কর্ণফুলীতে পুনরায় মাল্টি চ্যানেল স্লিপওয়ে নির্মাণ শুরু
প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৪৭
কর্ণফুলীতে পুনরায় মাল্টি চ্যানেল স্লিপওয়ে নির্মাণ শুরু
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রিন্ট অ-অ+

অনুমোদনের দীর্ঘ নয় বছর পর পুনরায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার ইছানগরের মৎস্য বন্দরে নির্মাণ করা হচ্ছে অ্যত্যাধুনিক মাল্টি চ্যানেল স্লিপওয়ে। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসির) অধীনে এটি একটি উন্নয়ন প্রকল্প।


২০১৩ সাল থেকে তিন ধাপে প্রকল্পটির কাজ বন্ধ থাকার পর বর্তমানে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে চট্টগ্রাম মৎস্য বন্দরে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে। পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান 'এ বারিক স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এন্ড এফএমসি জে বি' কোম্পানী।


তথ্য সূত্রে জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমসহ সারা বছর ছোট ও মাঝারি সাইজের জাহাজ, বার্জ, ট্রলার মেরামত ও ডকিং এবং জেটি ও পন্টুন নির্মাণ সুবিধার্থে দুই চ্যানেল বিশিষ্ট এ স্লিপওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।


এতে মাসে ৪টি বছরে ৪৮টি ট্রলার/জাহাজ ডকিং-আনডকিং ও মেরামত সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি চালু হলে চুক্তিভিত্তিক ৩৪ জন জনবলসহ প্রায় ৫৫০ জন দক্ষ-অদক্ষ জনবলের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের গ্রাউন্ট লেবেল সমতল করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট কাজ নির্মাণাধীন রয়েছে।


যদিও নদীর পাশে রির্টানিং ওয়াল তৈরির কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। অনেক জায়গায় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কাজটি পুনরায় ৮০ ফুট দৈর্ঘ্যর ও ৩১ ফুট উচ্চতায় নির্মাণ করার তাগিদ দিয়েছে বলে জানা যায়। এ মাল্টি চ্যানেল প্রকল্পে টু চ্যানেল স্লিপওয়ে, শীভ ব্লক তৈরি ও উইঞ্চহাউস নির্মাণ করার কথা রয়েছে।



এতে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় কতৃক প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ২৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে দেখা যায়, ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৪৪ টাকা। ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই ইছানগরে চট্টগ্রাম মৎস্যবন্দরে এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তৎকালীন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাস।


স্লিপওয়েটির নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এফএমসি ডক ইয়ার্ড লিমিটেডের এক মুখপাত্র বলেন, ‘দ্রুত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা হবে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের সব জাহাজ ও ট্রলারকে সময়মত ডকিং সুবিধা প্রদানের জন্য মাল্টিচ্যানেল স্লিপওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মিতব্য দুটি চ্যানেলে বছরে প্রায় ৫০/৬০টি ট্রলার/জাহাজ ডকিং মেরামত করা সম্ভব হবে।'



বিএফডিসি সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটি গত ২০০৯ সালের ১১ অক্টোবরে অনুমোদিত হয়। পুরা প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ছিল ৪২.৭৮ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকাল ছিল ২০১৭ পর্যন্ত। কিন্তু প্রকল্পের উপদেষ্টা এবং ওয়েট লেভেলের চ্যানেল নির্মাণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রাপ্তির বিলম্বের জন্য প্রকল্পটির বাস্তবায়ন যথাসময়ে সম্ভব হয়নি।


বিবার্তা/জাহেদ/কামরুল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com