ফখরুলের কাছে ভোট চাইলেন আতিক
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৩:৫৬
ফখরুলের কাছে ভোট চাইলেন আতিক
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে ভোট চাইলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।


মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাক্ষাৎকালে একে অপরের কুশলাদি বিনিময় করেন। এসময় মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আপনি তো উত্তরার ৪নং সেক্টরের বাসিন্দা। আপনার ভোট চাই। পরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি তো ঢাকায় ভোটার না।


মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বিএনপির অন্যান্য নেতাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের কাছেও ভোট চান উত্তরের মেয়র প্রার্থী আতিক। পরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন আতিকুল ইসলাম।


সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, গতকাল এখানে আমার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এসেছিলেন। আগামীকাল হয়তো অন্য কেউ আসবেন। আজ আমি এসেছি। একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে বলে আশা করছি।


রাজধানীতে ডেঙ্গুর বিস্তার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই মেয়র পদপ্রার্থী বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার আট দিনের মাথায় এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ড হয়। এর কিছুদিন পর ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করে। এই মহামারী ঠেকাতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। দুঃখের বিষয় হলো, সিটি করপোরেশনের কোনো কীটতত্ত্ববিদ নেই। আর যারা মশার ওষুধ ছিটান, তাদের টেককেয়ার করার লোক নেই। যেমন গার্মেন্টস সেক্টরে একটি প্রোডাক্ট তৈরির পর তার কোয়ালিটি মেইনটেইন করা হয়। কিন্তু সিটি করপোরেশনের সেটা ছিল না। আমি চেষ্টা করব, নির্বাচিত হলে এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়ার।


এসময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তার চাকরি যাওয়া প্রসঙ্গে আতিকুল বলেন, আমি একদিন সিটি করপোরেশনের মিটিংয়ে বলেছিলাম, হোল্ডিং ট্যাক্স মানুষ বাসায় বসে অনলাইনের মাধ্যমেই দিতে পারবেন। কিন্তু ওই কর্মকর্তা বলেছিলেন, ‘স্যার তা সম্ভব না।’ তখনই আমার সন্দেহ জাগে। আমি তার ফাইল খুঁজে বের করি। জানতে পারি, তিনি একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতা। আমি খবর নিয়ে জানতে পারি, ঢাকায় তার আট থেকে দশটি বাড়ি আছে। পরে তার ফাইল দেখে জানতে পারি আয়ের উৎস। হোল্ডিং ট্যাক্সের যে টাকা আসে, অর্ধেক টাকা নিজের পকেটে নিয়ে বাকি অর্ধেক সরকারি কোষাগারে দিতেন তিনি। আমি যখন তার চাকরি খেতে যাই, তখন অনেকে বলেছেন, ‘স্যার এটা আপনি পারবেন না।’ তখন বলেছি, আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব। প্রধানমন্ত্রী আমাকে যখন দায়িত্ব দিয়েছেন, তখন বলেছেন, ‘কালো চশমা পড়ো, আর আমার মোবাইল নম্বর রাখো। যেই দুর্নীতি করুক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’ পরে ওই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানাই। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ওয়েলডান বলে সামনে এগিয়ে যেতে বলেন। এটাই শেখ হাসিনার দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।


বিবার্তা/খলিল/জহির

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com