নিয়েও কাজ করছি। আমার গবেষণা মুলত দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রথমত নতুন ম্যাটেরিয়াল তৈরি করা; দ্বিতীয়ত
তৈরিকৃত ম্যাটেরিয়াল সেন্সর, সুপার ক্যাপাসিটর ও জল বিভাজনে ব্যবহার করা। প্রথম কাজটির কিছু অংশ আমার এখানে করতে পারলেও বেশিরভাগই করতে হয় কোলাবোরেশানের মাধ্যমে। কারন কাজটি কারার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। এক্ষেত্রে আমার প্রধান কোলাবরেটর ড. আব্দুল আজিজ (সিনিয়র রিসার্চ সায়েন্টিস্ট, কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম এন্ড মিনারেলস) আমাকে সহায়তা করে যাচ্ছে। আমার গবেষণার দ্বিতীয় অংশটি সম্পুর্নরূপে আমার নিজস্ব ল্যাবে করতে পারছি। এক্ষেত্রে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি TWAS (The World Academy of Sciences) এর প্রতি। আমি দুই বার TWAS রিসার্চ গ্রান্ট পাই এবং রিসার্চ গ্রান্টের অর্থ দিয়ে দ্বিতীয় অংশের কাজ করার মুল যন্ত্রটি ক্রয় করি। বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত রিসার্চ ফান্ডও আমার গবেষণা কর্ম চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে। আমার গবেষণার মুল হাতিয়ার হচ্ছে আমার মেধাবী ছাত্র -ছাত্রীরা। আমার মাস্টার্স থিসিস স্টুডেন্টসরা অসম্ভব ভালো কাজ করছে। এই কাজগুলো আমরা প্রকাশ করছি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জার্নালে। প্রতি বছর প্রচুর সাইটেশনও পাচ্ছি। যার ফলে আমি জবির শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় স্থান করে নিতে পেরেছি।


বিবার্তা: আপনার এই গবেষণা সাধারন মানুষের কি ধরনের উপকারে আসবে বলে আপনি মনে করেন?


ড. এ জে সালেহ আহাম্মদ: আমি যদি খুব সহজ ভাষায় বলি, ডায়াবেটিস রোগীদের গ্লুকোজ লেভেল জানার জন্য একধরণের স্ট্রিপ পাওয়া যায়। এই স্ট্রিপ হলো এক ধরনের ইলেক্ট্রোক্যামিক্যাল সেন্সর। খুব সহজেই আমরা এগুলো বাজার থেকে কিনে আনি এবং নিজেই পরিক্ষা করতে পারি। বর্তমানে গ্লুকোজ মাপার স্ট্রিপ সহজে পাওয়া গেলেও অন্যান্য স্ট্রিপ (যেমন ক্যান্সার, কোলেস্টেরল, ডোপামিন ইত্যাদি) সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার গবেষণার উদ্দেশ্য হচ্ছে অন্যান্য স্ট্রিপও যাতে সহজে পাওয়া যায় এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়। সাসটেইনেবল এনার্জি সংরক্ষণের জন্য সুপার ক্যাপাসিটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু কিছু সমস্যার কারণে বাজারে সুপার ক্যাপাসিটরের ব্যবহার ব্যাটারির মতো হচ্ছে না। আমাদের গবেষণার উদ্দেশ্য হচ্ছে বর্তমান সমস্যা সমাধান করা এবং সুপার ক্যাপাসিটরের বহুল ব্যবহার নিসচিত করা। পানি বিভাজন (Water splitting) হতে পারে গ্রিন এনার্জির একটি বড় সোর্স। এর উপর আমাদের গবেষণা ভবিষ্যত গ্রিন এনার্জি উৎপাদনে বড় ভুমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।


বিবার্তা: আপনার সামগ্রিক গবেষণাকর্মে আপনি কি ধরনের সাহায্য সহযোগীতা পেয়েছেন?


ড. এ জে সালেহ আহাম্মদ: আমার সামগ্রিক গবেষণাকর্মে আমি বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগীতা পেয়েছি। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সহযোগীতা পেয়েছি TWAS থেকে (আমি আগেই বলেছি)। এছাড়া সহযোগিতা পাচ্ছি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ ফান্ড থেকে। কয়েক বছর আগে আমাদের বিভাগের হেকেপ প্রাপ্তিও আমার গবেষণা কর্মের একটি বড় সহায়ক। এছাড়া আমাদের সহকর্মীদের পারস্পরিক আন্তরিক সহযোগিতাও উল্লেখ করার মতো। ভালো গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি রিসার্চ সেন্টার থাকা জরুরী। আমাদের বর্তমান ভিসি বিষয়ে কাজ করছেন। এই বাস্তবায়ন হলে আমাদের গবেষণার আরও অনেক উন্নতি হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।


বিবার্তা: আপনার সামনের গবেষণা পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাচ্ছি।


ড. এ জে সালেহ আহাম্মদ: আমি মুলত ইলেক্ট্রোক্যামিস্ট্রির উপর গবেষণা করছি। এটি গবেষণার একটি বড় শাখা। এই মুহুর্তে আমি তিনটি শাখার উপর কাজ করছি। ভবিষ্যতে আমি অন্যান্য শাখায় কাজ করতে চাই। এগুলোর মধ্যে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি, সোডিয়াম আয়ন ব্যাটারি, ইলেক্ট্রোক্যামিকাল সোলার সেল উল্লেখযোগ্য।



র‍্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।


বিবার্তা: কি বিষয়ে গবেষণা করে আপনি জবির গবেষকদের মধ্যে তৃতীয় স্থান লাভ করেছেন?


ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন: আমি মূলত অ্যানালিটিক্যাল রসায়ন নিয়ে কাজ করছি। তবে ন্যানো পার্টিকেলস নিয়েও আমি গবেষণা চালাচ্ছি। বর্তমান সময়ে ন্যানো টেক ব্যবহার করে সারা বিশ্ব ফার্মাসিউটিক্যাল থেকে শুরু করে বিজ্ঞানের প্রায় সকল শাখায় অভাবনীয় উন্নয়ন সাধন করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের জন্য কিছু করতেই আমার এই প্রয়াস। আমার বেশ কিছু গবেষণাপত্র বিখ্যাত বিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রের সাইটেশন যতো বেশি হয়, গবেষকের র‍্যাঙ্কিং ততো আপগ্রেড হয়।


বিবার্তা: আপনার এই গবেষণা চিকিৎসা বিজ্ঞানে কি ধরনের অবদান রাখবে?


ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন: আমাদের ফার্মেসী সেক্টরটি টিকে আছে অনেকাংশে ন্যানো ম্যাটেরিয়ালসের উপর। এমনকি চিকিৎসা বিজ্ঞানও এতো দ্রুত উন্নতি লাভ করছে এই ন্যানো টেকের উপর ভিত্তি করে। ন্যানো স্কেলে চিকিৎসা বিজ্ঞানকে কিভাবে আরো বেশি নিখুত করা যায়, আমি সেই চেষ্টাই করছি। চিকিৎসা বিজ্ঞানে উন্নয়ন হলে সেটা সমগ্র মানবজাতির জন্যই উপকারে আসবে।


বিবার্তা: গবেষণার ক্ষেত্রে কি ধরনের অসুবিধার সম্মুখিন হচ্ছেন? বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমন সহযোগিতা পাচ্ছেন?


ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন: গবেষণা কাজে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৈতিক সাপোর্ট পাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু গবেষণার জন্য যে ধরনের ইকুইপমেন্ট দরকার হয়, সেগুলো কিছুটা সঙ্কট রয়েছে। অনেক মূল্যবান ইকুইপমেন্ট দরকার হয় এই মানের গবেষণার জন্য। তবে আমাদের ফান্ড নিয়ে সমস্যা হচ্ছে না। সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা যথেষ্ট সহযোগিতা পাচ্ছি।


বিবার্তা: আগামী দিনে কি ধরনের গবেষণায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন?


ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন: সামনের দিনগুলোতে আমি গবেষণার মান আরো উন্নয়ন করবো। ইচ্ছা আছে আরো বড় পরিসরে গবেষণা করার।


বিবার্তা/আদনান/রোমেল/আশিক

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com