পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার পেলেন সাত সাংবাদিক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০১৯, ১২:১১
পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার পেলেন সাত সাংবাদিক
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

এটুআই এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর যৌথ আয়োজনে বুধবার পিআইবি’র সেমিনার কক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ক রিপোর্টিংয়ের জন্য ৭ ক্যাটাগরিতে ৭ সাংবাদিককে পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার-২০১৮ দেয়া হয়েছে।


বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।


পিআইবি’র পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য সচিব আবদুল মালেক এবং এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী।


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিআইবি’র মহাপরিচালক জনাব জাফর ওয়াজেদ। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন জুরি বোর্ডের অন্যতম সদস্য ও ভোরের কাগজ-এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত।


পুরস্কার বিজয়ীরা হচ্ছেন জাতীয় সংবাদপত্র (বাংলা) ক্যাটাগরিতে দৈনিক শেয়ার বিজ এর প্রতিবেদক মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ, জাতীয় সংবাদপত্র (ইংরেজি) ক্যাটাগরিতে ঢাকা ট্রিবিউন এর প্রতিবেদক ইব্রাহিম হোসাইন, টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে বৈশাখী টেলিভিশন এর প্রতিবেদক জনাব বুদ্ধদেব কুন্ডু, আঞ্চলিক সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে দৈনিক গ্রামের কাগজ এর প্রতিবেদক উজ্জ্বল বিশ্বাস, বেতার ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ বেতার এর প্রতিবেদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, অনলাইন সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে রাইজিংবিডি ডট কম এর প্রতিবেদক রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং ফটোগ্রাফি ক্যাটাগরিতে ঢাকা ট্রিবিউন এর ফটোসাংবাদিক সৈয়দ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ীদের প্রত্যেককে ৭৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট দেয়া হয়।


তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয়, এটি এখন বাস্তবতা। তথ্য প্রযুক্তির দিক থেকে সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে, কোন কোন ক্ষেত্রে অনেক উন্নত দেশকেও ছাড়িয়ে গেছে।


তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা এখন শুধু শহরের গন্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রান্তিক মানুষের কাছেও পৌঁছে গেছে। মন্ত্রী প্রান্তিক পর্যায়ের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের গল্পগুলো আরো নিপুন হাতে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান।


মোস্তাফা জব্বার বলেন, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিক সেবাকে আরো সহজ ও দ্রুত করতে এ বছরের মধ্যে আমরা প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড কানেকশন পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতেও তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া পৌঁছে দিয়েছি। মন্ত্রী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার জোর প্রস্তাব করেন।


তিনি জানান, প্রচলিত ডাকঘর এর ধারণা পাল্টে আমরা এটিকে ডিজিটাল ডাকঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছি। তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার কথাগুলো সঠিকভাবে তুলে আনতে পারলে জনগণের মধ্যে একটা আস্থার জায়গা তৈরি হবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করেন।


এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত এবং স্বল্পমূল্যে সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটুআই কাজ করে চলেছে। এর ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে উপজেলা, জেলা, বিভাগ এবং মন্ত্রণালয়সহ সর্বত্র সমন্বিত ই-সেবা কাঠামো গড়ার কার্যক্রম চলছে, যেন যেখানেই সেবা তৈরি হোক না কেন, জনগণের জন্য স্বল্প সময়ে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়।


তিনি বলেন, এটুআইয়ের এ সকল উদ্যোগের ফলে সেবা গ্রহণে নাগরিকদের ৬৫ শতাংশ সময়, ৭৩% খরচ এবং ৫১ শতাংশ যাতায়াত হ্রাস পেয়েছে পাশাপাশি বাংলাদেশী নাগরিকদের প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা খরচ হ্রাস পেয়েছে।


পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়, পিআইবি ও এটুআই এর কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।


বিবার্তা/উজ্জ্বল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com