চর কুকরী-মুকরীতে পর্যটকের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা অপ্রতুল
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১২:১২
চর কুকরী-মুকরীতে পর্যটকের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা অপ্রতুল
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

দ্বীপ জেলা ভোলার সাগরকূলের চর কুকরী-মুকরীর সবুজ বন, সাগরের নির্মল বাতাস, চিত্রা হরিণের ছুটে চলার সাথে অতিথি পাখির জলকেলির অপরূপ দৃশ্য মুগ্ধ করে প্রকৃতি প্রেমীদের। এসব দেখতে শীতের শুরু থেকেই চর কুকরীতে ভিড় করছেন দেশ-বিদেশের পর্যটক। তবে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা। ছুটির দিনগুলোতে একমাত্র রেস্টহাউজে ঠাঁই হয় না অনেকের। তবে শিগগিরই সমস্যা সমাধান করে আকষর্ণীয় পর্যটন এলাকা গড়ে তোলার কথা জানিয়েছে বনবিভাগ।


ঘন বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়ায় সরুখাল হয়ে যখন পর্যটকদের নৌকা-ট্রলার ছুটে চলে তখন মন হারিয়ে যায় সবুজের রাজ্যে। আর সবুজের বুক চিরে এগিয়ে গেলেই সাগরতীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে নারিকেল বাগান, তাড়ুয়া বিচসহ অসংখ্য ডুবোচর। এসব চর থেকে পূর্ব-পশ্চিমে তাকালেই মনে হয় সাগর পাড়ের শুভ্রসাদা মেঘ আর দিগন্ত বিস্তৃত আকাশ আলিঙ্গন করছে। এর মাঝে অতিথি পাখির জলকেলি ভ্রমণ পিপাসুদের মন কেড়ে নেয় কিছু সময়ের জন্য।


তবে এখানে এসে ব্যস্ত জীবনে প্রশান্তির ছোঁয়া লাগলেও যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হয় পর্যটকদের।


সম্প্রতি সাহিত্যিক আড্ডা আর চড়ুইভাতি করতে ঢাকা থেকে দেশি-বিদেশি আড়াইশ' কবি, লেখক, শিল্পী সাহিত্যিক আসেন চর কুকরী-মুকরীতে। এখানকার প্রকৃতি আর নৈসর্গিক সৌন্দর্যে তারা মুগ্ধ হলেও পর্যটকদের জন্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর দাবি তাদের।


কলকাতার কবি গৌতম চৌধুরী বলেন, পর্যটকদের যা যা লাগে তার একটু ব্যবস্থা করলে ভালো হয়।


সাপ্তাহিক পূর্বাপর সম্পাদক হাসান মাহমুদ বলেন, চর কুকরী মুকরী ভোলার কন্যাস্বরূপ, এই কন্যাকে দেখার জন্যই তার ভাইয়েরা এখানে বারবার ফিরে আসেন।


থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা অপ্রতুল উল্লেখ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যোগাযোগসহ পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।


আর ইকোপার্ক নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করাসহ পর্যটনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কাজ করার কথা জানালেন বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হলেই একটা সমৃদ্ধ ইকো পার্ক আপনারা দেখতে পারবেন।


জেলা সদর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে সাগারের কোল ঘেঁষে ৮০০ বছরের পুরনো দ্বীপ কুকরী-মুকরীর সৌন্দর্য দেখতে এ মৌসুমে প্রায় ২৫ হাজার পর্যটক এসেছেন।


বিবার্তা/জাই


থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা অপ্রতুল উল্লেখ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যোগাযোগসহ পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।


আর ইকোপার্ক নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করাসহ পর্যটনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কাজ করার কথা জানালেন বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হলেই একটা সমৃদ্ধ ইকো পার্ক আপনারা দেখতে পারবেন।


জেলা সদর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে সাগারের কোল ঘেঁষে ৮শ' বছরের পুরনো দ্বীপ কুকরী-মুকরীর সৌন্দর্য দেখতে এ মৌসুমে প্রায় ২৫ হাজার পর্যটক এসেছেন।

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com