১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে অনন্য দিন
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস: বাঙালি জাতিসত্তার পরিচায়ক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২২, ০০:০৫
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস: বাঙালি জাতিসত্তার পরিচায়ক
উজ্জ্বল এ. গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আজকের এই দিন অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। মুজিবনগর সরকারের সফল নেতৃত্বে নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।


ওই দিন শপথ গ্রহণ করেন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা, পাঠ করা হয় বাংলাদেশ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। শপথ গ্রহণ এবং ঘোষণাপত্র পাঠের পর প্রধানমন্ত্রী তাজুদ্দিন আহমেদ একটি বিবৃতি পাঠ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ হয় মুজিবনগর।


১৯৭১ সালের এই সরকারের নেতৃত্বেই নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন হলেও ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিভাবে শপথ নেন তারা। ওই দিন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের সময় জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' গানটি পরিবেশন করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠনের কথা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন এবং অনুষ্ঠানে এঁদের পরিচয় করিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদসহ মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যরা। ওই দিন ১২ জন আনসার সদস্য ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।



১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্ররূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়। সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এএইচএম কামরুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী নিযুক্ত হন। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।




সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বেতারে ভাষণ দেন, যা আকাশবাণী থেকে একাধিকবার প্রচারিত হয়। এ ভাষণের মধ্য দিয়েই দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইনানুগ সরকার গঠিত হয়েছে। আর ১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরদিন দেশ-বিদেশের পত্রপত্রিকায় শপথ গ্রহণের সংবাদ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়।


এই অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং এর মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। ২৬ শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণাকে এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি হিসাবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এই সময় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি থাকার কারণে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়।


যে কারণে বেছে নেয়া হয় মুজিবনগরকে


কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের মুজিবনগরে অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের শপথ নেওয়ার কথা ছিল না। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ভারতের আগর তলায় এক সভায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্ত কুষ্টিয়া জেলার মহকুমা চুয়াডাঙ্গাকে বেছে নেওয়া হয়। ১৪ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণের তারিখ চূড়ান্ত হয়। কিন্তু শপথ গ্রহণের তারিখ সে সময় আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে প্রচার হলে বিদেশি সাংবাদিকসহ পাকহানাদার বাহিনী ঘটনা জেনে ফেলে। চুয়াডাঙ্গার ওপর পাকবাহিনী আক্রোশে ফেটে পরে। ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়ে পাকহানাদার বাহিনী চুয়াডাঙ্গা দখল করে নেয়।


হার্ডিঞ্জ সেতু উড়িয়ে দেওয়ার জন্য গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। চুয়াডাঙ্গা দখল ও পাকহানাদার বাহিনীর দ্বারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আক্রান্ত হলে শপথ অনুষ্ঠানের সময় ও জায়গা পাল্টে যায়। পরে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য ভারত সীমান্তবর্তী বৈদনাথ তলা বা মুজিবনগরকে বেছে নেওয়া হয়।



যেভাবে আম্রকানন থেকে মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স



আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম স্মরণীয় স্থান মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে তথা মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স। স্থানীয় কাউকে এলাকার নাম বৈদ্যনাথ তলা বা আম্রকানন বললে মানতে নারাজ। সবার এককথা এ হল মুজিবনগর। কেউ আম্রকানন বলেন আবার কেউ বলেন আম বাগান। এমন চমৎকার আম বাগানটির মালিক ছিলেন কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের ভবের পাড়ার জমিদার বৈদ্যনাথ বাবু। বৈদ্যনাথ বাবুর নামানুসারেই দিনে দিনে জায়গাটির নাম হয়ে ওঠে বৈদ্যনাথ তলা।



আমবাগান বা বৈদ্যনাথতলাতে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করেন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা, পাঠ করা হয় বাংলাদেশ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। শপথ গ্রহণ এবং ঘোষণাপত্র পাঠের পর প্রধানমন্ত্রী তাজুদ্দিন আহমেদ একটি বিবৃতি পাঠ করেন এবং বৈদ্যনাথ তলার নাম রাখেন মুজিবনগর।


সেই থেকে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার নাম হয় মুজিবনগর। সেদিন মুজিবনগরকে অস্থায়ী ভাবে বাংলাদেশের রাজধানী ঘোষণা করা হয়। দেশ স্বাধীন হলে বঙ্গবন্ধু জায়গাটি সঠিকভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশনার পর মুজিবনগর সরকারকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসের দিন মুজিবনগর স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।


মূলত, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মূল কাজ শুরু হয় ১৯৮৭ সালে। মুজিব নগরকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে ২৩ স্তরের স্মৃতিসৌধের নকশা এবং গড়ে তোলেন স্থপতি তানভীর করিম। মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন হয় তারই হাতে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা সরকার প্রধান হলে মুজিবনগর কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজে হাত দেন।


এক নজরে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স


প্রায় ৮০ একর জায়গার উপর দাঁড়িয়ে আছে মুজিবনগর কমপ্লেক্স। আম্রকাননের জায়গার পরিমাণ প্রায় ৪০ একরের মতো। এখানে আমগাছ রয়েছে ১৩শ’টি। তিনটি ধাপে ছয় স্তরবিশিষ্ট দুইটি গোলাপ বাগান, যা ৬ দফা আন্দোলনের রূপক।


এখানে আছে বঙ্গবন্ধু তোরণ, অডিটোরিয়াম, শেখ হাসিনা মঞ্চ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কেন্দ্র, মসজিদ, হেলিপ্যাড, ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণ দেয়ালের সঙ্গে উদিয়মান সূর্যের প্রতিকৃতিকে প্রতীক করে মুজিব নগর স্মৃতিসৌধ, প্রশাসনিক ভবন, টেনিস মাঠ, পর্যটন মটেল, স্বাধীনতা মাঠ, স্বাধীনতা পাঠাগার, বিশ্রামাগার, পোস্ট অফিস, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, শিশুপল্লী, ডরমেটরি ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরভিত্তিক বাংলাদেশের মানচিত্র।



কী আছে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের মানচিত্রে?


মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধের পর এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হল বাংলাদেশের মানচিত্র। আমাদের যুদ্ধকালিন অবস্থার রূপক। কোথায়, কোন এলাকায় যুদ্ধ হয়েছে, শরণার্থীরা কীভাবে সে সময় ভারত গিয়েছিলেন বা দেশ ছাড়েন। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরকে ভাগ করে দেখানো হয়েছে মানচিত্রে।


মানচিত্রের উত্তর দিকটা উঁচু থেকে ক্রমান্বয়ে দক্ষিণ দিকটা ঢালু করা হয়েছে। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলগুলোকে দেখানো হয়েছে পানির ওপর ভাসমান। মুজিবনগর কমপ্লেক্সের মাস্টার প্ল্যান করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। মানচিত্রের নকশা বুয়েট স্থপতীদের সংগঠন বিআরটিসি’র করা।


আরও আছে কিছু ভাস্কর্য


কমপ্লেক্সের আরেক উল্লেখযোগ্য বিষয় কিছু ভাস্কর্য। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, ঐতিহাসিক তেলিয়া পাড়া সম্মেলন, মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠান, পাকবাহিনির আত্মসর্ম্পন, রাজাকার আল বদর, আল সামস’য়ের সহযোগিতায় বাঙালি নারী পুরুষের উপর পাক হানাদার বাহিনির নির্যাতনসহ খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রায় ৪শ’ বিভিন্ন ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।



৩০ লাখ পাথর বসানো মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ


স্মৃতিসৌধটি বাংলাদেশের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন। স্থাপনার মূল বৈশিষ্ট্য ১৬০ ফুট ব্যসের গোলাকার স্তম্ভের উপর মূল বেদীকে কেন্দ্র করে ২০ ইঞ্চির ২৩টি দেয়াল। দেয়ালগুলো উদিয়মান সূর্যের প্রতীক। ৩০ লক্ষ শহিদকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য স্মৃতিসৌধের মেঝেতে ৩০ লাখ পাথর বসানো হয়েছে।



সৌধের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে লাল মঞ্চ, ২৩টি স্তম্ভ, ১ লক্ষ বুদ্ধিজীবীর খুলি, ৩০ লক্ষ শহীদ, ১১টি সিঁড়ি, বঙ্গোপসাগর, ২১শে ফেব্রুয়ারি, রক্তের সাগর এবং ঐক্যবদ্ধ সাড়ে সাত কোটি জনতা। স্বাধীনতার রক্তাত সূর্যের মাধ্যমে লালমঞ্চকে তুলে ধরা হয়েছে, সেখানে দাঁড়িয়েই অধ্যাপক ইউসুপ আলী, স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেছিলেন। ২৩টি স্তম্ভ হল ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত পাকিস্তানের শাষণ নিপিড়নসহ বাঙালির আন্দোলন ও স্বাধীনতার প্রতীক।



স্মৃতিসৌধের মূল বেদীতে গোলাকার বৃত্তের মাধ্যমে শহহিদ বুদ্ধিজীবীর খুলি বোঝানো হয়েছে। বেদি তৈরিতে ব্যবহৃত পাথর দিয়ে ৩০ লাখ শহীদ মা-বোনকে সম্মান জানানো হয়েছে। স্মৃতিসৌধের মূল বেদিতে ওঠার জন্য মোট ১১টি সিঁড়ি ব্যবহার করতে হয়। মুক্তিযুদ্ধকালিন সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা যে ১১টি সেক্টরে ভাগ হয়ে যুদ্ধ করেছেন ১১টি সিঁড়ি সেই ১১টি সেক্টরের প্রতীক।



বাংলাদেশের ঐতিহ্য বঙ্গোপসাগর মানচিত্রের হিসেব মতো দক্ষিণ দিকে, মানে স্মৃতিসৌধের পেছনে থাকার কথা। তবে স্মৃতিসৌধটির সৌন্দর্য বিঘ্নিত হয় বিধায় তৎকালীন সরকার প্রধান বঙ্গোপসাগরের স্থান দিয়েছেন স্মৃতিসৌধের ঠিক সামনে। দক্ষিণের বঙ্গোপসাগরের স্থান মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের উত্তরে। আমাদের মহান ভাষা আন্দোলন বা ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রতীক হলো— স্মৃতিসৌধের মূল ফটক ধরে এগিয়ে চলা পথটি। পথটি শেষ হয়েছে রক্তের সাগর নামক ঢালু প্রান্ত ছুঁয়ে।



মুজিবনগর দিবস বাঙালি জাতিসত্তাকে ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত পরিচয়ে সমুজ্জ্বল করে রেখেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিশ্ববাসীর কাছে সাহসী ও অকুতোভয় বাঙালিকে পরিচিত করেছিল। এরপর বিশ্ব বাংলাদেশকে জেনেছে ১৭ এপ্রিল সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে। মুজিবনগর সরকার বাঙালির জাতিসত্তাকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছিল। নিঃসন্দেহে, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে অনন্য দিন। এই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে মূর্তমান মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ তথা মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স।


বিবার্তা/গমেজ/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com