সাক্ষাতকার
‘বন্যায় একটানা ১৪ দিন কাজ করেছি’
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২২, ২২:২৮
‘বন্যায় একটানা ১৪ দিন কাজ করেছি’
সোহেল আহমদ
প্রিন্ট অ-অ+

বন্যার কারণে হাওরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে কেউ যেতে পারছিলো না, সেসব এলাকা সিলেক্ট করে আমরা কাজ করেছি। আমাদের টিমের সদস্যরা অমানবিক কষ্ট করেছে। সবার চেহারা মলিন হয়ে গিয়েছিলো। সেই সময় তাদের দেখলে কেউ চিনতে পারত না। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। সকাল দশটায় বের হয়ে রাত দশটায় ফিরতাম। রাতের কিছুটা সময় ঘুমাতাম। আমরা একটানা ১৪ দিন কাজ করেছি।


-কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।



মহামারি করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পর, সম্প্রতি সিলেট অঞ্চলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে শুরু থেকেই টিম নিয়ে পাশে ছিলেন তিনি। এছাড়া বন্যা পরবর্তী সময়ে নিজ উদ্যোগে করেছেন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। এসব নিয়ে সম্প্রতি বিবার্তার সঙ্গে কথা বলেছেন জাকির। পাঠকদের জন্য এর চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো-


বিবার্তা: অতিবৃষ্টি ও উজানি ঢলের কারণে সিলেট অঞ্চলের মানুষ স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তখনকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাই।


এস এম জাকির হোসাইন: চলতি বছরের জুন মাসের ২৮ তারিখ হঠাৎ করে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে প্রায় পুরো সিলেট অঞ্চল তলিয়ে যায়। বিশেষ করে সুনামগঞ্জ জেলা পুরোটাই পানির নিচে ছিলো। আমার জেলা মৌলভীবাজারও বন্যা প্লাবিত হয়েছে। এবারের বন্যায় জুড়ী উপজেলায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি আমার নিজের এলাকায় কাজ করেছি। এলাকার প্রবীণরা বলেছেন, তাদের জীবদ্দশায় তারা এমন বন্যা দেখেননি। ১২২ বছরের ইতিহাসে নাকি এতো পানি হয়নি। এবারের বন্যায় এমন সব জায়গায় প্লাবিত হয়েছে, অতীতে কখনো যা হয়নি। আমি নিজে চোখে দেখেছি মানুষের দুর্বিষহ জীবন। ঘরে কোমর পানি- তারপরও মানুষ ঘরের মায়া ছেড়ে যাচ্ছে না। হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল রেখে যাচ্ছে না। ঘরের মধ্যে একটু উঁচু জায়গা তৈরি করে রাত্রিযাপন করেছে।



বিবার্তা: আমরা দেখেছি শুরু থেকেই আপনি সেখানকার মানুষের মাঝে ত্রাণ নিয়ে গেছেন। বন্যার কারণে চারিদিকে পানি থাকায় নৌকা ছাড়া কোনো ধরণের যান চলছিলো না। এর মাঝে ত্রাণ বিতরণের কাজটা কেমন চ্যালেঞ্জের ছিলো?


এস এম জাকির হোসাইন: মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত পরিবারের হাতে টাকা ছিলো, ব্যাংকে টাকা আছে কিন্তু বাজারে যেতে পারছে না। কারণ তাদের বাড়িতে পানি উঠেছে। সুনামগঞ্জ জেলা তো পুরো বিচ্ছিন্ন ছিলো। কোন কিছু চলছিলো না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনাবাহিনী স্প্রিডবোটে করে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে।


এ অবস্থায় ১৯ তারিখ থেকেই আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজ শুরু করেছি। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি। বন্যার কারণে হাওরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে কেউ যেতে পারছিলো না, সেসব এলাকা সিলেক্ট করে আমরা কাজ করেছি। আমাদের টিমের সদস্যরা অমানবিক কষ্ট করেছে। তাদের সাহসিকতা এবং অসম মনোবলের কারণে আমরা মানুষের জন্য কাজ করতে পেরেছি। সবাই চেহারা মলিন হয়ে গিয়েছিলো। সেই সময় তাদের দেখলে কেউ চিনতে পারতেন না। রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।সকাল দশটায় বের হয়ে রাত দশটায় ফিরতাম। রাতের কিছুটা সময় ঘুমাতাম। আমরা একটানা ১৪ দিন কাজ করেছি। ঈদের কাছাকাছি সময়ে এসে একটু বিরতি দিয়ে আবার কাজ শুরু করেছি।


বিবার্তা: করোনাকালীন সময়ে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ নানামুখী উদ্যোগ নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই অনুপ্রেরণা কিভাবে আসলো?


এস এম জাকির হোসাইন: মহামারি করোনার সময়েও আমি জুড়ী-বড়লেখা উপজেলায় মানুষকে সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশেপাশের উপজেলার যারা চেয়েছেন তাদেরকেও আমার টিম সেবা দিয়েছে। আমার টিমে ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দরা ছিলেন। তারা স্ট্রং থাকার কারণে কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। তারাই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ দুর্যোগ পড়লে সবার আগে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা করোনায় ও বন্যায় সিলেট-সুনামগঞ্জে জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।



করোনায় আমাদের কাছে ৭০ থেকে ৮০টা অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিলো। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগুলো সংগ্রহ করেছি। দিন-রাত যখনই কেউ শ্বাসকষ্ট বা করোনায় আক্রান্ত হয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন পড়েছে- আমাদের মানবিক টিমের সদস্যরা নিজ খরচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিয়েছে। আমরা মানুষকে নিরবিচ্ছিন্ন সার্ভিস দিয়েছি। এখনো আমাদের কাছে সিলিন্ডার রয়েছে। আবারো যদি এ ধরনের কোনো দুর্যোগ আসে আমরা কাজ করার জন্য রেখে দিয়েছি।


একটা মানবিক উদ্যোগ নিলে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। মানুষ ভালো কাজ দেখে উদ্বুদ্ধ হয়। আমার চিন্তা ছিলো আমার দেখাদেখি কেউ যদি একজন মানুষের পাশেও দাঁড়ায় সেটাই আমার সফলতা। কারণ দুঃসময় মানুষ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়। সুসময়ে সবাই থাকে, মানুষের অভাব থাকে না। আপনার দুঃসময়ে যারা পাশে থাকে তারাই প্রকৃত বন্ধু, প্রকৃত মানুষ। মানুষের জন্য কাজ করতে ভালো লাগে। আর দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার ব্রত।



বিবার্তা: হাওর অঞ্চলগুলোতে বাস করা মানুষজন প্রতিবছরই বন্যাসহ নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হন। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কি করা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?


এস এম জাকির হোসাইন: এবার সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাত রেকর্ড পরিমাণ হয়েছে, ভারতেও বৃষ্টিপাত হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। সেজন্য উজানি ঢলে এবার এতো পানি হয়েছে। আমাদের এখানে এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকির অবস্থান। হাকালুকি হাওর পাড়ের মানুষকে পানির সাথে বসবাস করতে হয়। বন্যা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রকৃতির উপর কারও হাত নেই, মেনে নিতে হবে। তবে বন্যার পানি হাওরে যাতে আটকে না থাকে সেজন্য কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। রাস্তার কারণে যাতে পানি আটকে না থাকে সেজন্য রাস্তা কেটে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি হাকালুকি হাওরের ড্রেজিং ব্যবস্থার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আগামীতে হাওরের পরিবেশ উন্নয়নে নতুন নতুন প্ল্যান নেয়া হবে। বন্যায় অনেক রাস্তাঘাটের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেগুলোর কাজ শুরু হয়েছে। এগুলো যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে আশা করা যায় স্থায়ী মুক্তি পাওয়া যাবে।


বিবার্তা: পরিবেশবিদরা আশঙ্কা করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সিলেট অঞ্চলে আগামী দিনেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। সংকট মোকাবেলায় কি কি করা প্রয়োজন?


এস এম জাকির হোসাইন: কিছুদিন আগে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে সিলেটে পানি জমে গেছে। নদীতে পানি বাড়লে সিলেট শহরে পানি উঠে যাচ্ছে। শহরের পানি নিষ্কাশন নদীতে না দিয়ে অন্য কোন দিকে দেয়া যায় কিনা সেটা দেখা যেতে পারে। নদীগুলো ড্রেজিংয়ের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আমাদের মনু নদী বাঁধের সুরক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রায় এক হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছেন। বন্যা পরিস্থিতি হলে ভবিষ্যতে যাতে মানুষ কম ক্ষতিগ্রস্থ হয় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে সবকিছু করার নির্দেশনা দিয়েছেন।


সিলেট অঞ্চলের মানুষ রেমিটেন্স যোদ্ধা। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক অবদান আছে। সিলেটের মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা টান আছে। আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি তিনি এই অঞ্চলের মানুষকে খুব ভালোবাসেন। সিলেটের সব মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবাসে। আমরা যখন যা চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে দিয়েছেন। যেসব প্রকল্প দিচ্ছেন সেগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সমস্যা তুলে ধরতে পারলে আমরা সেগুলো থেকে পরিত্রাণ পাবো।



বিবার্তা: এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি, আপনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে অনেকেই 'রাজনীতির পাঠশালা' বলে অভিহিত করেন। অন্যান্য ছাত্রসংগঠনগুলোর চাইতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিশেষত্ব কী?


এস এম জাকির হোসাইন: জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগ উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন সংগঠন। এ দেশের সবগুলো আন্দোলনের সাথে ছাত্রলীগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন, '৬৬’র ছয় দফা আন্দোলন থেকে শুরু করে সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং সর্বশেষ ওয়ান ইলেভেনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য সামনে থেকে আন্দোলন করেছে ছাত্রলীগ। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনেও সবসময় ছাত্রলীগ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাট আন্দোলন যখন শুরু হলো, তখন আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি ভ্যাট প্রত্যাহারের জন্য। পরে সেটা করে দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগ অতীতেও শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলো, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।


এদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের সাথে ছাত্রলীগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের ১৭ হাজার নেতা-কর্মী শহিদ হয়েছেন। সেই সংগঠনের আলাদা একটা মূল্যায়ন তরুণ প্রজন্মের মাঝে আছে। এছাড়া ছাত্রলীগ সবসময় শিক্ষার্থীদের কথা ভাবে, শিক্ষার্থীদের পাশে থেকেই আন্দোলন করে। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যাতে পূরণ হয়, আদায় হয়- এসব ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভূমিকা রাখে ছাত্রলীগ।


বিবার্তা: তরুণ প্রজন্মের মাঝে রাজনীতির প্রতি অনীহা দেখা যায়। এর কারণ কী?


এস এম জাকির হোসাইন: আই হেট পলিটিক্স সবসময় ছিলো। একটা পক্ষ সবসময় এটা বলে। কিন্তু আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রাজনীতির সাথে যুক্ত। কোনো সমস্যায় পড়লে শিক্ষার্থীরা সেই ক্যাম্পাসের বড় ভাই, বোনদেরকে স্মরণ করে। তখন কি হয়? তখন কিন্তু আর এই কথা থাকে না।



বিবার্তা: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ কেমন দেখতে চান?


এস এম জাকির হোসাইন: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ছাত্র ছিলেন, তখন তিনি বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি চাইতেন আমরা পাকিস্তানের অধীনে থাকবো না। আমাদের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র থাকবে। সেই স্বপ্নকে তিনি লালন করতেন এবং বাস্তবে রূপদানও করেছেন। তিনি আমাদেরকে রাজনৈতিক মুক্তি দিয়েছিলেন। সময়ের অভাবে অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে পারেননি। তার সেই অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছেন। তিনি তাঁর পিতার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদেরকে রূপকল্প ২০২১ দিয়েছিলেন। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে সেই লক্ষ্যে কাজ করছেন। ২০৭৫ সালে কি হবে তিনি সেই পরিকল্পনা আমাদের দিয়েছেন। তিনি ২১০০ সালের ডেল্টা প্ল্যান দিয়েছেন। সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের তরুণ প্রজন্মকে কাজ করতে হবে।


আজ দেশে নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণরা দেশে বসে বিশ্বের যেকোনো দেশে কাজ করতে পারছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি স্বনির্ভর, উন্নত বাংলাদেশ গড়বো। তরুণ প্রজন্ম সেই স্বপ্নকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমরা যারা তরুণ প্রজন্ম আছি, আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।


বিবার্তা/সোহেল/রোমেল/জেএইচ


সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com