বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ভ্রমণ
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২২, ১৬:৫০
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ভ্রমণ
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ মোড়ের সন্নিকটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাংলাদেশের জাতীয় ও প্রধান জাদুঘর। জাদুঘরটির চারপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রমনা পার্ক ও চারুকলা ইন্সটিটিউটের অবস্থিত। বাংলাদেশ ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, জাতিতত্ত্ব, শিল্পকলা, প্রাকৃতিক ইতিহাস প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত সকল নিদর্শনাদি জাতীয় জাদুঘরের সংগ্রহে রয়েছে। এখানে নৃতত্ত্ব, চারুকলা, ইতিহাস, প্রকৃতি এবং আধুনিক ও প্রাচীন বিশ্ব-সভ্যতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি বিষয়ে সবলিমিয়ে আলাদা ৪৪টি প্রদর্শনশালা (গ্যালারি) রয়েছে। এছাড়া একটি সংরক্ষণাগার, গ্রন্থাগার, মিলনায়তন, সিনেস্কেইপ এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনালয় রয়েছে।


১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের ৭ আগস্ট ঢাকা জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৫ আগস্ট সর্বসাধারণের জন্য জাদুঘর উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ঢাকা জাদুঘরের প্রথম অস্থায়ী তথা সূচনাকালীন কিউরেটর বা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন এন গুপ্ত। প্রথম কিউরেটর নলিনীকান্ত ভট্টশালী ১৯১৪ থেকে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ব্রিটিশ সরকার এদেশে জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করে বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে। শাহবাগ এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জন্য একটি অত্যাধুনিক বৃহদায়তন ভবনের উদ্বোধন করা হয় ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বর। ঢাকা জাদুঘ্র থেকে নামকরণ হয় জাতীয় জাদুঘর।আট একর জমির ওপর নির্মিত চারতলা ভবনটির তিনটি তলা জুড়ে রয়েছে ৪৪টি গ্যালারি। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর স্থাপনার নকশা করেছেন দেশের প্রখ্যাত স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।


বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংগৃহীত নিদর্শনের সংখ্যা প্রায় ৯৪ হাজার। প্রতিটি নিদর্শনের একটি একসেশন নম্বর আছে। নিদর্শনের নাম, সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও ফটো নিয়ে কম্পিউটার ডেটাবেইস প্রণয়ন করা হয়েছে। এবং ৭৫০০ নিদর্শনের বর্ণনামূলক ক্যাটালগ প্রণয়ন ও প্রকাশ করা হয়েছে। সংগৃহীত নিদর্শনসমূহের প্রায় ৪ হাজার নিদর্শন ৪৫টি প্রদর্শন কক্ষে জনসাধারণের দর্শনের জন্য সাজিয়ে রাখা আছে। ৩৭ নম্বর প্রদর্শন কক্ষে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রদর্শনী প্রকোষ্ঠ করা হয়েছে। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংক ও দৃকের সহায়তায় ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন চিত্রশালা স্থাপন করা হয়েছে।


বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নিদর্শনাদির বিভাগগুলো হচ্ছে:


ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্পকলা


জাতিতত্ত্ব ও অলঙ্করণ শিল্পকলা


সমকালীন শিল্পকলা ও বিশ্বসভ্যতা


প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগ


সংরক্ষণ গবেষণাগার


এছাড়া রয়েছে জনশিক্ষা বিভাগ।



প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগ সূচনালগ্ন থেকেই ঢাকা জাদুঘরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। বাংলাদেশে স্বতন্ত্র কোনো প্রাকৃতিক ইতিহাস (Natural History) জাদুঘর নেই। তাই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকে জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করার কাজটি এ বিভাগকেই পালন করতে হয়। বর্তমানে এ বিভাগের মোট ১০টি প্রদর্শনী কক্ষ রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকে বিভিন্ন নিদর্শন ও ডিওরামার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগের গ্যালারিতে যেসব নিদর্শন উপস্থাপন করা হয়েছে, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাদেশের মানচিত্র, ভূপ্রকৃতি, বনজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ, গাছপালা, ফলমূল, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ প্রভৃতি। এছাড়াও বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক জীবজন্তুও এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।


ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্পকলা বিভাগ জাতীয় জাদুঘরের সবচেয়ে বড় বিভাগ। জাতীয় জাদুঘরের ৮৬ হাজার নিদর্শনের মধ্যে প্রায় ৬৮ হাজারই এ বিভাগের নিদর্শন। এ বিভাগের অধীনে রয়েছে ১১টি গ্যালারি, যেখানে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও ঐতিহাসিক দলিলপত্রের মাধ্যমে বাঙালি জাতির ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বিবর্তন উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিভাগের নিদর্শনের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক হলো মুদ্রা। প্রাচীন ও মধ্যযুগ এবং ব্রিটিশ আমলের প্রায় ৫৩,০০০ মুদ্রা এ বিভাগে সংরক্ষিত রয়েছে। কুষাণ, গুপ্ত, ময়নামতি স্বর্ণমুদ্রা এবং সুলতানী ও মুগল আমলের স্বর্ণ ও রৌপ্যমুদ্রা এ বিভাগের মূল্যবান ঐতিহাসিক নিদর্শন। এ বিভাগের অন্যান্য নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে পোড়ামাটির ফলক, ব্রোঞ্জ ও প্রস্তর ভাস্কর্য, প্রাচীন স্থাপত্যিক নিদর্শনসমূহ, শিলালিপি ও তাম্রলিপি, মৃৎপাত্র, পান্ডুলিপি, ঐতিহাসিক দলিলপত্র, কৃতিসন্তানদের ব্যক্তিগত স্মৃতি নিদর্শন, ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, অস্ত্রশস্ত্র ও আলোকচিত্র।


জাতীয় জাদুঘরের প্রধান আকর্ষণীয় দিক হলো প্রাচীন যুগের হিন্দু-বৌদ্ধ ভাস্কর্য। অলংকরণ ও কারুকার্যে এসব ভাস্কর্য সারা পৃথিবীতে অনন্য। এছাড়াও প্রাচীন ও মধ্যযুগের ভবনগাত্রের অলংকরণে ব্যবহূত বিভিন্ন ধরণের পোড়ামাটির ফলক বিশেষ করে মহাস্থান, ময়নামতী, পাহাড়পুর ও মধ্যযুগের মন্দির, মসজিদে ব্যবহূত অলংকৃত পোড়ামাটির ফলকগুলি এ বিভাগের গ্যালারির অন্যতম আকর্ষণীয় দৃশ্যপট।


তৃতীয় তলার ৩টি গ্যালারিতে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব গ্যালারিতে উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো ভাষা আন্দোলনের আলোকচিত্র ও দলিলপত্র, ৭ই মার্চের ভাষণের বৃহৎ আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধের পোস্টার, শরণার্থী শিবির ও গণহত্যার মর্মস্পর্শী আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্রশস্ত্র, অস্ত্র সমর্পণ ও দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্যাবলীর আলোকচিত্র, যা একটি সাহসী জাতির গৌরবময় ঐতিহাসিক উত্থানের সাক্ষ্য বহন করছে।


জাতিতত্ত্ব ও অলংকরণ শিল্পকলা বিভাগ জাতিতত্ত্ব বিভাগের অধীনে রয়েছে ১৬টি গ্যালারি, যেখানে বাঙালি জনগোষ্ঠীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনধারা ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত দ্রব্যসামগ্রী উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিভাগের সংগ্রহে সংরক্ষিত নিদর্শনাদির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী ও সামাজিক পেশাজীবী মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতি-নীতি ও প্রথা সংশ্লিষ্ট নিদর্শনাদি, দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত দ্রব্যসামগ্রী, গৃহনির্মাণ সামগ্রী, নৌকা, হাতিয়ার, অস্ত্রশস্ত্র, দারুশিল্পকর্ম, কারুশিল্পকর্ম, ধাতব শিল্পকর্ম, চীনামাটির শিল্পকর্ম, হাতির দাঁতের শিল্পকর্ম, সূচিশিল্পকর্ম, পরিধেয় বস্ত্র ও অলংকার সামগ্রী, নকশি কাঁথা, বাদ্যযন্ত্রসমূহ ইত্যাদি। কামার, কুমার, জেলে, কৃষক, গ্রাম্য হাট বাজার, জনজীবন ও আদিবাসী সংস্কৃতির উপর নির্মিত কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন ডিওরামা এ বিভাগের গ্যালারির আকর্ষণীয় দিক। দৃষ্টিনন্দন দারুশিল্পকর্ম যেমন অলংকৃত ও কারুকার্য খচিত খাট, পালকি, কাঠের বেড়া, আসবাবপত্র ও ঢেঁকি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন জাদুঘর পরিদর্শনকারী দর্শকগণের আনন্দ ও কৌতুহলের উৎস। রুপার উন্নত তারজালিক শিল্পকর্ম এবং হাতির দাঁতের শীতলপাটি, সোনা-রূপার অলংকার সামগ্রী একটি উন্নত জাতির সংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে।



এ বিভাগের গ্যালারিতে বেশ কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শনও উপস্থাপন করা হয়েছে, যেগুলির মধ্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলো, নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও টিপু সুলতানের তরবারি, সিরাজউদ্দৌলার কার্পেট, শেরশাহ ও ঈসা খার কামান, আকবরের সময়ের নাকাড়া বা যুদ্ধের ঢাক ও বর্ম ইত্যাদি।


সমকালীন শিল্পকলা ও বিশ্বসভ্যতা বিভাগ এ বিভাগে রয়েছে ৭টি গ্যালারি, যেখানে দেশি-বিদেশি সমকালীন শিল্পকর্ম ও বিশ্ব সংস্কৃতির নিদর্শনাদি উপস্থাপন করা হয়েছে। জাতীয় জাদুঘরের আর্ট গ্যালারি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। দেশের বরেণ্য শিল্পীদের শিল্পকর্ম দিয়ে এসব আর্ট গ্যালারি সাজানো হয়েছে। আর্ট গ্যালারির শুরু হয়েছে বাংলাদেশের শিল্পকলা চর্চার পথিকৃৎ জয়নুল আবেদীনের শিল্পকর্ম দিয়ে। ১৯৪৩ সালের দূর্ভিক্ষের উপর জয়নুল আবেদীনের অাঁকা চিত্রকর্ম দুর্ভিক্ষের বাস্তবচিত্র সম্পর্কে দর্শকদের ধারণা দেয়। এছাড়াও জেলে জীবন, বেদেদের জীবন, বিদ্রোহী, প্রকৃতি ও গ্রাম্য জনজীবনের উপর আঁকা জয়নুল আবেদীনের বিভিন্ন শিল্পকর্ম দর্শকদের অনুভূতিকে নাড়া দেয়। আর্ট গ্যালারির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে শিল্পী এস.এম সুলতান, কামরুল হাসান ও ভাস্কর নভেরার শিল্পকর্ম। বিশেষ করে এস.এম সুলতানের শিল্পকর্মে গ্রামীণ জনজীবন অত্যন্ত চমৎকার, নান্দনিক ও সুচারুরূপে প্রতিফলিত হয়েছে। আর্ট গ্যালারির শিল্পকর্মে সমকালীন বাংলার প্রকৃতি, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনচিত্রের প্রতিফলন ঘটেছে।


জাতীয় জাদুঘরের চতুর্থ তলায় আয়োজন করা হয়েছে বিশ্বসভ্যতা গ্যালারি। প্রাচীন মিশর, মেসোপটেমীয়, সিন্ধু, গ্রিক, রোমান, পারস্য সভ্যতার কোনো নিদর্শন অবশ্য এখানে নেই। সে কারণে বিশ্বসভ্যতা গ্যালারি পূর্ণতা লাভ করে নি। তবে রেনেসাঁ যুগ থেকে আধুনিক ইউরোপীয় বিখ্যাত শিল্পকর্মের মূল ও অনুকৃতি উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববরেণ্য কৃতিসন্তানদের প্রতিকৃতি নিয়ে একটি বড় গ্যালারির আয়োজন করা হয়েছে, যা দর্শকদের বিশ্বমনীষীদের সম্পর্কে ধারণা দেয়।
এছাড়াও জাদুঘরের চতুর্থ তলায়


চতুর্থ তলায় রয়েছে বিদেশি সংস্কৃতিভিত্তিক কয়েকটি আকর্ষণীয় কর্নার। এসব কর্নারগুলির মধ্যে রয়েছে ইরানীয় কর্নার, সুইজারল্যান্ড কর্নার, কোরীয় কর্নার, চাইনিজ কর্নার ইত্যাদি। এসব কর্নারে ঐসব দেশের শিল্পকর্ম, ভাস্কর্য, বাদ্যযন্ত্র, চীনামাটির ও ধাতব শিল্পকর্ম এবং সর্বোপরি দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য দ্রব্যসামগ্রী উপস্থাপন করা হয়েছে।


সংরক্ষণ রসায়নাগার ১৯৭৫ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অনুদানে ঢাকা জাদুঘর কর্তৃপক্ষ একটি সংরক্ষণ রসায়নাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এসময় দুজন সহকারী রসায়নবিদ নিয়োগ দিয়ে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয়। প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফেরার পর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক দ্রব্যাদি আমদানির মাধ্যমে রসায়নাগার স্থাপনের কাজ শুরু হয়। জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সংরক্ষণ রসায়নাগারটিও জাতীয় জাদুঘরের বর্তমান ভবনে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীকালে জাপান সরকরের অনুদানে সংরক্ষণ রসায়নাগারটি পুনরায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক দ্রব্য দ্বারা সুসজ্জিত করা হয়। নিদর্শনে মরিচা, প্যাটিনা ধরা, ব্রোঞ্জ ডিজিস, পোড়ামাটির ফলকের লবণাক্ততা, স্মৃতিস্তম্ভ, কাপড়, কাগজ, বাঁশ, বেত ও কাঠের সামগ্রীর উপর ছত্রাক ও কীটের আক্রমণ প্রভৃতি নিরাময় ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ রসায়নাগারটি কাজ করে থাকে। এ বিভাগ নিদর্শন সংরক্ষণ সংক্রান্ত গবেষণা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিদর্শন সংরক্ষণ বিষয়ে পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি ওয়ার্কশপ, সেমিনার এবং বিশেষজ্ঞ বক্তৃতারও আয়োজন করে থাকে।



জনশিক্ষা কার্যক্রম জাতীয় জাদুঘরে রয়েছে একটি জনশিক্ষা বিভাগ, যা দেশের জনগণকে ঐতিহ্য সচেতন করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রকাশনা, ডিসপ্লে, ফটোগ্রাফি, শ্রুতিচিত্রণ, গ্রন্থাগার ও অডিটোরিয়াম শাখা নিয়ে জনশিক্ষা বিভাগ কার্যক্রম পরিচালনা করে।


খোলা থাকার সময়


এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর – শনি-বুধ: ১০.৩০-৫.৩০ অপরাহ্ণ


অক্টোবর থেকে মার্চ – শনি-বুধ: ০৯.৩০ পূর্বাহ্ণ -৪.৩০ অপরাহ্ণ


রমজান শনি-বুধ: ০৯.৩০ পূর্বাহ্ণ -০৩.০০ অপরাহ্ণ


শুক্রবার বিকেল ৩.০০ থেকে রাত ০৮.০০ পর্যন্ত


প্রবেশ মূল্য


বাংলাদেশী নাগরিক: ২০ টাকা


সার্ক দেশগুলির নাগরিকদের:২০ টাকা


অন্যান্য বিদেশী নাগরিক: ১০০ টাকা


তবে বিভিন্ন জাতীয় দিবসে, যেমন—পয়লা বৈশাখ, ২৬ মার্চ, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভৃতি দিনে শিশু ও ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ।


কীভাবে যাবেন


গুলিস্তান বা ঢাকার যে কোন বাসে করে শাহবাগ চলে আসুন। শাহবাগ মোড়ের দক্ষিণপশ্চিম পাসেই জাতীয় জাদুঘর।


বিবার্তা/এসবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com