টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত আছে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায়। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রা কমেছে অন্তত ১ ডিগ্রি। কনকনে শীত ও উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬ টায় চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
আর সকাল ৯ টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। যা চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। যদি তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে তাকে বলা হয় খুব তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। সে হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টায় ও ৯টায় এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যথাক্রমে ১০ ডিগ্রি ও ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ ও ৮৮ শতাংশ।
আবহাওয়া অফিস বলছে, গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশার সাথে চুয়াডাঙ্গায় শীত পড়তে শুরু করেছে। শুক্রবারের তুলনায় শনিবার দিনের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমেছে।
এদিকে শনিবার সকালেও তীব্র শীত ও কনকনে উপেক্ষা করে বাইরে বেরিয়েছেন দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ। তবে এই ঠাণ্ডার কারণে কাঙ্ক্ষিত কাজ পাচ্ছেন না তারা।খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন অনেকেই।
বিবার্তা/আসিম/মাসুম
সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি
এফ হক টাওয়ার (লেভেল-৮)
১০৭, বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, ঢাকা- ১২০৫
ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫
Email: [email protected] , [email protected]