শিক্ষামন্ত্রীর কিছু মন্তব্য ও আমার কিছু কথা
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:৫৭
শিক্ষামন্ত্রীর কিছু মন্তব্য ও আমার কিছু কথা
ভূঁইয়া মো. ফয়েজউল্লাহ মানিক
প্রিন্ট অ-অ+

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার ভালোলাগা-ভালোবাসার স্থান। বস্তুত এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি আবেগের নাম ।


১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর এই অঞ্চলের যত অর্জন, যত ঐতিহাসিক মুভমেন্ট, হাতেগোনা ২/৪ টা বাদে বাকি সবই এই বিদ্যাপীঠকেন্দ্রিক। যখনই এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কোথাও কোনো রকম অপ্রীতিকর কথা শুনি, স্বাভাবিকভাবেই নিজের ভেতরে এক ধরনের খারাপ লাগা তৈরি হয়।


বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের অভ্যুদয় থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসও প্রাণের এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৫২'র ভাষা আন্দোলন, ৬২'র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান, ৭১এর স্বাধীনতা সংগ্রাম, ৯০'র স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ ২০০৭ সালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে ‘প্রগতিশীলদের ক্যান্টনমেন্ট’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোনো বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান - প্রায় সকল শিক্ষার্থীই একাত্ম থাকে।


একটি বিশেষ বিষয়ে দৃষ্টিপাত করতে আজ লিখতে বসেছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের একক ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অর্জনের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি জাতিকে স্বাবলম্বিতা অর্জনের জন্য পিতা মুজিবের স্বপ্ন ও পরিকল্পনাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে একদল উচ্ছৃঙ্খল সেনা অফিসার কর্তৃক তাঁকে হত্যার মধ্য দিয়ে, যা বিশ্ব ইতিহাসে অন্যতম একটি জঘন্য ও নিকৃষ্ট হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত। সেই কলঙ্কিত হত্যাকাণ্ডই প্রিয় বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন-অগ্রগতি থমকে দিয়েছিল। কারণ, পরবর্তীতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছিল তাদের প্রত্যেকেই দেশন্নোয়নে মনোযোগী না হয়ে কেউ ব্যক্তিগত আখের গুছিয়েছে, কেউ পবিত্র সংবিধানকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেছে, কেউ ইতিহাস বিকৃত করতে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকেই ব্যবহার করেছে।


১৯৮১ সালে মুজিবতনয়া শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর পুনর্বার আশার সঞ্চার ঘটে কোটি মুজিবভক্তের প্রাণে। পুনরায় এদেশের আপামর মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পায় এবং বহু আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে শকুনের ছোবল থেকে প্রিয় স্বদেশকে ছিনিয়ে এনে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো তাঁর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব সমর্পণ করতে সক্ষম হয়। প্রথমবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে ভেঙ্গেপড়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঢেলে সাজাতে নেত্রীর প্রাণান্তকর চেষ্টা বিমোহিত করে পুরো জাতিকে। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করার পর নেত্রীর দক্ষতা আর সাহস শুধু দেশের মানুষকেই নয়, পুরো বিশ্বকে আলোড়িত করে। এভাবে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় এক মাইলফলক জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর প্রিয় নেত্রী জন্ম দিয়েছেন এক বিস্ময়কর ইতিহাসের । বিশ্বের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ কিংবা প্রতাপশালী সকল সংস্থার কর্ণধাররা আজ নেত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ । ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ অর্জন করেছে অসংখ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা আজ বিশ্বে রোলমডেল হিসেবে বিবেচ্য ।


কিন্তু শুরু থেকেই সরকারের কিছু কর্তা ব্যক্তির বিভিন্ন সময়ে নানান বেফাঁস কথা একদিকে যেমন সরকারকে বিব্রত করেছে, পাশাপাশি দৃষ্টিকটু সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। আমরা দেখেছি প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে এককভাবেই শেষ পর্যন্ত এই পরিস্থিতিগুলোকে সামাল দিতে হয়েছে।


এরকম অনেকজনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ একজন। অথচ তাকে নিয়ে জাতির প্রত্যাশা কিন্তু অন্য যে কারো থেকে একটু বেশিই ছিল। অথচ এখন তার যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। কিন্তু তারা একটু দায়িত্বশীল হলে সরকারের সকল অর্জন আরও অনেক বেশি উজ্জ্বল হতো, পাশাপাশি যে সকল অযাচিত প্রশ্নের জন্ম হয়, সেগুলোও হতো না।


দায়িত্ব নেয়ার পর কয়েকবারই শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য এবং পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে অনড় অবস্থান (প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও) জোরালো বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। নিচে তথ্যসূত্রসহ কয়েকটি উল্লেখ করছি -


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ নয় : সংসদে শিক্ষামন্ত্রী


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা ‘কথিত কথা’বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।


তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হয়। এটা ‘কথিত কথা’। এর সত্যতা নেই। কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। লোকমুখে প্রচার হতে হতে এমনটি হয়েছে। (১১ ফেব্রুয়ারি,২০১৬; দৈনিক শিক্ষা)


নীলক্ষেতের ফুটপাতের বই থেকে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন : নাহিদ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষের শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ফুটপাত থেকে অখ্যাত লেখকদের বই কিনে তা থেকে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয় (২৬ অক্টোবর ২০১৬, বিবার্তা প্রতিবেদক) ।


পাবলিক পরীক্ষার (পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি/এইচএসসি) প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে পাওয়া প্রশ্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সাথে মিলে গেলেও মন্ত্রণালয় কিংবা প্রশাসন বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে। এতে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি শিক্ষার্থী/শিক্ষক/অভিভাবকদের ক্ষোভ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে ।


এর ফল হয়েছে এই যে, একজন সৎ মানুষ কিংবা বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী হিসেবে পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও কিংবা শিক্ষাক্ষেত্রে আশান্বিত হবার মতো নানান পদক্ষেপ নেয়ার পরেও সকল কিছু ম্লান হয়ে গিয়েছে তার বেফাঁস কথার দ্বারা। আর এগুলো শুধু সমালোচনা বা বিতর্কই শুধু জন্ম দেয়নি, ক্ষোভেরও জন্ম হয়েছে। যার কিছুটা টের পাওয়া যাবে নিচে উল্লেখিত সমালোচনাগুলো দ্বারা। যা পত্রিকার নিউজও ছিল।


১. প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে মন্ত্রণালয়ের অস্পষ্ট অবস্থানের কারণে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম হলে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মুহাম্মদ জাফর ইকবালও পত্রিকায় একটি আর্টিকেল লিখেন - ‘মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের ক্রিমিনাল বানাচ্ছে’ শিরোনামে (দৈনিক শিক্ষা, জুন ১৯, ২০১৬)।


২. সংসদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অনভিপ্রেত মন্তব্য করায় ডাকসুর সাবেক সাহিত্য সম্পাদক জাফর ওয়াজেদ ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১০ মার্চ শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন।


স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সনদ নেই। তিনি ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন, কিন্তু লেখাপড়ায় ঠনঠন। সনদ না থাকায় তাকে সিনেটের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট সদস্য করা যায়নি।’


জানা যায়, মন্ত্রী হওয়ার পর নূরুল ইসলাম নাহিদ তার জীবনীতে উল্লেখ করেছেন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত সংসদ সদস্যদের জীবন বৃত্তান্ত বইয়ে তিনি লিখেছেন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনী হলফনানায় তিনি নিজ হাতে লিখেছেন তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা বি এ। সিলেট এম সি কলেজ থেকে পাস করেছেন তিনি। গত বছর মুন্সীগঞ্জের এক অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন দূর্বত্তরা তার উচ্চশিক্ষার সনদ পুড়িয়ে ফেলেছে।


উল্লেখ্য, শিক্ষা সনদ হারিয়ে, পুড়ে, চুরি গেলে বা নষ্ট হলে থানায় জিডি করে পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সংশ্লিষ্ট বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে এক মাসের মধ্যে নতুন সনদ দেয়া হয়। মন্ত্রী কেন তার কথিত উচ্চশিক্ষার ‘দুর্বৃত্ত কর্তৃক পুড়িয়ে ফেলা’সনদটি তুলছেন না, তা কোটি কোটি পাঠকের কাছে এক বিরাট প্রশ্ন বটে। মন্ত্রী চাইলে তো দিনে দিনেই তার সনদটি তুলতে পারেন।


৩. ঢাকা বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে গত বছর প্রশ্ন তুলেছিলেন মন্ত্রী। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরাই সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রীর সকল গোমর ফাঁস করে দেন। মন্ত্রীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একধরনের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুমকি দেয়া হয়। এরপর দীর্ঘ সময় নূরুল ইসলাম নাহিদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সভা-সমাবেশে যোগ দিতে দেখা যায়নি।


সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র এবং শিক্ষার্থী নির্বাচন নিয়ে যে টাইপের অবান্তর কথা বলেছেন, এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি শুধু হতাশই হইনি, একই সাথে ভয়ংকর রকম বিস্মিত হয়েছি এবং বেসামাল ক্রোধান্বিতও হয়েছি। নীলক্ষেত থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে বই নিয়ে এসে নাকি ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি হয়। কথাটি শুধু হাস্যকরই নয়, বরং মন্ত্রীকেও অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে উপস্থাপন করে। আবার তিনি রাগ দেখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ওপর। কারণ, তাদের নাকি শিক্ষার্থী ফেল করানোই টার্গেট।


এসবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার প্রশ্ন : আপনার মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে পাবলিক পরীক্ষাগুলো হয়, সেগুলোতে কি একটি নির্দিষ্ট পাস মার্ক নির্ধারিত থাকে না ?


আপনার পাবলিক পরীক্ষার পাস মার্ক যেমন শতকরা ৩৩, ঠিক তেমনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ভর্তি পরীক্ষায় পাস মার্ক নির্ধারণ করা আছে। তাহলে আপনি এই অযাচিত মন্তব্য করে নিজেকেও বিব্রত করছেন পাশাপাশি দেশরত্নের সরকারকেও বিব্রত করছেন।


একজন মন্ত্রীর কাছ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এই মূহূর্তে শিক্ষামন্ত্রীর এতো মনোযোগ না দিলেও চলবে, বরং পাবলিক পরীক্ষার (পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি/এইচএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যে ভয়াবহ সমালোচনার জন্ম হয়েছে সেটাকে কিভাবে সমাধান করা যায় সেদিকে মনোযোগী হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। এতে তার প্রতি মানুষের যে আস্থা-বিশ্বাস ছিল সেটা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে এবং বর্তমান সরকারের সময়ে যে পরিবর্তন আর উন্নয়নের মাইলফলক তৈরি হয়েছে তা আরও সমুন্নত হবে ।


পরিশেষে শুধু এতটুকুই বলব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি আবেগের নাম। এই আবেগের বিষয়টি অন্য যে কোনো কিছু থেকে আলাদা। এখানে আঘাত করলে এমনও হতে পারে যে, একজন সাবেক ঢাবিয়ান হিসেবে আপনার ভেতরের সত্ত্বাই আপনার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যাবে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী।


লেখক : কার্যকরী সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ


বিবার্তা/মৌসুমী/হুমায়ুন

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com