৬ তরুণের স্বপ্ন অনডিমান্ড সুপার অ্যাপ ‘আনুন’
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২০, ১৬:২৪
৬ তরুণের স্বপ্ন অনডিমান্ড সুপার অ্যাপ ‘আনুন’
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

দীর্ঘ ১ বছর ৪টি শহরে পাইলটিং শেষ করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো অনডিমান্ড সুপার অ্যাপ ‘আনুন’।


সারাদেশের ৩০টি শহর ও গ্রামীণ জনপদের মানুষের জন্য যাত্রা শুরু করলো ৬ তরুণের স্বপ্নের অনডিমান্ড সুপার অ্যাপটি।


মফস্বলকেন্দ্রিক ক্রাউডসোর্স ও এআইভিত্তিক অ্যাপটি বুধবার রাতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন আইসিটি বিভাগের আইডিয়া প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হক।


প্রধান অতিথি সৈয়দ মজিবুল হক আনুনের বেশ প্রশংসা করেন। সেই সাথে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, আনুনের গ্রোথ যদি বাড়তে থাকে তাহলে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ পেতে পারে। সেজন্য আনুনকে সেভাবে গড়ে তুলতে হবে। আনুন স্টার্টআপ বাংলাদেশ থেকে বিনিয়োগ পাওয়ার যোগ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি বলেন, আনুনকে দেশের প্রথম সারির স্টার্টআপ হিসেবে দেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সেই সাথে দেশের সেরা সেরা স্টার্টআপ ও তাদের প্রতিষ্ঠাতাদের নিরলস প্রচেষ্টার গল্প শোনানোর পাশাপাশি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এর তথ্য দেন এবং ফোর্থ টায়ার ডেটা সেন্টারের সর্বশেষ আপডেট এর পাশাপাশি দেশে অনেক ডেটা সায়েন্টিস্ট এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।


অতিথিদের মধ্যে স্টার্ট আপ বাংলাদেশ আইডিয়া প্রকল্পের স্টার্টআপ বাংলাদেশের কনসাল্টেন্ট দেওয়ান আদনান তার অভিজ্ঞতার আলোকে আনুনকে এমন কিছু পরামর্শ দেন যেন আনুন সত্যিকার অর্থে বাস্তবতাটা বুঝে তাদের সামনে আসা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারে।


হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর এজাজ উর রহমান সজল ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের স্টার্টআপ কালচার নিয়ে বেশকিছু গুণগত বিশ্লেষণ করেন। সেই সাথে বাংলাদেশের স্টার্টআপদের জন্য কিছু পরামর্শ দেন এবং আনুন এর জন্য বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে পরামর্শ দেন।


এসময় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মাদ শিবলী শাহরিয়ার ছাড়াও সংযুক্ত ছিলেন আনুন সিইও মাসুম আকন্দ সহ-উদ্যোক্তা দেবাশীষ সরকার তমাল, তানভীর ইসলাম, রেজাউল তানভীর তুহিন, হৃদয় কর্মকার ও ফাহামিদুর রহমান।


অনুষ্ঠানে ‘আনুন’ এর ১৭টি নতুন ফিচারের ঘোষণা করেন ‘আনুন’ এর সিইও মাসুম আকন্দ। সেই সাথে তিনি জানান কেন রাজধানীর মতো বিরাট মার্কেট ছেড়ে তারা বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে কাজ করছেন।


মাসুম বলেন, আমরা থিংক আউট অব দ্য বক্স-এর মতো চিন্তা করছি। ঢাকাতে সব সুবিধাই আছে, কিন্তু ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোকেও ডিজিটাল করতে হবে। আমরা জানি যেখানে আমরা কাজ শুরু করেছি সেখানকার মার্কেট এডুকেটেড না। তাই আমরা মার্কেট এডুকেটেড করতে চেষ্টা করছি। যেন ঢাকার বাহিরেও মার্কেট গ্রো করে।


সারাদেশের ৩০টি শহর ও গ্রামীণ জনপদগুলো হলো- টাঙ্গাইল, আশুলিয়া, সাভার, জয়পুরহাট, মির্জাপুর, মানিকগঞ্জ ও কেরানিগঞ্জসহ ঢাকার বাইরের ৩০টি শহর ও গ্রামীণ জনপদের মানুষ এই অ্যাপটি থেকে সেবা নিতে পারবে।


সব্জি, খাবার, ওষুধ, কৃষি উপকরণ, ই-শপ ছাড়াও অনুদান এবং পডকাস্টে শিক্ষার্থীদের অনুশীলন সুবিধা মিলিয়ে ১৩টি সেবা নিয়ে চালু হয়েছে কম ব্যান্ডউইথের এই অ্যাপটি।


আছে অ্যাম্বুলেন্স ও পার্সেলের ফ্রিল্যান্সার রাইডার সেবা। নগদ ও আনুন পে’র মাধ্যমেই চলবে সকল লেনদেন।


এছাড়াও অনুষ্ঠানে করোনা ভাইরাস এর জন্য প্রতিটি পার্টনারদের জন্য পৃথকভাবে ৩৫০০ টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ এর ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই সাথে সকল ফ্রিল্যান্সার রাইডারদের ইন্সুইরেন্স এর আওতায় আনার ঘোষণা দেওয়া হয়।



বিবার্তা/গমেজ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com