সিলেটে হোটেল গুলশানে ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা একই সুতোয় গাঁথা
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২০, ২২:৫৬
সিলেটে হোটেল গুলশানে ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা একই সুতোয় গাঁথা
সিলেট প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

২০০৪ সালের ৭ আগস্ট সিলেটের হোটেল গুলশানে আওয়ামী লীগের সভায় গ্রেনেড হামলা এবং ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলা একই সুতোয় গাঁথা।


তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার লক্ষ্যেই এই হামলা চালিয়েছিল।


শুক্রবার (৭ আগস্ট) সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।


ভার্চুয়াল সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০০৪ সালের ৭ আগস্ট সিলেট তালতলাস্থ গুলশান সেন্টারে সিলেট নগর আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সভা শেষে সন্ধ্যার পর নেতারা বেরিয়ে আসলে সেখানে অতর্কিতভাবে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে নগর আওয়ামী লীগের তৎকালীন প্রচার সম্পাদক ইব্রাহিম আলী নিহত হন।


আহত হন নগর কমিটির বিভিন্ন পদে থাকা ২১ জন নেতা। তারা আজও নিজ দেহে বহন করে চলেছেন গ্রেনেডের স্প্রিন্টার। দেশব্যাপী সন্ত্রাস হামলা ও সিলেটের গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকায় হয়েছিল প্রতিবাদ সমাবেশ। ২১ আগস্টের বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সেই সভায় বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। সেই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমান সহ অসংখ্য নেতাকর্মী নিহত ও আহত হয়েছিলেন। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে সারাদেশে প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ, সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠানে জঙ্গিরা গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল এবং বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ধারার প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ক্ষমতা আজীবনের জন্যে কুক্ষিগত করতেই বিএনপি-জামায়াত জোট নৈরাজ্যজনক সন্ত্রাসবাদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জঙ্গিদের মদদ দিয়েছিল।


ভার্চুয়াল সভায় নেতৃবৃন্দ ২০০৪ সালের ৭ আগস্টের সিলেটের গুলশান সেন্টারে গ্রেনেড হামলায় নিহত ইব্রাহিম আলীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি গ্রেনেড হামলায় নিহত মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইব্রাহিম ও সাবেক মেয়র মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের রুহের মাগফেরাত কামনা ও করোনায় আক্রান্ত মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও তার সহধর্মিনীর সুস্থতা কামনা করা হয়।


সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।


২০০৪ সালের ৭ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট মফুর আলী, তুহিন কুমার দাস, অ্যাডভোকেট রাজ উদ্দিন, ফয়জুল আনোয়ার আলাওর, এটিএম হাসান জেবুল, তপন মিত্র, ফাহিম আনোয়ার চৌধুরী, মো. জুবের খান, জামাল আহমদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী, প্রদীপ পুরকায়স্থ, আজম খান ও আব্দুস সোবহান।


অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, বিজিত চৌধুরী, আজাদুর রহমান আজাদ, অ্যাডভোকেট গোলাম সোবহান চৌধুরী দিপন, সেলিম আহমদ সেলিম ও রাহাত তরফদার।


বিবার্তা/জাই

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com