পরান কেন এ যুগের শ্রেষ্ঠ বাণিজ্যিক সিনেমা
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২২, ২২:০০
পরান কেন এ যুগের শ্রেষ্ঠ বাণিজ্যিক সিনেমা
শহিদুল সুমন
প্রিন্ট অ-অ+

উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের শুরুতে ভারতীয় উপমহাদেশে চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে বায়োস্কোপ নামে পরিচিত থাকলেও পরবর্তীতে ফিল্ম, সিনেমা, মুভি, চলচ্চিত্র, ছায়া ছবি, কন্টেন্ট, ডিজিটাল কন্টেন্ট, বাংলা সিনেমা ইত্যাদি বিভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করে। প্রথমে নির্বাক এবং পরবর্তীতে সবাক সিনেমা নির্মিত হয়। মুখ ও মুখোশ বাংলাদেশে প্রথম নির্মিত সবাক পূর্ণদৈঘ্য চলচ্চিত্র। আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত পূর্নিমা সেন ও সাইফুদ্দিন অভিনীত মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রটি ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পায়।


১৯৫৫ সালে নাজীর আহমদের উদ্যোগে ঢাকায় প্রথম ফিল্ম ল্যাবরেটরি এবং স্টুডিও চালু হয়। তিনি পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার প্রথম নির্বাহী পরিচালক। নতুন দিগন্ত নামে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বেশ কিছু চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন নাজীর আহমদ। ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান (বঙ্গবন্ধু, জাতির জনক স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি) উত্থাপিত বিলের মাধ্যমে পূর্বপাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (ইপিএফডিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।


১৯৫৯ সালে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝির উপন্যাস অবলম্বনে পাকিস্তানি চলচ্চিত্র 'জাগো হুয়া সাভেরা' নির্মিত হয়। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়েই ফতেহ লোহানী, এহতেশাম, জহির রায়হান, খান আতাউর রহমান উনারা বিখ্যাত পরিচালক ছিলেন। রহমান, আজিম, সুভাষ দত্ত, গোলাম মোস্তফা, শবনম, আনোয়ার হোসেন, খান আতাউর রহমান, সুমিতা দেবি, রোজী সামাদ, রাজ্জাক, আমজাদ হোসেন, সূচন্দ, কবরী সারোয়ার প্রমুখ স্বাধীনতা উত্তরকালেই বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে জায়গা করে নেন।


স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আমরা আলমগীর কবির, জহিরুল হক, সুভাষ দত্ত, আলমগীর কুমকুম, আমজাদ হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, চাষী নজরুল ইসলামেরমতোবিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালকদের দেখতে পাই। এ সময়ের শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলো হল ধীরে বহে গঙ্গা, রংবাজ, তিতাস একটি নদীর নাম, সুজন সখী, সারেং বউ, সূর্য দীঘল বাড়ী, জন্ম থেকে জলছি, বিরাজ বৌ, মহা নায়ক, নাচের পুতুলসহ আরোবেশ কিছু সিনেমা। এই সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রে বেশ কয়েকজন গুনী ও বিখ্যাত অভিনেতা-অভিনেত্রীর অবির্ভাব হয়। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বুলবুল আহমেদ, ববিতা, ফারুক, সুজাতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, আলমগীর, রওশন জামিল, এটিএম শামসুজ্জামান, প্রবীর মিত্র, রোজিনা,সুচরিতা, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাফর ইকবাল, জসিম প্রমুখ।



বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে উনারা প্রত্যেকেই কিংবদন্তি তুল্য অভিনেতা-অভিনেত্রী।



পরবর্তীতে আশির দশকে কাজী হায়াৎকে একজন শক্তিমান পরিচালক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কাজী হায়াৎ দাঙ্গা, ত্রাস, চাঁদাবাজ, আম্মাজান, ইতিহাসের মতোঅসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা পরিচালনা করেন। কাজী হায়াৎ-এর হাত ধরেই বাংলা চলচ্চিত্র দেখা পায় আরেক সফল জনপ্রিয় নায়ক মান্না। কাশেম মালার প্রেম ছবি দিয়ে মান্নার একক নায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু হলেও কাজী হায়াৎ এর দাঙ্গা ও ত্রাস সিনেমার মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা পান মান্না। আশির দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে মুক্তি পায় অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা।


তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হল ছুটির ঘন্টা, ঘুড্ডি, আলিফ লায়লা, জন্ম থেকে জ্বলছি, জীবন নৌকা,দেবদাস, ভাত দে, দহন, রামের সুমতি, মিস ব্যাংকক, চাপা ডাঙার বউ, মহুয়া সুন্দরী, বেদের মেয়ে জোছনা, নবাব সিরাজুদ্দৌলা ইত্যাদি। আশির দশকে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবে যাত্রা শুরু করেন মালেক আফসারি, শহীদুল ইসলাম খোকন, ছকটু আহমেদ, দেলোয়ার জাহান জন্টু, গাজী মাজারুল আনোয়ার ,আজিজুর রহমান, সোহেল রানাসহ বহু বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক।


এ সময়ে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে হুমায়ূন ফরিদী সোহেল রানা, অসীম, অঞ্জু ঘোষ, নূতন,রোজিনা, সুবর্ণামোস্তফা, রাইসুল ইসলাম আসাদ, টেলিসামাদ এদের মতোবিখ্যাত অভিনয় শিল্পীদের। নব্বইয়ের দশকের কিছু জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা হল মরণের পরে, গরীবের বউ,কাশেম মালার প্রেম, শঙ্খনীল কারাগার, ত্রাস, ত্যাগ, পদ্মা নদীর মাঝি, কেয়ামত থেকে কেয়ামত, চাঁদাবাজ, সুজন সখী, আগুনের পরশমনি, মুক্তির গান, স্বপ্নের ঠিকানা, দীপু নাম্বার টু, পোকা মাকড়ের ঘর বসতি, সত্যের মৃত্যু নেই, বাবা কেন চাকর, হঠাৎ বৃষ্টি, শ্রাবণমেঘের দিন, আম্মাজা, ম্যাডাম ফুলি।


নব্বইয়ের দশকে বেশ কিছু প্রতিভাবান পরিচালক চলচ্চিত্রে নাম লেখান। তাদের মধ্যে অন্যতম হল হুমায়ূন আহমেদ, তানভীর মোকাম্মেল, মমতাজুর রহমান আকবর,সোহানুর রহমান সোহান, মোরশেদুল ইসলাম, তারেক মাসুদ। এই সময়ে চলচ্চিত্র অভিনয় শিল্পী হিসাবে আমরা যাদের পাই তারা হলেন, শাবানা, অরুনা বিশ্বাস, নাঈম,শাবনাজ, চম্পা, দিতি, মৌসুমী, আমিন খান। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নায়ক সালমান শাহ আগমন ঘটে। তুমল জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ অসংখ্য দর্শক নন্দিত সিনেমা উপহার দেন। ২০০০ সালের পরপরই বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনয় শিল্লী হিসাবে রিয়াজ, শাবনূর,শাকিল খান,পপি, পূর্নিমা, শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, আগমন ঘটে।


২০০০ সালের পর সংখ্যায় অধিক হারে ছবি মুক্তি পেত।



প্রতি বছর প্রায় ৮০/৯০ টি চলচিত্র মুক্তি পেত। একই সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রে কয়েকজন তরুন মেধাবী চলচ্চিত্র পরিচাকের অবির্ভাব হয়। তারা হলেন মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, গিয়াসউদ্দিন সেলিম, তৌকির আহমেদ।



মূলত ২০০০ সালের পর থেকেই বাংলা সিনেমা ২টি ধারায় বিভক্ত হতে থাকে। একদিকে এফডিসিকেন্দ্রিক পরিচালিত সিনেমা যা পরবর্তীতে বাণিজ্যিক বাংলা সিনেমা হিসেবে পরিচিত লাভ করে। অন্য অংশটি অফট্র্যাক, আর্ট ফিল্ম, টেলিফিল্ম বা জীবনমুখীসিনেমা হিসেবে পরিচিতিলাভ করে।


মূলত ২০১০ সালের পর থেকে বাংলা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে অশ্লীলতার অভিযোগ উঠতে থাকে। পাশাপাশি সিনেমা হলের পরিবেশে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। তখন থেকে সিনেমা হলের পরিবেশ খারাপের দিকে যেতে থাকে। ইতোমধ্যে ২০০৫ সালে ইউটিউব এবং ২০০৮ সালে ফেইসবুক বাংলাদেশে চালু হয়। মানুষ বিকল্প মাধ্যমে সিনেমা ও অনান্য কন্টেন্ট দেখা শুরু করে। যার ধাক্কা ধীরে ধীরে বাংলা বাণিজ্যিক সিনেমায় পরতে শুরু করে তবে খুবই সামান্য। ইতোমধ্যে ২০০৪ সালে দেশে বসুন্ধরা সিটিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ডিজিটাল সিনেমা হল স্টার সিনেপ্লেক্সের যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু ভাল মানের বাণিজ্যিক সিনেমার অভাব এবং দর্শক শূন্যতার কারণেদেশের সিঙ্গেল স্কিন সিনেমা হলগুলো বন্ধ হতে শুরু করে।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজের শিক্ষার্থীদের সিনেমা দেখার প্রিয় জায়গা নিউমার্কেটের অপজিটে অবস্থিত বলাকা সিনেমা হলও অতি সম্প্রতি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু উল্টো ধীরে ধীরে দেশে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা বাড়তে থাকে। সীমান্ত স্কয়ার এবং মিরপুরে সনি সিনেমা হলে সিনেপ্লেক্স চালু হয়েছে। গতানুগতিক বাংলা সিনেমা বা বাণিজ্যিক বাংলা সিনেমার দর্শক কমলেও অফট্রাক বা আর্ট ফিল্মগুলো দর্শকরা ঠিকই হলে গিয়ে সিনেমা দেখছে। মানুষ সব সময় ভালোগল্প বা ভালোসিনেমা পেলে হলে গিয়ে ঠিকই ছবি দেখে।


যেমন মানুষ গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত মনপুরা, স্বপ্নজাল, পাপপুণ্য হলে গিয়ে দেখেছে। মোস্তাফা সারোয়ার ফারুকীর ব্যাচেলার, টেলিভিশন, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার, ডুবের মত সিনেমা হলে গিয়ে দেখেছে। তৌকির আহমেদ পরিচালিত জয়যাত্রা, অজ্ঞাতনামা, দ্বারুচিনি দ্বীপ, ফাগুন হাওয়া মত সিমেমা দর্শক প্রিয়তা পেয়েছে। পাশাপাশি অমিতাভ রেজার সিনেমা আয়নাবাজি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অতি সম্প্রতি আবদুল্লা মোহাম্মদ সাদ এর রেহেনা মরিয়ম নূর দেশে-বিদেশে প্রসংশিত হয়েছে।


মাঝখানে নায়ক সাকিব খানের কিছু বাণিজ্যিক ছবি জনপ্রিয়তা পেলেও গত দুই যুগ ধরে বাণিজ্যিক বা এফডিসি কেন্দ্রিক সিনেমাগুলোনিয়মিত দর্শক হারিয়েছে । এর মাঝে ২০১৯ সালে করোনা মহামারী শুরু হলে বিশ্বব্যাপী নানান ধরেন সংকট দেখা দেয়। করোনার প্রভাবেও দেশের অনেক সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এই করোনাকালে সমগ্র পৃথিবীতেই সিনেমা, ওয়েব সিরিজ বা কন্টেন্ট দেখার বিকল্প মাধ্যম হিসেবে ওটিটি প্লাটফর্ম নেটফ্লিক্স এবং আমাজন প্রাইম জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাংলাদেশের দর্শকদের মাঝেও এই প্লাটফর্মগুলো জনপ্রিয়তা পায়। যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থ প্রদান করে মানুষ ঘরে বসেই তার পছন্দ মত কন্টেন্ট বা ভিডিও দেখতে পারে।


নেটফ্লিক্স বা আমাজনের আইডিয়া নিয়ে বাংলাদেশেও বেশ কিছু ওটিটি প্লাটফর্মের উদ্বোধন হয়। যার মধ্যে সিনেমেটিক, বয়োস্কোপ, চরকি, বঙ্গ,টফি, বিঞ্জ অন্যতম। পাশাপাশি হইচই, জিফাইভ মত ভারতীয় বেশ কিছু ওটিটি প্লাটফর্মও বাংলাদেশের বাজার দখল করেছে। শুধু বাংলাদেশেই না সমগ্র পৃথিবীতেই ওটিটি প্লাটফর্মকে বর্তমানে সিনেমা হলের বিকল্প বা প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয়। সিনেমা হলগুলোতে শুধু সিনেমা দেখানো হয় অপরদিকে ওটিটি প্লাটফর্মে সিনেমা, নাটক, ওয়েবসিরিজ, প্রতিবেদনসহ নানান ধরনের ভিডিও দেখানো হয়।


এবার বলছি পরান কেন এ যুগের শ্রেষ্ঠ বাণিজ্যিক সিনেমা। অফট্রাক বা আর্ট ফিল্মের বাহিরে পরান হল একটি কমার্সিয়াল বাংলা সিনেমা যা সিনেমা হলে দর্শক নিতে পেরেছে। সমগ্র বাংলাদেশ করোনা মহামারিকালে সিনেমা হলগুলো যখন মৃতপ্রায় তখন পরান সিনেমা দেশের হলগুলোকে পুনর্জীবন দান করেছে। হল মালিকগণআশার বীজ বুনছে। বহির্বিশ্বের মতোবাংলাদেশে নেটফ্লিক্স, আমাজন ও দেশীয় ওটিটি প্লাটফর্মের তুমুল জনপ্রিয়তার মাঝেও পরান বিপুল পরিমাণেদর্শক পেয়েছে। সুস্থধারার বাণিজ্যিক সিনেমা দিয়েও যে দর্শক হলে নেওয়া যায় পরান তা প্রমাণকরেছে। শাকিব খানের পর কর্মাসিয়াল বাংলা সিনেমা যখন নায়ক শূন্যতায় ভুগছে পরান তখন শরিফুল রাজের মত সম্ভাবনাময় নায়ক উপহার দিয়েছে। শুধু একটি মাত্র উদাহরণ দিচ্ছি ভারতীয় সুপারস্টার প্রিয়াংকা চোপড়া বারফি সিনেমায় যেমন অটিস্টিক মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করে পরবর্তীতে সাত খুন মাফ ছবিতে সিরিয়াল কিলার আবার ফ্যাশনের মতোছবিতে ফ্যাশন আইকনের চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে ভাঙাগড়ার সুযোগ পেয়ে নতুন রূপেঅবির্ভাব হয় তেমনি বিদ্যা সিনহা মীমও পরান সিনেমা দিয়ে নিজেকে একজন দক্ষ অভিনয় শিল্পী হিসাবে প্রমাণের সুযোগ পেয়েছে।


বৈশ্বিক মন্দা ওবিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা মাঝেও পরান সামান্য পরিমাণেহলেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আর বেশকিছু দেশ পরান সিনেমা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আশা করা যাচ্ছে বাংলাদেশী সিনেমা হিসাবে পরান সর্বাধিক দেশে প্রচারিত হওয়ার রেকর্ড অর্জন করবে। পরান সিনেমা দেখিয়েছে ভালোগল্প হলে বাংলা সিনেমাও একটি রপ্তানি পূন্য হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারে। পরান সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক রায়হান রাফি গণমানুষের কাছে পৌঁছেছে। রাহয়ান রাফির সবচেয়ে বড় গুণহল আমাদের সমাজ থেকেই তিনি গল্প নির্বাচন করে। আমাদের যাপিত জীবনের গল্প বলেন।


পরান হাত ধরেই বাংলা সিনেমার সুদিন ফিরে আসুক সেই প্রত্যাশা করছি।


লেখক: শহিদুল সুমন, সহকারী পরিচালক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।


বিবার্তা/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com