‘আগস্ট ছাত্র অভ্যুত্থানের দুঃসহ অথচ গৌরবময় স্মৃতি’
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০১৯, ১৫:২০
‘আগস্ট ছাত্র অভ্যুত্থানের দুঃসহ অথচ গৌরবময় স্মৃতি’
বাপ্পাদিত্য বসু
প্রিন্ট অ-অ+

সেনাসমর্থিত অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের শুরু থেকেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের স্লোগান বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। কিন্তু এর আড়ালেই রাজনীতিবিরোধী অভিযানের চক্রান্তটি ক্রমেই ছাত্রসমাজ ও জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


আর গণতন্ত্র হরণকারী ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আসল রূপটি অনুধাবিত হওয়ায় ক্রমশ গণতন্ত্রকামী মানুষের ভেতর গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাটি তীব্রতর হতে থাকে। বিশেষত ছাত্র আন্দোলনের উপর ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাঙ্গনে বিরাজ করছিলো চাপা ক্ষোভ। এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামেও স্থাপিত হয়েছিলো সেনাক্যাম্প। এটি ক্ষোভের মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে তোলে।


২০০৭ সালের জুলাই মাস থেকেই দেশে শোনা যায় সিডর-পরবর্তী বন্যার পদধ্বনি। এর আগে দেশে যতোবার বন্যা বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে, ছাত্ররাই সাধ্যমতো দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেবারের বন্যায় ছাত্র সংগঠনগুলোকে ন্যূনতম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা পর্যন্ত করতে দেয়া হয়নি। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো ত্রাণ কাজ পরিচালনা করতে গেলেও নানা ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা তাদেরকেও বিরক্ত করে তোলে। এতে ক্ষোভের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসনও বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে নির্লজ্জভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ঐতিহ্যকে পদদলিত করে সেনাবাহিনী তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদলেহন করতে থাকে।


২০ আগস্ট ২০০৭। বিকালে জিমনেসিয়ামের খেলার মাঠে চলছিলো গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের মধ্যে ফুটবল খেলা। গ্যালারিতে সমর্থক ছাত্রদের উল্লাসে বাধা দিয়ে সেনাসদস্যরা বরং তাদের লাঞ্ছিত করে। ধরে নিয়ে গিয়ে জিমনেসিয়ামের ভিতর তাদের নির্যাতন করা হয়। প্রতিবাদ করতে গেলে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকেও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে সেনাসদস্যরা। এ খবর সারা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়তে একটুও দেরি হয় নি।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর সেনাবাহিনীর এই আঘাত আগুন জ্বেলে দেয় ছাত্রদের চেতনায়। মুহূর্তেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ক্যাম্পাস জুড়ে। ছাত্ররা একের পর এক মিছিল বের করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে। ওইদিন রাতের আগেই বিদ্রোহের আগুন দাবানল জ্বালে। ছাত্ররা মিছিল নিয়ে ধাবমান হয় এমনকি সেনাক্যাম্পের দিকেও। আর তখনই সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অঙ্গুলি হেলনে ক্যাম্প ইন চার্জ এর প্রত্যক্ষ নির্দেশে সেনাবাহিনী ছাত্রদের দমনের অপচেষ্টা করে এই বিক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। আর সেখানে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুগত পুলিশ বাহিনীও চড়াও হয় ছাত্র মিছিলে। ক্ষোভের মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে তোলে তাদের আক্রমণ।
বিশ্ববিদ্যালয় নামক স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানটিকে সেনাবাহিনী নামক আরেকটি প্রতিষ্ঠানের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়। আর বাংলাদেশের ইতিহাস বলে- ছাত্রসমাজ কোনোদিনই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সেনাশাসন মেনে নেয়নি।


ক্রমেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে থাকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে। আর সাথে সাথে পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর উস্কানিমূলক তৎপরতার কারণে রাতভর চলে সংঘর্ষ। ওইদিনের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে পরদিন ২১ আগস্টেও। সকাল থেকেই শাহবাগ, নীলক্ষেত, দোয়েল চত্বর, পলাশী এলাকা দিয়ে পুলিশী আক্রমণ চলতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর।


পূর্ব থেকেই গণতন্ত্রপিপাসু ছাত্রসমাজ অগণতান্ত্রিক শাসনের অর্গল ভেঙ্গে গণতন্ত্রের চিৎকার দেয়ার যে অপেক্ষায় ছিলো, এবার আসে সেই পালা। নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক বন্ধ্যাত্বের কারাগার ভেঙ্গে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রথম সজোর চিৎকার ছিলো ঐতিহাসিক ও গর্বের সেই আগস্ট ছাত্র অভ্যুত্থান। সে চিৎকারেই ফাটল ধরেছিলো অগণতান্ত্রিক শাসনের সিংহাসনে।


সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন ফিরে আসার পথ এবার উন্মুক্ত হলো। ছাত্র বিক্ষোভের মিছিলে উচ্চারিত হলো- ‘জরুরি অবস্থা তুলে নাও, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দাও’, ‘ব্যারাকের বাহিনী, ব্যারাকেই ফিরে যাও’, ‘রক্তে কেনা গণতন্ত্র, রক্ত দিয়েই ফেরাবো’, ‘অবৈধ সেনাশাসন, ছাত্রসমাজ লাথি মারে’...। এই আন্দোলন কেবলমাত্র সাধারণ কোনো ছাত্র আন্দোলন হয়েই থাকেনি, বরং সার্বিকভাবে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এক বৃহৎ ও মর্যাদাসম্পন্ন ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান হয়ে ওঠে।


এ আন্দোলন ছিলো সম্পূর্ণরূপে একটি রাজনৈতিক সংগ্রাম। অরাজনৈতিক নামধারী যে বিরাজনীতিকীকরণের এক ভিন্ন রাজনীতির ফসল ১/১১, তার বিরুদ্ধে ছাত্রদের সচেতন প্রতিবাদ, প্রতিরোধ।


২১ আগস্ট বিক্ষোভ চলে সারাদিন জুড়ে। বিক্ষোভের মুখে এদিন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র থেকে সেনা ক্যাম্প সরিয়ে নিলেও ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আনাগোনা ও অবৈধ তৎপরতা ছাত্রদের বিক্ষোভ আরো উস্কে দেয়। তাছাড়া সারাদিন ধরেই পুলিশ বাহিনী ছাত্রদের উপর লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ছুড়ে চড়াও হয়। শত শত ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়।


ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে সেখানে ডিজিএফআই-সহ গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা আহতদের তালিকা তৈরি করে এবং পরবর্তীতে তাদের নামে মামলা দায়েরসহ অন্যান্য হয়রানিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের হুমকি দেয়। এসব ঘটনা বিক্ষোভের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়।


২২ আগস্টও সারাদিন বিক্ষোভ সংঘটিত হয়। এদিন বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ঢাকার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। রাজশাহীতে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন দশমারী এলাকার রিকশাচালক আনোয়ার (৩৫)।


২২ আগস্ট সন্ধ্যা থেকে কারফিউ দিয়ে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সকল বিভাগীয় শহরের কলেজগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের আরেক নির্মম অধ্যায়। কারফিউ ঘোষণার পরপরই শুরু হয় নিপীড়ন। এতো স্বল্প সময়ের মধ্যে ছাত্ররা বিশেষ করে ছাত্রীরা হল ত্যাগ করতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়েন। এরই মধ্যে সেনাবাহিনী, ডিজিএফআই, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনী ছাত্রদের গ্রেফতার করা শুরু করে। ক্যাম্পাস থেকে বের হবার পথগুলোতে, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, কাঁঠালবাগান, আজিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মেস থেকে ধরে নিয়ে অসংখ্য ছাত্রকে নির্যাতন করা হয়।


রাজধানীর বাস টার্মিনাল, ট্রেন স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ছাত্রদের আইডি কার্ড পরীক্ষা করে তাদের গ্রেফতার ও নির্যাতন করা হয়। বিভিন্ন জেলায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ছাত্রদের নির্যাতন করা হয়। তাদের না পেলে তাদের মা-বাবাসহ পরিবারের লোকজনকে নির্যাতন করা হয়।


২৩ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে রাতের বেলা শিক্ষকদের কোয়ার্টার থেকে চোখ বেঁধে শিক্ষকদের আটক করে অজানা স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এ যেন আরেক পাকিস্তানের পুনরাবৃত্তি। আটককৃত ছাত্রদেরকেও এ রকম অজানা স্থানে নিয়ে গিয়ে চরম শারীরিক-মানসিক নির্যাতন করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকেও একইভাবে আটক করে নির্যাতন করা হয়। সারাদেশে মোট ৮২ হাজার ছাত্রের নামে মামলা করা হয়।


ছাত্ররা বাধ্য হয়ে রাগে-দুঃখে-ক্ষোভে এবং বাঁচার প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় আইডি কার্ডটি পর্যন্ত ফেলে দেয় নর্দমায়। কারণ ওই কার্ড তাদের জন্য অমানুষিক নির্যাতন বয়ে আনে। এরপর দীর্ঘ ৬৬ দিন পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হয়। প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো ভেতরে ভেতরে ছাত্র-শিক্ষক মুক্তি আন্দোলনের প্লাটফরম তৈরি করে। এক ঐতিহাসিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সূচনা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।


রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে এ আন্দোলনও ছিলো স্বতঃস্ফূর্ত। ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক মুক্তির আন্দোলন অব্যাহত থাকে। শিক্ষকরাও এ আন্দোলনে সামিল ছিলেন। এ আন্দোলন ছিলো শান্তিপূর্ণ, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় নামক মুক্তচেতনার অবিনশ্বর প্রতিষ্ঠানের উপর সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ়চেতা যুথবদ্ধ মুক্তির লড়াই।


এ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এক পর্যায়ে ছাত্র-শিক্ষকদের মুক্তি মেলে। কিন্তু সে অধ্যায়টিও কম লজ্জার নয়- অনেক নাটক সাজানোর পর। সাজানো আদালতে সাজানো বিচারে প্রথমে শাস্তি দেয়া হয় ছাত্র-শিক্ষকদের। পরে তাদের দিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে সাজা মওকুফ করে তাদের কারাগার থেকে ছাড়া হয়। ২০০৮ সালের ২২ জানুয়ারি শিক্ষকদের এবং পরদিন ২৩ জানুয়ারি ছাত্রদের মুক্তি দেয়া হয়।


সামরিক বাহিনীর আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রপতির কাছে ছাত্র-শিক্ষক তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের এভাবে ক্ষমা চাওয়া ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদার জন্য চরম অবমাননাকর। জরুরি অবস্থার অবসানের পরে অবশ্য ছাত্র-শিক্ষকরা উচ্চ আদালতে আপিল করে ওই সাজানো বিচারের শাস্তির কলঙ্ক থেকে মুক্তি পান। অন্যান্য মামলাগুলোর মধ্যে যেগুলোর রায় সে সময়ে হয় নি- সেগুলো থেকে মুক্তি পেতে ছাত্রদের অনেক বেশি কাঠখড় পোড়াতেও হয়েছে।


আগস্ট অভ্যুত্থানের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এসএমএ ফায়েজ দেশে ছিলেন না। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য (উপ-উপাচার্য) অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার এবং তার সহযোগী প্রশাসনিক কর্তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা দরকার। উপাচার্য দেশে ফিরে আসার পরবর্তীতে তার ভূমিকাও প্রশ্নমুক্ত নয়।


এমনকি পরবর্তীতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব যে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিলো (এর প্রধান ছিলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও তৎকালীন সহকারী প্রক্টর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, বর্তমানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য), তার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা দরকার। ড. কলিমউল্লাহ’র বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই এই তদন্ত কমিটি কখনও গ্রহণযোগ্য হয় নি, হবেও না। তাছাড়া ওই কমিটির রিপোর্ট আজও পর্যন্ত প্রকাশ করা হয় নি।


হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, ওই কমিটি তার রিপোর্ট তদানিন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পেশ করে। কিন্তু ওই কমিটির রিপোর্ট বা সুপারিশের আংশিক প্রকাশ পেলেও তা পূর্ণাঙ্গ আকারে আজও প্রকাশ করা হয় নি। যেটুকু প্রকাশিত হয়েছে, তাতে করে ওই তদন্ত কমিটিও বিতর্কের উর্ধে থাকতে পারেনি।


পরবর্তীকালে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ওই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে। তারা সংসদে ওই তদন্ত রিপোর্ট উত্থাপনও করে। কিন্তু ওই রিপোর্টের উপর গণতান্ত্রিক সংসদেও কোনো আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় নি। এবং তদন্ত কমিটির সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হয় নি। আশঙ্কা করি, ওই সুপারিশমালা বাস্তবায়িত না হলে দেশে সুযোগ পেলেই আবারো কখনো না কখনো সেই ধরনের অগণতান্ত্রিক শাসন চেপে বসতে পারে। সেটা কাম্য নয় আমাদের কারো।


লেখক: সাধারণ সম্পাদক, ইয়ুথ ফর ডেমোক্রেসি এন্ড ডেভেলপমেন্ট; তৎকালীন আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।


বিবার্তা/শারমিন

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com