'বই পড়ার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জানাতে চাই’
প্রকাশ : ২১ মে ২০২২, ০৮:০৯
'বই পড়ার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জানাতে চাই’
সোহেল আহমদ
প্রিন্ট অ-অ+

বিএনপি-জামায়াত কারা করে? তারা তো মানুষ। তারা বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ সম্পর্কে জানে না। আমি যদি তাদের বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ সম্পর্কে জানাতে পারি তাহলে বিএনপি-জামায়াত থেকে বেরিয়ে এসে আওয়ামী লীগ করবে। আওয়ামী লীগের আদর্শ ধারণ করবে। কাউকে গুলি করে জামায়াত-বিএনপি'র আদর্শ থেকে ছাড়িয়ে আনতে পারব না। কাউকে চাপ দিয়ে নয়, আমি অবশ্যই বই পড়ার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জানাতে চাই। বই পড়লে তারা বঙ্গবন্ধুকে জানবে। ছেলেরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করবে এবং আওয়ামী লীগের দিকে ঝুঁকে পড়বে।


কথাগুলো বলেছেন, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ। নবী নেওয়াজের পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার হামিদপুরে। শিক্ষাজীবনে তিনি যশোর চৌগাছার শাহাদাৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে মাধ্যমিক, কোটচাঁদপুর মোশাররফ হোসেন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নানাকোত্তর সম্পন্ন করেন। কোটচাঁদপুর থেকেই ছাত্রলীগের হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠনের সাথে তার পথচলা শুরু।


ছাত্রজীবন থেকে তিনি এখনো রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) হতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন। সংসদ সদস্য হিসেবেও কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা নবী নেওয়াজ একজন অধ্যক্ষ। বর্তমানে তিনি আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সহ-সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন।


সম্প্রতি বিবার্তা২৪ডটনেট কার্যালয়ে রাজনৈতিক জীবন, তরুণ প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছড়িয়ে দেয়ায় নেয়া উদ্যোগসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিবার্তা প্রতিবেদক সোহেল আহমদ।


বিবার্তা: বলা হয়ে থাকে রাজপথের রাজনীতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান স্টিয়ারিং ফোর্স যুবলীগ। যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে আপনার ভূমিকা কি?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দিচ্ছে। নেতৃত্বের সেই গতিকে শক্তিশালী করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। শেখ ফজলুল হক মনিকে চেয়ারম্যান করে তিনি যুবলীগ গঠন করেছিলেন। সেই গতিশীলতার জায়গায় আওয়ামী লীগ কমান্ডিং এবং স্টিয়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যুবলীগ সে জায়গায় ভূমিকা রাখছে। ২০০১ সালের পর আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে, সেই সময় থেকে রাজপথের আন্দোলনে বেশিরভাগ দায়িত্ব যুবলীগকে পালন করতে হয়েছে। ২০০৩ সালে যুবলীগের সাথে আমার পথচলা শুরু। যুবলীগ করে উপলব্ধি করছি, যুবলীগ করাটা কত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১২ সালে যুবলীগের সম্মেলনে সহ-সম্পাদক হয়েছি। এরপর আওয়ামী লীগের মনোনয়নে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হলাম। সর্বশেষ কমিটিতে আমি প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছি।


তৃণমূলে সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেরিয়েছি, দায়িত্ব পালন করছি। তৃণমূলকে সংগঠিত এবং শক্তিশালী করার জন্য আমরা কাজ করছি। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে তার আদর্শ ধারণ করে দায়িত্ব পালন করছি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, করোনা আক্রান্ত হওয়ায় অনেক সন্তান যখন বাবার কাছে যায়নি, ঠিক সেই সময়ে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, অক্সিজেন বাড়িতে পৌঁছে দেয়া, করোনায় মৃত্যুর পরে দাফন করেছে যুবলীগ নেতারা। শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরহীন মানুষকে অনেক যুবলীগের নেতারা সারা দেশে ঘর করে দিয়েছেন। করোনায় ভূমিকার কারণে আমাদের সংগঠন মানবিক যুবলীগে পরিণত হয়েছে।



বিবার্তা: আপনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই এলাকাতেই আপনার ছাত্র রাজনীতির হাতেখড়ি হয়েছিলো। সে বিবেচনায় কোন কোন সমস্যা-সম্ভাবনা আপনার চোখে পড়ছে?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: ২০১৪ সালে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। এরপর পাঁচ বছর মানুষের জন্য কাজ করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কাছ থেকে দেখেছি। তার আন্তরিকতা দেখেছি। দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি তার টান দেখেছি। মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে সেটি অনুসরণ করেছি। এলাকার রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নের পাশাপাশি তৃণমূলের মানুষকে সহযোগিতা, কৃষকদের সহযোগিতার কাজগুলো করেছি। আমি যে পরিশ্রম করেছি সেই কাজের ফসল এখন মানুষ ভোগ করছে। কপোতাক্ষ নদ খনন করার জন্য সংসদে ২০১৪ সালে কবিতা আবৃত্তি করেছিলাম। একনেকে তা পাশ হওয়ার পর ২০১৯ সালে কাজ শুরু হয়েছে। এটি একটি স্থায়ী একটি প্রকল্প। জেলায় বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে সবার আগে আমার দু’টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে।


সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আমার সময়ে এলাকার মানুষের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা, ক্ষতি করা এটি মানুষ ভুলেই গিয়েছিলো। এখন মানুষ বলে নবী নেওয়াজ আর যাই হোক, উপকার করতে না পারুক কারো ক্ষতি করেনি। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রবণতা আগে ছিল কিন্তু আমার সময়ে ছিলো না। এখন আবার চলে এসেছে। আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করি, তাদের উচিত শেখ হাসিনা কিভাবে দেশ চালাচ্ছেন সেভাবে কাজ করা। তাহলেই সংগঠন এগিয়ে যাবে। স্বপ্নের সোনার বাংলা, উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পাবে।


বিবার্তা: ঝিনাইদহের মহেশপুর ও কোঁটচাদপুর উপজেলা বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। সেই জায়গায় আপনি 'বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র' গঠন করেছিলেন। এর উদ্দেশ্য কি ছিলো?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: মানুষের মধ্যে যখন আপনি কাজ করবেন, তখন আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতের লোক থাকবে। আমরা এর বাইরে না। আমি আমার আচরণ, ব্যবহার দিয়ে যদি তাদের মুগ্ধ করতে পারি তাহলে তারা বুঝবে যে আমাকে দিয়ে উপকার হবে, উন্নয়ন হবে। তখনি সে দুর্বল হবে। বিএনপি-জামায়াত কারা করে? তারা তো মানুষ। তারা বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ সম্পর্কে জানে না। আমি যদি তাদের বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে পারি তাহলে বিএনপি-জামায়াত থেকে বেরিয়ে এসে আওয়ামী লীগ করবে। আওয়ামী লীগের আদর্শ ধারণ করবে। আমি বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র গঠন করে প্রত্যেকটা স্কুল, কলেজে বই বিতরণ করেছি। তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কুইজ প্রতিযোগিতা করে পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছি। তারা বই পড়ে বঙ্গবন্ধুকে, বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস জানছে। একবার আমার এলাকায় সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার দিতে গেলেন। সেই প্রতিযোগিতার বিজয়ী শীর্ষ ৩০ জনের ভিতরে ২৭ জনই ছিলো বিএনপি-জামায়াতের সন্তান। তারা বই পড়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছে।


আমার কথা হচ্ছে কাউকে গুলি করে জামায়াত-বিএনপি'র আদর্শ থেকে ছাড়িয়ে আনতে পারব না। নতুন প্রজন্ম যে কলেজে পড়ে, সে যখন সঠিক ইতিহাস পড়বে স্বাভাবিকভাবে তার মধ্যে চেতনা জাগ্রত হবে। কাউকে চাপ দিয়ে নয়, আমি অবশ্যই বই পড়ার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জানাতে চাই। বই পড়লে তারা বঙ্গবন্ধুকে জানবে। ছেলেরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করবে এবং আওয়ামী লীগের দিকে ঝুঁকে পড়বে। এই চিন্তা থেকেই আমি এটা শুরু করেছি।


বিবার্তা: ২০২১ সালে ৫০ বছরে পা দিয়েছে যুবলীগ। যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা উদ্দেশ্য নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলো। এখনো কি সংগঠনটি সেই ধারায় আছে?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: যুবলীগের মূল দায়িত্ব হলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করে আওয়ামী যুবলীগের ভাবমূর্তি সুপ্রতিষ্ঠিত করা। এর জন্য যত ধরনের কাজ ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা করছি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। আজকে শেখ হাসিনা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য যুবলীগ কাজ করছে এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যুবলীগ সঠিক ধারাতেই আছে।



বিবার্তা: ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধি হওয়ার ইচ্ছা আছে? থাকলে দল কেন আপনাকে মনোনয়ন দিবে?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: জনগণের প্রতিনিধি মানে সাধারণ মানুষের কাজ করা। আমি দেখেছি, সাধারণ মানুষের জন্য যদি সামান্য কাজ করি তাতে তারা উৎফুল্ল হয়, আনন্দিত হয়। আমি পাঁচ বছর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমি বুঝেছি মানুষের চাহিদা পূরণ করার জন্য আমার আরো কাজ করা দরকার। মানুষের কাজ করতে হলে জনপ্রতিনিধি হতে হবে। আর এজন্য দলের মনোনয়ন পেতে হবে। মানুষের সেবা অবশ্যই জনপ্রতিনিধি হওয়ার মধ্য দিয়ে সম্ভব। আমি জনপ্রতিনিধি হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করি।


বিবার্তা: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতি নিয়ে অনীহ দেখা যায়। এর কারণ কী?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: ১৯৭১ সালের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এরপর পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে স্বাধীনতার পক্ষে আর বিপক্ষ শক্তি। যারা এ কাজ করেছে আমি তাদের প্রশ্ন করি, ১৯৭১ সালে তারা পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। কিন্তু কেন পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ঘটালো? আমরা অতীতে দেখেছি বাংলাদেশে জঙ্গি রাষ্ট্র কায়েম করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতির চেষ্টা হয়েছে। বিভিন্ন রকমের গুজব, অপপ্রচার হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে মসজিদে উলুধ্বনি দেয়া হবে, আজান দেয়া যাবে না। এসব রাজনীতি করে তারা প্রমাণ করেছে আমরা স্বাধীনতার পক্ষের আর তারা বিপক্ষের শক্তি। এই বিভেদের কারণে নতুন প্রজন্ম রাজনীতি নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে আছে। আসলে কারা পক্ষের কারা বিপক্ষের এই দ্বন্দ্বে তারা পড়ে আছে।


এই অনীহা কাটানোর জন্য শেখ হাসিনা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আশির দশকের আমরা যখন রাজনীতি করেছি, আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বোমা, ককটেল না ফুঁটলে অনেকের ভাত হজম হত না। আজকে সেই জায়গা থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। বাংলাদেশে অর্থনীতি প্রচুর গতিশীল। মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য, আয়-রোজগার নিয়ে নিজ পেশায় মনোযোগী। কলকারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে না। রাজনীতি করেই ক্ষমতা আসতে হয়। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে উন্নয়ন করছেন। এখন তরুণ প্রজন্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বিশ্বাস করতে পারছে। আগের মত নোংরা রাজনীতি নেই। রাজনীতির মানে সেবা করা নতুন প্রজন্ম সেটি বুঝছে। এসব দেখে আগামী দিনে বিশ্বাস ফিরে আসবে। আর তাদের নিয়েই বাংলাদেশে সামনে এগিয়ে যাবে।



বিবার্তা: কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান?


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধামুক্ত শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশ দেখতে চাই। শান্তিপূর্ণভাবে আমরা এগিয়ে যাব, উন্নত বাংলাদেশ হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাওয়ার কারণে এয়ারে এখন টিকিট পাওয়া যায় না। কারণ মানুষ আগের মত নেই। মানুষ বিমানে চড়ে সহজে ঢাকায় চলে আসছে। আমার এলাকায় আগে এসি গাড়ি ছিল না, সেই এলাকায় গাড়ি যাচ্ছে। শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন তার পিতা বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষকে ভালোবেসেছেন, তিনি আরেকটু ভালোবেসে এদেশের মানুষকে এমন কিছু দিয়ে যেতে চান। যাতে তাঁর অনুপস্থিতিতে মানুষ স্মরণ করে। সেই কাজটি বঙ্গবন্ধুকন্যা করছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, বাংলাদেশের গড়তে কাজ করছেন। তার নেতৃত্বেই আমরা সেই দেশটি পাব।


বিবার্তা: গুরুত্বপূর্ণ সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।


অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।


বিবার্তা/সোহেল/রোমেল/এমবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com