স্বাধীনতার অপর নাম বঙ্গবন্ধু
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০১৮, ২০:০৮
স্বাধীনতার অপর নাম বঙ্গবন্ধু
ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ
প্রিন্ট অ-অ+

২৬ মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার সেনারা নিরীহ বাঙালির প্রতি যে বর্বর গণহত্যা চালিয়েছিল, সেই মৃত্যুর বিভীষিকা থেকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল দেশের মুক্তিপাগল বীরসন্তানরা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে অস্ত্র কাঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল রণাঙ্গনে। আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। ডাক এসেছিল দেশকে হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার। এই মার্চ মাস এলেই সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা খুবই মনে পড়ে।


আমি দেখেছি, কীভাবে রক্তস্নাত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। ২৫ মার্চ রাতে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে গ্রেফতার হওয়ার আগেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে নিরস্ত্র বাঙালিরা যেভাবে একটি সুশৃঙ্খল অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল, পৃথিবীর ইতিহাসে তার দৃষ্টান্ত বিরল। বাংলাদেশ যে মুক্তিযুদ্ধের দিকে ধাবিত হবে, সে বোধ তৈরি হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্যে দিয়ে। তার ভাষণ শোনার পর কোনো বাঙালির মনেই আর দ্বিধা রইল না। সেদিন থেকেই সারাদেশের মানুষ প্রস্তুতি নিতে থাকল স্বাধীনতার জন্য। সে ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা তাই প্রত্যাশিত ছিল। সেদিন থেকে এ দেশের মুক্তিকামী মানুষ মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে অংশ নিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে। পাকিস্তানের বিমাতাসুলভ বৈষম্যের সম্পর্কে যাদের কখনো কোন ধারণা ছিল না, গ্রামের সেই খেটে খাওয়া দিন মজুর কৃষক তারাও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। মুক্তিসংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার অগণিত মানুষ। যারা সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি, তারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার দিয়ে, আশ্রয় দিয়ে, বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছিল।


কুমিল্লার জেলার হোমনা থানার মানুষের মাঝে সেদিন আমি স্বাধীনতার যে দৃঢ়তা ও শক্তি দেখেছি তা ভাষায় লিপিবদ্ধ করে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মার্চের ২৬ তারিখ গণহত্যা চালানোর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানিসেনারা ঢাকার কর্তৃত্ব গ্রহণের পর সারাদেশে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কাজে রত হয়ে পড়ে।


২৬ মার্চের কায়দায় বড় বড় জেলায় ও মহকুমায় প্রবেশ করতে থাকে। এছাড়া কিছু কিছু শহর ও থানাগুলোও তাদের দখলে নিয়ে যায়। ফলে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুক্তিযোদ্ধারা। মে মাসের শেষ দিকে আমার বন্ধু আমিন, খুখুসহ কয়েকজন ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে প্রথমে পঞ্চবটি তারপর বাতাকান্দি বাজারে মুসলিম লীগ নেতা বারেক ডাক্তারের চেম্বারে গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে বারেক ডাক্তার মারাত্মক আহত হয়। আর দু’জন লোক চেম্বারের ভেতরেই মৃত্যুবরণ করে। এ হামলার ফলে হোমনাতে মুক্তিযোদ্ধারা আছে জেনে পাকিস্তানিবাহিনীর সেনারা আসতে পারে- এ ধারণা থেকে মুক্তিযোদ্ধারা হোমনা লঞ্চঘাটের রাস্তায় গ্রেনেড পুঁতে রাখে। পাকিস্তানিসেনারা অগ্রগামী হিসেবে সাধারণ জনগণকে আগে হাঁটায়, সেজন্য গ্রেনেড বিস্ফোরণে সাধারণ জনগণ আহত হয়। তারপর হোমনা থানার সিও অফিসের বাংকার করে পাকিস্তানিসেনারা শান্তি কমিটির সহায়তায় আশপাশের গ্রামে মেয়েদের ওপর অত্যাচার, বাড়িঘর পোড়ানো, গরুছাগলসহ মূল্যবান দ্রবাদি লুটপাট শুরু করে।


জুলাইয়ের শেষদিকে পাকিস্তানিবাহিনী আামদের এলাকার জয়পুর গ্রামে তিতাস নদী দিয়ে লঞ্চযোগে প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা সশস্ত্র আক্রমণ চালায়। আক্রমণে টিকতে না পেরে পাকিস্তানিবাহিনী দ্রুত মাছিমপুরের দিকে চলে যায়। পরে পাকিস্তানিবাহিনী জগন্নাথকান্দি মাথাভাঙ্গার হিন্দু জেলেপাড়ায় প্রবেশ করে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ দেড় শতাধিক লোককে হত্যা করে। লাশগুলো নদীতে ভাসতে থাকে। মুসলিমপাড়ার দেলোয়ার মাস্টার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলে তার বাবা হোরা মিয়াকে (ডাক নাম) পাকিস্তানিবাহিনী গুলি করে মেরে ফেলে। একের পর এক হামলার ফলে স্থানীয় লোকজন জীবনরক্ষার ট্রলারে করে বিক্রমপুর হতে ভারতের যাওয়া পথে হোমনার পাকিস্তানিবাহিনী দুইশ’ নারীপুরুষকে আটক করে, তাদেরও হত্যা করে।


১ অক্টোবর সকাল ১০টায় পাকিস্তানিসেনারা মিরশ্বিকারী ও ভবানীপুর গ্রামে বাড়িঘরে আগুন দিয়ে লুটপাট শুরু করলে ওপারচর গ্রাম থেকে মুক্তিযোদ্ধারা মর্টারশেল নিক্ষেপ করে। হামলায় পাকিস্তানিসেনারা টিকতে না পেরে হোমনা থানার ফিরে আসে। এর পরদিন রাতে ইব্রাহিম কমান্ডারের নেতৃত্বে হোমনা থানার আক্রমণ করলে বাহের খোলার খোরশেদ এবং হারুন নিহত হয়। আমার ২ ব্যাচ সিনিয়র আলী আহম্মদ (যুগ্ম-সচিব) গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতের ফলে অর্ধেকটা আঙ্গুল কেটে ফেলা হয়। এতে ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা আহত এবং ৩০ জন রাজাকার ধরা পরে।


২ নভেম্বর পাকিস্তানিবাহিনী জয়পুর গ্রামে প্রবেশ করে ব্যাপক লুটপাট ও বাড়িঘর পোড়ায়। তারা গরুছাগল, হাঁসমুরগি জবাই করে খেয়ে বিকালের দিকে আবাইত্তা (তিতাস নদীর শাখা) নদী দিয়ে গান বোটের ছাদে উল্লাস করে যাওয়ার পথে ইব্রাহিম কমান্ডারের নেতৃত্বে মনির, কাদের, মোশারফ, তাজুল ইসলামসহ আরো অনেকে মিরাশ, শ্যামনগর ও পঞ্চবটির বট গাছের নিচে থেকে আক্রমণ করে।


এতে পাকিস্তানিবাহিনীর অনেক সেনা মৃত্যুবরণ করে। কিন্তু একটানা যুদ্ধ করায় অনেকের গুলি শেষ হয়ে যায়। ফলে তাদের প্রতিরক্ষার অবস্থান নাজুক হয়ে পড়ে। অসীম সাহসী মনিরের গুলি ছিল। একাই সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানিবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন। এক পর্যায় মনির মাথার উঁচু করলে তাদের একটা গুলি তার মুখের ভেতর দিয়ে মাথায় লাগে। সঙ্গে সঙ্গে সে শহীদ। ২ দিন যুদ্ধ চলে। দ্বিতীয় দিনে ঢাকা থেকে পাকিস্তানির গানবোট এসে জীবিত ও মৃত্যু সেনাদের নিয়ে যায়।


১৫ ডিসেম্বর ফজরের নামাজের পর বাঞ্ছারামপুরের অবস্থানরত চার শতাদিক পাকিস্তানিবাহিনী হোমনা থানায় ঘাগুটিয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মসজিদের মধ্যে প্রবেশ করে বাংকার করে শক্ত অবস্থান নেয়। এ খবর মুক্তিবাহিনী অবগত হলে দুই শতাদিক মুক্তিযোদ্ধা দুলালপুর চন্দ্রমনি উচ্চ বিদ্যালয়ে একত্রিত হয়ে পাকিস্তানিবাহিনীকে দুই দিক থেকে একদিকে রামপুর, নুরালাপুর, উত্তরে শেখ আলমের বাগ দিয়ে অন্যদিকে সাপলেজী অতিক্রম করে ছোট ঘাগুটিয়ার উত্তর দিক থেকে অতর্কিত সাড়াশি আক্রমণ করে। সরাসরি যুদ্ধে পাথালিয়াকান্দির অলেক মিয়া শহীদ হন এবং ১৭ জন আহত হন। এর মধ্যে কমান্ডার ইব্রাহিমের ঊরুতে গুলি লাগে। হানাদার বাহিনীর অনেকে নিহত ও আহত হয়। যার সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। কৌশলগত কারণে মুক্তিবাহিনী পিছিয়ে তিন দিক থেকে বাংকার করে পজিশন নিয়ে পাকিস্তানিবাহিনীকে অবরুদ্ধ করে রাখে। সময় সময় পাকিস্তানিবাহিনী গুলি ছুড়লে মুক্তিবাহিনীও পাল্টাগুলি ছুড়ে অবস্থানের কথা জানান দেয়। এতে অনেক সৈন্য নিহত ও আহত হয় যা পাকিস্তানিবাহিনীর আত্মসমর্পণকালে জানা যায়। ১৮ ডিসেম্বর ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট থেকে মিত্র বাহিনীর তিনজন সৈন্য মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে এসে হানাদার বাহিনীকে ওয়ারলেসের মাধ্যমে আহ্বান জানান আত্মসমর্পণ করার জন্য। হানাদার বাহিনী মিত্রবাহিনী হিসেবে তাদের বিশ্বাস করেনি। যার জন্য পাকিস্তানিবাহিনী আত্মসমর্পণে রাজি হয়নি।


পাকিস্তানিবাহিনী মনে করেছিল মুক্তিবাহিনীর হাতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের মেরে ফেলা হবে। ২৩ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর সদস্যরা পুনরায় তিনটি ট্যাংক নিয়ে আসে। হানাদারবাহিনীতে পুনরায় ওয়ারলেসের মাধ্যমে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। পাকিস্তানিবাহিনী এতেও রাজি না হওয়ার মিত্রবাহিনী ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণসহ সরাসরি আক্রমণ করে। এ আক্রমণের কারণে হানাদার বাহিনীর বিশ্বাস জন্মে যে তারা মিত্রবাহিনীর লোক। মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের সম্মত হয়ে তারা ঘাগুটিয়া গ্রাম থেকে বাহির হয়ে আসে। ১৮১ জন জীবিত ও আহত হানাদার সদস্য আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের পরে অবশিষ্ট হানাদার বাহিনীর সদস্যরা ঘাগুটিয়াতেই মৃত্যুবরণ করে।


আত্মসমর্পণের পর মিত্রবাহিনী পাকিস্তানি সৈন্যদের ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়। এরপর হতে ২৩ ডিসেম্বরকে হোমনা মুক্তদিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। উপজেলার চম্পক নগর, ঘাগুটিয়া, নিলখী বাজার, দুলাল বাজার-হোমনা সদর ও পঞ্চবটি প্রভৃতি জায়গায় সংঘটিত পাকিস্তানিবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের একাধিক লড়াইয়ে ২৩জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং ২৪জন আহত হন। তাছাড়া পাকিস্তানিবাহিনী বর্তমান হোমনা ডিগ্রি কলেজের পাশে বহুসংখ্যক নারী, পুরুষ ও শিশুকে জীবন্ত কবর দেয়। গনেশ নাথের পুকুর পাড়ে কারো হাত, কারো খুলি মাটির নিচ থেকে বের হয়েছিল। এ স্থানটি বধ্যভূমি হিসেবে বিবেচনা করে স্মৃতিস্তম্ভ করা দরকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার মা ভাত, মাংস, ডাল প্রভৃতি রান্না করে দিলে আমরা এ খাবার মাথায় করে ৪ মাইল দূরে ঘারমোড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে পৌঁছে দিতাম। ক্যাম্পে আমার বন্ধু করিম, নাজিমউদ্দিনসহ অনেকের সঙ্গে গ্রেনেড ব্যবহার ইত্যাদি নিয়ে নানা অভিজ্ঞতার কথা আলোচনা করতাম। আমাদের গ্রামের মিজান, বেলাল, আউয়াল, তমিজ উদ্দিন, মতিন, হায়েত আলী ও হক মিয়া (সামসুল হক), রূপসদি-বেলানগর থেকে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিয়েছে। শুনলাম তাদের নাম নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হচ্ছে।


একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, বিশ্বেও ছিল সাড়া জাগানো একটি ঘটনা। শুধু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়নি। এ জন্য দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ এ পথপরিক্রমায় বঙ্গবন্ধু দুঃসাহসিক ভূমিকা পালন করেন। মৃত্যুকে তুচ্ছ ভেবে তিনি এগিয়ে গেছেন অবিচল চিত্তে। এ জন্যই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ। ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’, ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’, ‘বাঙালির স্বাধিকার’, ‘জয় বাংলা’, ‘মুক্তিযুদ্ধ’, ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’- যাই বলি না কেন এগুলোর অপর নাম ‘বঙ্গবন্ধু’। লাল-সবুজের পতাকায় তিনি হয়ে আছেন চিরস্মরণীয়। আজ বিশ্বব্যাপী যেখানেই মুক্তির সংগ্রাম, সেখানেই অনুপ্রেরণা বঙ্গবন্ধু। তার নির্ভেজাল স্বদেশী চিন্তা-চেতনা থেকে তারা শিক্ষা নেন।


হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা লাভ ও বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মৌলিক ধারণা ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা, শোষণহীন সমাজ গঠন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা। যে নীতি অনুসরণ করে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগিয়ে চলছেন। নতুন প্রজন্মকে বলছি- ইসলামের ধারণা সম্পূর্ণই নিহিত রয়েছে গঠনতন্ত্রে এবং শোষণহীন সমাজ গঠনের সব উপাদান রয়েছে সেখানে। শুধুমাত্র সঠিকভাবে অনুধাবনের মাধ্যমে আমাদের একটি বৈষম্যহীন শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করতে হবে।


দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে ঐক্যবদ্ধভাবে আরো শক্তিশালী এবং সব ষড়যন্ত্রকারীকে প্রতিহত করব- এটাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।


লেখক: ভাইস-চ্যান্সেলর, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়


বিবার্তা/মৌসুমী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com