আওয়ামী লীগের মুখোমুখি কেন আজ আওয়ামী লীগ
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:০৪
আওয়ামী লীগের মুখোমুখি কেন আজ আওয়ামী লীগ
পীর হাবিবুর রহমান
প্রিন্ট অ-অ+

এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় সারা দেশে দৃশ্যমান হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের মুখোমুখি আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি এবং তাদের মধ্যে হিংসা হানাহানি রক্তারক্তি ছিল ব্যাপক। জেলা নেতাদের পাঠানো তালিকা থেকে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড মনোনয়ন দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে- কোথাও এমপিদের প্রার্থীরা মনোনয়ন পেয়েছেন। এমপি তাঁর প্রার্থীদের বিজয়ী করার চেষ্টা করেছেন। আর যেখানে এমপির প্রার্থীরা মনোনয়ন পাননি সেখানে তাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেছেন। কোথাও জিতেছেন কোথাও বা হেরেছেন। যখন নৌকা প্রতীক নিয়ে হেরেছে তখন গণমাধ্যমে এসেছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা পরাজিত। অনেক হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী-এমপির এলাকায় ব্যাপক পরাজয় ঘটেছে। এটা দলের জন্য লজ্জার। সারা দেশ জুড়ে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে জঘন্য মনোনয়ন বাণিজ্যের। একেক ইউনিয়নে তারা যে তিনজন করে নাম পাঠিয়েছেন সেখানে ক্রমানুসারে একেকজনকে একেক অঙ্কের টাকা দিতে হয়েছে। সবার আগে যার নাম তাকে সর্বোচ্চ এবং পরের দুজনকে কম করে টাকা দিতে হয়েছে। যে কর্মী দলের জন্য রক্ত দেন, বিরোধী দলে থাকলে নির্যাতন ভোগ করেন, যে কর্মী বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে সকাল-রাত দল করে বেড়ান তার কাছ থেকে জেলা নেতাদের মনোনয়ন বাণিজ্য কী কুৎসিত কদর্য পাপাচার, অপরাধ, এর তদন্ত হওয়া উচিত। এমন অপরাধ অতীতে হয়নি। আওয়ামী লীগের মতো একটি গণমুখী আদর্শিক ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল যার বিকাশ একবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আরেক দফা তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঘটেছে।


বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা ও সুমহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়েছে। আর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকারের সঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। যদিও আজ গণতন্ত্র আর নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে কিন্তু মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব ক্যারিশমা ও দূরদর্শিতায় ’৭১ ও ’৭৫ সালের ঘাতকদের বিচার হয়েছে। একুশের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলারও বিচার হয়েছে। আর দেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের মহাসড়কেই ওঠেনি, বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন শেখ হাসিনা তাঁর অর্থনৈতিক রোল মডেলে। দেশজুড়ে পদ্মা সেতুই নয়, একের পর এক মেগা প্রকল্প শেষ হচ্ছে। অবকাঠামোর উন্নয়নসহ ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এমন উন্নয়ন আর শেখ হাসিনার ক্যারিশমায় বিরোধী দলের যেখানে সহিংস আন্দোলন হরতাল, অবরোধ নেই সেখানে আওয়ামী লীগের ইউপি নির্বাচনে এমন ভরাডুবি যে অনেক ইউনিয়নে প্রার্থী জামানতই হারিয়েছেন। দু-একটিতে অর্ধশত ভোটও পাননি। এমন লজ্জাজনক পরিস্থিতি কেন হলো? নেতা-কর্মীরা টানা ১৩ বছর দল ক্ষমতায় থাকায় এক ধরনের উগ্র দম্ভ নিয়ে হাঁটছেন। রাজনীতিকে রাজনৈতিক বাণিজ্য হিসেবে নিয়েছেন। জেলা নেতারা মনোনয়ন বাণিজ্য করতে গিয়ে একদিকে যোগ্য প্রার্থীদের নাম দেননি অন্যদিকে তাঁরা সংগঠনকে শক্তিশালী করা দূরে থাক অতিশয় দুর্বল ও অগোছালো করেছেন। কর্মী নেই এখন তৃণমূলজুড়ে কেবল নেতা। আর নেতারা গণবিচ্ছিন্ন।


বিএনপি ১৫ বছর ক্ষমতার বাইরে। তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আদালত কর্তৃক দন্ডিতই নন ব্যক্তিগতভাবেও ভীষণ অসুস্থ। তারেক রহমানও দন্ডিত এবং ফেরারি আসামি হিসেবে লন্ডনে নির্বাসিত। তবু কঠিন দুঃসময়ে নেতা-কর্মীরা ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করছেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন তারা দলীয়ভাবে বর্জন করলেও কেউ ব্যক্তিগতভাবে প্রার্থী হতে চাইলে আপত্তি করেনি। এতে বিএনপির রাজনীতির জন্য এমন দুঃসময়েও যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তাদের অনেকে বিজয়ী হয়েছেন। অনেকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই সামগ্রিক পরিস্থিতির ফলাফল কেন এমন হলো তা নিয়ে আওয়ামী লীগের একটি পর্যালোচনা বৈঠক ও মূল্যায়ন রিপোর্ট এখনো হয়নি। এটা হওয়া উচিত। ২০২৩ সালের শেষে দেশে জাতীয় নির্বাচন হবে সেখানে আওয়ামী লীগকে আত্মসমালোচনা আত্মসংযম আত্মশুদ্ধির পথেই সেটি মোকাবিলা করতে হবে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খলভাবে। যারা মনে করেন ক্ষমতার বাইরে থাকায় বিএনপি শেষ তারা ভুল করছেন।


’৮৫ সালের উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তৎকালীন সেনাশাসক এইচ এম এরশাদের গোয়েন্দা কর্মকর্তা জেনারেল চিশতি বড় দাপট নিয়ে চলাফেরা, কথাবার্তা বলতেন। প্রচলিত ছিল তিনি প্রবেশ করলে এরশাদের মন্ত্রীরাই নন, তাদের চেয়ারও দাঁড়িয়ে যেত। সেই চিশতির গরম দেখে এক বৈঠকে আবদুস সামাদ আজাদ বলেছিলেন, শোনেন জেনারেল সাব, আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তি বেগম সাহেবার আঁচলেই বাঁধা থাকবে। চিশতি তখন বিএনপিকে শেষ করে দিচ্ছেন। তাই আগামী নির্বাচনে বেগম জিয়া কোনো ভূমিকা না রাখতে পারলেও তারেক রহমান সব গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে বসলেও আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তি যে একটি জায়গায় সংগঠিত হয়ে ভোট দেবে তাতে সন্দেহ নেই। নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বঙ্গভবনে সংলাপ শুরু করেছেন। অনেক দল বলছে এ অর্থহীন সংলাপে যাবে না। বিএনপিও বলছে।


তবে আমার পর্যবেক্ষণে বিএনপি সংলাপেও যাবে, আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই যাবে। বিদেশি শক্তি আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে যতই সরব থাক, সংবিধানে বিদেশি শক্তির হাত দেওয়ার সুযোগ নেই। অতীত অভিজ্ঞতা তা-ই বলে। আর সরকারবিরোধী আন্দোলনে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টির সুযোগ বিএনপিসহ তার শরিকদের নেই। যেখানে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, প্রশাসন তার ভাগ্যও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িয়েছে অন্যদিকে শেখ হাসিনার মতো জাদুকরী নেতৃত্ব বিরোধী শিবিরে একদম নেই। শেখ হাসিনার বৃহস্পতি যেমন তুঙ্গে তেমন বিরোধী দলের শনির রাহু সহসা কাটবে এমনটা কেউ বলতেও পারবেন না। তবে নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগকে ইউপি নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দলকে, স্থানীয় নেতৃত্বকে ঢেলে সাজাতে হবে। মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন আনতে হবে। দলের পদবি ব্যবহার করে যারা অর্থবিত্ত গড়েছেন, যেসব এমপি নিজের এলাকার সব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করেন আর যারা দম্ভ নিয়ে হাঁটেন তারা জনগণের মনে অসন্তোষ তৈরি করেছেন।


বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে দীর্ঘদিন পর হওয়া নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে এসে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হয়ে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বিজয়ের বরমাল্য গলায় পরেছিলেন। সারা দেশ চমকে দিয়েছিলেন। বাবা আলী আহমদ চুনকাও ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এবং পৌরসভার চেয়ারম্যান। সেলিনা হায়াৎ আইভী দলের বাইরে ও গণমানুষের সমর্থন আদায় করে শক্তিশালী প্রার্থী হয়েছিলেন। একালে এলাকাবিহীন গণসমর্থনহীন একদল নারী নেতার বাড়ি বাড়ি ঘুরে চরণধূলি নিয়ে মহিলা এমপি হতে চান আইভী তাদের বিপরীতে একজন সাহসী গণমুখী নেত্রী হয়ে দাঁড়ান। পরবর্তীতে তিনি টানা দুবার নারায়ণগঞ্জের মেয়র নির্বাচিত হন। এবার বিএনপি বর্জন করলেও বিদ্রোহ করে দলের নেতা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার দাঁড়িয়েছেন। আইভী পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন।


কিন্তু নির্বাচনকালে তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করেছে সেখানকার সাবেক তিন পুরুষের ঐতিহ্যবাহী রাজনীতির উত্তরাধিকার এমপি শামীম ওসমানের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব কমেনি। কমানোর চেষ্টাও তিনি করেননি। শামীম ওসমান সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর জায়গা পরিষ্কার করেছেন এভাবে- কে প্রার্থী সেটি বড় নয়, নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। অর্থাৎ আইভী পছন্দের না হলেও তিনি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাবেন না। এ নির্বাচন সমন্বয় করতে আওয়ামী লীগ দুজন দক্ষ নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছে। একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আরেকজন সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি। দুজনের হাতে যুবলীগ বিএনপি জমানায় সারা দেশে শক্তিশালী রূপ নেয়। নানক ’৭৫-উত্তর কঠিন দুঃসময়ের সংগঠক আর মির্জা আজম অপরাজিত ছয়বারের এমপি। তাঁরা ভালোই করছেন। তবে আইভীর যত অভিজ্ঞতা আর সমর্থন থাক একটি কথা বিশেষ বিবেচনায় নিতে হবে- বেশিদিন দায়িত্বে থাকলে মানুষের মনে পরিবর্তনের চিন্তা জাগে। আর তৈমূরের প্রতি মানুষের সহানুভূতি আছে। অন্যদিকে দাম্ভিকতা মানুষ একদম পছন্দ করে না। মুহূর্তে জনমত উল্টে যেতে পারে। তাই গডফাদার বলে, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে একজনকে আঘাত করতে গিয়ে অনেককে ব্যথিত করবেন না। বিনয়ী হোন, দূরে নয় কাছে টানুন। উন্নয়ন সততা আর বিনয়ের গণমুখী পথ না নিলে মানুষের হৃদয় জয় করা যাবে না। সব সময় এক ফরমুলায় নির্বাচন হবে এমন গ্যারান্টিও নেই। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের দূরদৃষ্টি রাখতে হবে। আমরা রাষ্ট্রচিন্তা করি, কিন্তু দিন দিন কেমন যেন বিতর্কহীন এক বিষাদগ্রস্ত রাজনৈতিক সমাজ তৈরি হয়েছে। যেখানে ঠিকমতো যা বলতে চাই তা বলতে পারি না। যা লিখতে চাই তা-ও লিখতে পারি না। সমাজের ভাঙাগড়া গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করি, লোভ-নীতিহীন নষ্ট-ভ্রষ্টদের কামড়াকামড়ি দেখি। সব বুঝি কিন্তু তা কেন বলতে পারি না, জানি না। আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আমার চিন্তা-চেতনা ও আত্মাজুড়ে সেই কৈশোর থেকে লালন করি। এখানে কোনো আপস নেই। কিন্তু তাঁর আদর্শ রাজনীতি বা স্বপ্নের রাষ্ট্র কোথাও দেখি না। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকালে দাঁড়িয়ে দেখি মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হয়নি।


প্রখ্যাত লেখক সাহিত্যিক সমালোচক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সম্প্রতি শিক্ষার প্রতি চরম উদাসীনতা ও আমলাদের প্রতি গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। বলেছেন, সব সুবিধা আমলারা পান শিক্ষকরা নন। তাই শিক্ষার মান বাড়বে কী করে? দামি গাড়ি, দামি বাড়ি মানেই আমলা। তিনি বলেন, প্রশাসকরা প্রশাসকই তৈরি করছেন। কোনো চিন্তাবিদ নেই। গবেষক নেই। কোনো বিজ্ঞানী নেই, দার্শনিক নেই। যেদিকে তাকাবেন দেখবেন শুধুই প্রশাসক। এটা সত্য, এখন আমলাদের রমরমা সময় যাচ্ছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর বদলে ক্ষমতার মালিকানা ভোগ করছেন। জনগণ কেবল সংবিধানেই ক্ষমতার মালিক। আকবর আলি খানদের মতোন পড়াশোনা জানা আমলা এখন কই! কই হাসানাত মুহাম্মদ আবদুল হাই বা মোকাম্মেল হকের মতোন আমলা যাঁরা লেখায়, পড়ায় অগ্রসর মেধাবী সৃজনশীল ছিলেন। কই আরেকজন ফারুক চৌধুরী তো কূটনৈতিকপাড়া থেকে এলেন না লেখার শক্তি নিয়ে? কই একজন আহমদ ছফা আর তৈরি হলেন না কেন? বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন; ড. আহমদ শরীফ, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সনৎ কুমার সাহা, জুলফিকার মতিন, আবদুল মান্নান আর দেখা যায় না। এ বি এম মূসা, বজলুর রহমান, সৈয়দ আবুল মকসুদ বা আতাউস সামাদের শূন্যতা কি পূরণ হয়েছে? সম্প্রতি চলে যাওয়া রিয়াজ উদ্দিন আহমদের মতোন একজন নেতা আসবেন সহসা প্রেস ক্লাব আঙিনায়? দেশে এত নেতা, এত মন্ত্রী, এত এমপি কিন্তু সারা দেশে কই গণমানুষের রাজনীতিবিদ? কই তুখোড় পার্লামেন্টারিয়ান, আজ সবাইকে ভাবতে হবে। বুঝতে হবে দেশে উদার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত না হলে রাষ্ট্রচিন্তার মানুষ তৈরি হয় না। সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করতে হবে। সামনে শক্তিশালী সরকারের সঙ্গে কার্যকর শক্তিশালী বিরোধী দল-শোভিত সংসদ ঘিরে প্রাণবন্ত বিতর্ক ও সংসদকে সমস্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু করতে এখনই সবাইকে ভাবতে হবে। পর্দার আড়ালে আলোচনা চালাতে হবে।


লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন


বিবার্তা/আবদাল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com