‘ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা থাকা স্বাভাবিক’
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:১৬
‘ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা থাকা স্বাভাবিক’
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হবে কি হবে না, সে চিন্তা আরো পরে করা হবে।


তিনি বলেন, যদি আইন হয়, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া সম্ভব হয় এবং আইন প্রণয়ন, অংশীজনের সমর্থন ও সক্ষমতা অর্জনসহ পরিবেশ অনুকূলে থাকলেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।


রাজধানীর আগারগাঁয়ে সোমবার নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।


সিইসি বলেন, রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলে ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা বা জানার আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক। কারণ আমরা এটির ব্যবহার, উপকারিতা সম্পর্কে এখনো তাদের জানাতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে তারা সব জানতে পারবেন।


তিনি বলেন, যে কোনো উদ্যোগ, নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি তা জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটা আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি। যারা ভোট দেবেন বা ট্যাক্স হোল্ডারদের টাকা অপচয় হবে কিনা, এটা জানতে চাইবেন এটা স্বাভাবিক।


তিনি আরো বলেন, ইভিএম নিয়ে আমরা এখন প্রস্তুতিমূলক অবস্থানে রয়েছি। এখন এটা আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ব্যাপার। ইভিএম ব্যবহার হবে কিনা সেটা আইন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভার আলোচনা হবে।


নূরুল হুদা বলেন, সরকার আর সংসদ যদি মনে করে তাহলে সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে। আর সবকিছু ঠিক থাকলে আমরা যতটুকু সম্ভব ততটুকু ইভিএম ব্যবহার করবো। আমরা র‌্যানডম ভিত্তিতে এটার ব্যবহার করবো। যদি ২৫টি আসনে ব্যবহার করি, তা পূর্ব থেকে নির্ধারণ করবো না। এটা র‌্যানডম ঠিক করবো।


ইভিএম কেনার বিষয়ে সিইসি বলেন, ইভিএম কেনার বিষয়ে আমাদের কোনো তহবিল থাকবে না। এটা অর্থমন্ত্রণালয় ও সরকার দেখবে। এ বিষয়ে আমরা চিঠি দিয়ে ও অর্থমন্ত্রণালয়ে মিটিং করে জানিয়েছি।


তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নির্ভর করবে আইন কানুন, প্রশিক্ষণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমর্থনের ওপর।


নূরুল হুদা বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই আমরা এখন সব তথ্য আদান-প্রদান করতে পারি।


বিদ্যমান ভোটিং ব্যবস্থার সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাজার রকমের জিনিসপত্রের প্রয়োজন হয়। চিন্তায় থাকতে হয় কেন্দ্রে পৌঁছানোর সময় ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়ে যাবে কিনা। প্রযুক্তির ব্যবহার হলে এসব জিনিসপত্রের প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া, নির্বাচন পরিচালনায় ৭০ ভাগ খরচ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য। ইভিএমে এই খরচ কমে আসবে।


কর্মশালায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com