ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু
প্রকাশ : ২২ মে ২০১৯, ০৯:৪০
ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ঘরমুখো মানুষের পরিবহনের জন্য রেলের আগাম টিকিট বিক্রি বুধবার থেকে শুরু হয়েছে।


কমলাপুরসহ ঢাকার পাঁচটি জায়গা থেকে এই টিকিট দেয়া হচ্ছে। বুধবার সকাল ৯টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রি শুরু হয়।


প্রথমদিন দেয়া হবে ৩১ মে’র টিকিট। ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৬ মে যথাক্রমে আগামী ১, ২, ৩ ও ৪ জুনের টিকিট দেওয়া হবে। ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ৫ জুন ধরে এই সূচি তৈরি করা হয়েছে।


ফিরতি টিকিট বিক্রি ২৯ মে শুরু হয়ে ২ জুন পর্যন্ত চলবে। ২৯ মে দেয়া হবে ৭ জুনের, ৩০ মে দেয়া হবে ৮ জুনের, ৩১ মে দেয়া হবে ৯ জুনের, ১ জুন দেয়া হবে ১০ জুনের এবং ২ জুন দেয়া হবে ১১ জুনের ফিরতি টিকিট।


রেলপথমন্ত্রী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম সুজনের ১০টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।


প্রথমবারের মতো এবার অঞ্চল ভেদে ভিন্ন পাঁচ জায়গায় টিকিট বিক্রি করায় দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুরের চিরচেনা রূপ নেই। এবার কমলাপুরে টিকিট কিনতে এসেছেন শুধু রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের যাত্রীরা।


রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেলের এই অগ্রিম টিকিট বিক্রি বুধবার থেকে শুরু হয়ে ২৬ মে পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই টিকিট বিক্রি করা হবে।


রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবারই প্রথম অগ্রিম টিকেট ঢাকা স্টেশন, বিমানবন্দর, বনানী, তেজগাঁও স্টেশন এবং ফুলবাড়িয়া থেকে বিক্রয় করা হবে।


ঈদুল ফিতরের অগ্রিম টিকিট বিক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় টিকিট বিক্রয়ের রুট সমূহ হচ্ছে : কমলাপুর স্টেশন: সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেন ভায়া যমুনা সেতু, বিমানবন্দর স্টেশন: চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সকল আন্তঃনগর ট্রেন, তেজগাঁও স্টেশন: ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী সকল আন্তঃনগর ট্রেন, বনানী স্টেশন: নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন, ফুলবাড়িয়া স্টেশন (পুরাতন রেলভবন): সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী সকল আন্তঃনগর ট্রেন।


প্রতিদিন ঢাকায় প্রায় ২৭ হাজার টিকিট দেয়া হবে, যার অর্ধেক পাওয়া যাবে মোবাইল অ্যাপস থেকে। বাকি অর্ধেক সংগ্রহ করতে হবে কাউন্টার থেকে। তবে স্পেশাল ট্রেনের কোনো সিট মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে না।


ঈদের পাঁচদিন আগে ৩১ মে থেকে রেলওয়েতে ট্রেনের কোনো ডে-অফ থাকবে না। ফলে ৪৮টি বিশেষ ট্রিপ পরিচালিত হবে।


রেলপথমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রেলভবনে ঈদুল পবিত্র ফিতর উপলক্ষে রেলওয়ের প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, টিকিট কালোবাজারী প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ এবং র‌্যাবের সহযোগিতায় টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে।


তিনি বলেন, টিকিট কালোবাজারি রুখতে ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। ঈদের আগে ও পরে মালবাহী ট্রেন বন্ধ থাকবে।


ঈদ উপলক্ষে ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ঈদের দিন চালু থাকবে শোলাকিয়া স্পেশাল–১ ও শোলাকিয়া স্পেশাল–২ ট্রেন দুটি।


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com