দাড়িওয়ালারা কম হিংসুক হন
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১০:৩২
দাড়িওয়ালারা কম হিংসুক হন
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

দাড়ি নিয়ে কটা দুর্দান্ত তথ্য দিই, যেগুলো আপনাকে ভাবাতে পারে। আর ভাবতে গেলে, দাড়িতে হাত না বোলালে কী আর উপায় আসে?


● বিশ্বজুড়ে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, দাড়িওয়ালা লোকেরা হিংসুটে কম হয়। এঁদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে চর্চা করা যায়। এরা কখনই আপনার সঙ্গে তথাকথিত ‘ছ্যাবলামো’ করবে না। আর এরা শুরুতে মানুষের সঙ্গে মিশতে ইতস্তত বোধ করেন। কিন্তু একবার আপনার সঙ্গে মিশে গেলে, আপনি এই মেলামেশাটা উপভোগ করবেন। দাড়িটা এক্ষেত্রে ওই মানুষদের ব্যক্তিত্বকে চাদরে ঢেকে রাখার মতো একটা কাজ করে।


● বিজ্ঞানীরা অনেক পরীক্ষা করে মানুষের মনস্তত্ব দেখে বুঝেছেন, পুরুষ নিজে দাড়ি রাখতেই আগ্রহী। কিন্তু সে যখন তাঁর দাড়ি কেটে ফেলে, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাখ্যাটা থাকে কোনও মহিলাকে ‘ইমপ্রেস’ করা। কারণ, বেশিরভাগ মহিলারাই ছেলেদের মুখে দাড়ি না থাকাটাই পছন্দ করেন।


● যদি আপনি মুখে এক গাল দাড়ি রেখে ভেবে নেন আপনি জীবনে খুব বড়লোক হবেন, তাহলে আপনার জন্য খুবই খারাপ খবর। ফোর্বসের বিচারে বিশ্বের সব থেকে ধনী মানুষের যে তালিকা প্রকাশ হয় বছর-বছর, সেই তালিকায় ১০০ জনের মধ্যে গড়ে ৯৮ জনেরই মুখ একেবারে কামানো! আর দাড়ি রাখবেন? ভালো করে ভেবে দেখুন। কারণ, এটা পয়সার ব্যাপার বলে কথা!


● যদি আগের পয়েন্টটা পড়ে আপনার মন খুব খারাপ হয়ে যায়, তাহলে এই পয়েন্টটা অবশ্যই পড়ুন। এটা আপনার মন ভালো করে দেবে। ২০০৮ সালের পর থেকে সারা বিশ্বে মুখে দাড়ির ‘ট্রান্সপ্লান্ট’ ৬০০ শতাংশ হারে বেড়ে গিয়েছে! এর কারণ, ২০০৮ সালের পর থেকে সারা বিশ্বেই দাড়ি রাখার চল বেড়ে গেছে!


● মধ্যযুগে কোনও মানুষের দাড়িতে হাত দেয়া ছিল মারাত্মক অপরাধ। মনে করা হত, যে ব্যক্তির দাড়িতে হাত দেয়া হয়েছে, তাঁকে আসলে চূড়ান্ত অপমান করা হয়েছে। সমাজে দাড়িওয়ালা মানুষের মূল্য ছিল এতটাই। এই জন্য কঠোর শাস্তিও দেয়া হতো!


● সারা পৃথিবীর পুরুষ এবং মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে সমীক্ষায় দেখা গেছে, মানুষের বয়স বাড়লে তাঁর দাড়ি রাখাকে সমর্থন করেন ৮০ শতাংশের বেশি পুরুষ এবং মহিলা! কিন্তু যখন পুরুষের বয়স তুলনায় কম, তখন কিন্তু নারীরা বেশি করে দাড়ি রাখাটা অপছন্দই করেন।


● একজন মানুষ যিনি পৃথিবীতে ৬০ বছর বেঁচে থাকেন হিসেব করে দেখা গিয়েছে, সেই মানুষটা জীবনের প্রায় ৩৫০০ ঘণ্টা সময় নষ্ট করেছেন তাঁর দাড়ি কাটতেই! মানে গোটা জীবনের প্রায় ৬ মাস চলে গেল দাড়ি কাটতেই!


● আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন জীবনের শুরুর দিকে দাড়ি রাখতে পছন্দ করতেন না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তাঁকে একটি ছোট মেয়ে একদিন চিঠি লেখেন, ‘আপনি যদি দাড়ি রাখেন, আপনাকে দেখতে সুন্দর লাগবে।’ ব্যস, লিঙ্কন শুরু করেন দাড়ি রাখা।


● অনেকের ত্বকের অ্যালার্জি থাকে। সেক্ষেত্রে ওষুধের থেকেও তাঁর কাছে মূল্যবান হতে পারে দাড়ি। এমনটা বলেন ডাক্তাররাই। দাড়ি রাখা মানুষদের গালের ত্বক তুলনায় কোমল হয়।


● প্রাচীন মিশরে দাড়ির জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি ছিল যে মেয়েরাও দাড়ি রাখতেন। আসলে ধাতুর দাড়ির প্রচলন ছিল তখন মিশরে। মহিলারা সেই ধাতুর দাড়ি নিজেদের মুখে পড়তেন! মেয়েরা শুধু ছেলেদের পোশাক পরতেই আগ্রহী ছিল না। বরং, পুরুষের দাড়িও পছন্দ করতেন!


বিবার্তা/জিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (২য় তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com