কুয়াকাটায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ভোগান্তি
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০১৮, ১৭:৫৮
কুয়াকাটায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ভোগান্তি
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

পটর্যন কেন্দ্র কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের গন্তব্যে ফিরতে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। সড়ক ও নৌ-পথে যানবাহনে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুন বা তার চেয়েও বেশি ভাড়া। একই অবস্থা ঘর থেকে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদেরও।


ঈদের ৫ দিন আগে থেকে শুরু হওয়া এ নৈরাজ্য চলছে ঈদ পরবর্তী ৮ দিন পর্যন্ত। শনিবার ও তার আগেরদিন শুক্রবার কুয়াকাটা সৈকতে অন্ততঃ ২০ জন পর্যটক পরিবহনে টিটিক বুকিংয়ের সময় কাউন্টার ইনচার্জদের সাথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়।


এমন চিত্র প্রতিবেদকের নজরে আসলে সরেজমিন তদন্তে বেরিয়ে আসে আরো অসংখ্য ঘটনা। পর্যটকরা ন্যায্যমূল্যে টিকিট পেতে ঘুরতে থাকে এক কাউন্টার থেকে অন্য কাউন্টারে। অসাধু ব্যবসায়ীরা টিকেটের কৃত্রিম সংকট তৈরী করায় বাড়তি মূল্যের চেয়ে আরো একধাপ বাড়তি মূল্যে মিলছে টিকিট।


জানা গেছে, এক শ্রেণির বাস মালিক-পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়ন ও কাউন্টার ইনচার্জরা সিন্ডিকেট করে কুয়াকাটা আগত পর্যটকদের জিম্মি করে ৪০০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা আদায় করছে। জোড়াতালি দিয়ে নতুন করে একই ব্যানারে নামিয়েছে অসংখ্য নিম্নমানের বাস।


কলাপাড়া, কুয়াকাটা ,আলীপুর ও মহিপুরে প্রায় ৫০টি বাস কাউন্টারে একই চিত্র। তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহ জুড়ে এমন দ্বিগুন ভাড়া আদায় করবে তারা। বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে কুয়াকাটা এক্সপ্রেসের কাউন্টার ইনচার্জ ইব্রাহীম যৌক্তিকতা তুলে ধরেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পরিবহনগুলো খাঁলি এসে কুয়াকাটা থেকে যাত্রী নিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ক্ষতি পোষাতে বাড়তি ভাড়া আদায় করতে হচ্ছে। এদিকে একটি বিলাস বহুল (এসি বাস) গাড়িগুলোও ৮০০ টাকার ভাড়া ১ হাজার টাকা করে আদায় করছে।


কুয়াকাটায় আসা প্রতিটি পর্যটকের আসা-যাওয়াসহ ঘরে ফেরা যাত্রীদের কর্মস্থলে ফিরতে বাড়তি ভাড়া গুনতে হলেও স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় থেকে আসা পর্যটকসহ কর্মজীবী মানুষ।


এ বিষয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ (চলতি) পরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, এসব বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের দফতরে ঈদের আগে মিটিং হয়েছে। বাস-নৌযান মালিক সমিতি নেতাদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।


যাত্রীবাহী পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই দাবি করে মহিপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এমন কোনো অভিযোগ তিনি পাননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


এ বিষয়ে খোঁজখবর নেবেন বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান।


বিবার্তা/উত্তম/সোহান

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com