ডিসিদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৫৮
ডিসিদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন প্রতিরোধসহ সংক্রমণ রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


বুধবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের পঞ্চম অধিবেশনে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। অধিবেশন শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


তিনি বলেন, ওমিক্রন এসেছে। খুব বেশি ছড়াচ্ছে। ডিসিরা আগে যেমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, আগের মতো এখনো সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলা পর্যায়ে যাতে সব কার্যক্রম পরিচালিত হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।


কে এম আলী আজম বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য হাসপাতাল করতে তিনটি বিভাগ থেকে প্রস্তাব পেয়েছি। বিভাগীয় পর্যায়ে হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা এটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছি, এর কার্যক্রম চলমান আছে।


জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অংশ নেয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, ইউএন মিশনের বিষয়টি নির্ভর করে যে দেশে ইউএন মিশন যাবে এবং সেখানে ইউএন-এর পক্ষ থেকে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে। যেসব দেশের লোকজন ইউএন মিশনে বেশি কাজ করেন, সেসব দেশের লোকজন এই সুযোগ-সুবিধাগুলো পান। যাতে করে আমরা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে পেতে পারি সেজন্য আমাদের যে স্থায়ী প্রতিনিধি আছেন তার কাছে এবং আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


একই অনুষ্ঠানে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে ডিসিদের। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী এসব নির্দেশ দেন। সম্মেলন থেকে বের হয়ে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে দুই মন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বিষয়গুলো তুলে ধরেন।


বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সামনে রমজান মাস শুরু হচ্ছে। কিছু পণ্যের দাম আমরা ঠিক করে দেই। সেগুলো কঠোরভাবে তদারকি করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের শক্ত ভূমিকা নিতে হবে। প্রয়োজনে নিতে হবে আইনগত ব্যবস্থা। কুরবানির সময় চামড়া কেনাবেচার বিষয়টি তদারকি করতে হবে। কেউ যাতে দাম থেকে বঞ্চিত না হন।


‘ডিসিদের ওপর আমরা অনেক বিষয়ে নির্ভর করি। পণ্যসামগ্রী মফস্বল থেকে আসার সময় যাতে চাঁদাবাজির শিকার না হয়- তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এতে পণ্যের দাম বাড়ে, কৃষক এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মধ্যস্বত্বভোগী যাতে কমিয়ে আনা যায়, কৃষক যাতে ন্যায্য দাম পায়- এসব ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তেল, ডাল, চিনি আমদানি করতে হয়। পেঁয়াজের উৎপাদন এবার ভালো। এ ছাড়া ভারত থেকেও সরবরাহ হচ্ছে। ফলে দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে পেরেছি।’


এর আগে ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, সার চোরাচালান বন্ধে মনিটরিং জোরদারে জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের কাছ থেকে অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে সার নিতে না পারে তা মনিটর করতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ডিলাররা সার মজুত করেছিল। আমরা তাদের নিয়ে মিটিং করি। দেশে যে সার উৎপন্ন হয় তা যথেষ্ট নয়, এ জন্য আমদানি করতে হয়। আমাদের টার্গেট ‘ফুলফিল’ হয়েছে। এখন বাফার স্টকও আছে। ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই। সারে সরকার ভর্তুকি দেয়।


মন্ত্রী বলেন, সারের মজুত ঠিক আছে কিনা এবং সঠিকভাবে তা বিতরণ হচ্ছে কিনা- ডিসিরা তা দেখবেন। যেসব ডিলার অন্যায় কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।


বিবার্তা/আবদাল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

পদ্মা লাইফ টাওয়ার (লেভেল -১১)

১১৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,

বাংলামোটর, ঢাকা- ১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2021 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com