বইমেলায় ছয়দিনে নতুন বই এসেছে ৫ শতাধিক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৯:৫৯
বইমেলায় ছয়দিনে নতুন বই এসেছে ৫ শতাধিক
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ছয়দিনে ৫ শতাধিক নতুন বই প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে কবিতার বই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। তারপরই রয়েছে শিশুতোষ গ্রন্থ। এর পরের অবস্থানে রয়েছে উপন্যাস এবং ছোট গল্প।


মেলায় ষষ্ঠদিনে ৬ ফেব্রুয়ারি ৫৩৬টি নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে । ২ ফেব্রুয়ারি ৫৫টি, ৩ ফেব্রুয়ারি ১২০, ৪ ফেব্রুয়ারি ১১১ ও ৫ ফেব্রুয়ারি ১১৬টি নতুন বই প্রকাশ পেয়েছে। বই প্রকাশের ব্যাপারে প্রকাশকরা জানান, মেলায় সবসময়ই প্রথম সপ্তাহেই চার ভাগের এক ভাগ বই আসে। এবার ষষ্ঠতমদিনের মাথায় ৫ শতাধিক এসেছে। প্রকাশনার এই গতি সন্তোষজনক।


বাংলা একাডেমির স্টল থেকে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বাংলা একাডেমির স্টলে সর্বাধিক ৭৬টি নতুন বই এসেছে। প্যাভিলিয়ন দেয়া বড়মাপের প্রকাশনা সংস্থাগুলোর স্টলেও বিশ-পঁচিশ ভাগ নতুন বই এসেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে সৃষ্টিশীল প্রকাশনা সংস্থার স্টলগুলোতেই নতুন বই বেশি এসেছে।


অন্য প্রকাশের স্বত্ত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ছয়দিনে ৫ শতাধিক বই খুবই উল্লেখযোগ্য ব্যাপার। গতবারও পাঁচদিনে এতো বই মেলায় আসেনি। তিনি বলেন, বই আসছে প্রতিদিন। হয়তো অনেক বই তালিকায় আসছে না। আমার মনে হয় নতুন বই ৭শ’ ছাড়িয়ে গেছে।


আগামী প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী ওসমান গণি বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন বই এসেছে। এর মধ্যে অসংখ্য মূলবান গ্রন্থও প্রকাশ পেয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ওপর আমাদের স্টলে নতুন পাঁচটি বই এসেছে। সব মিলে এ পর্যন্ত আমরা ৩৩টি নতুন বই প্রকাশ করেছি।


অন্বেষা প্রকাশনের স্বত্ত্বাধিকারী শাহাদাত হোসেন জানান, তারা ১৮টি নতুন বই এনেছেন। হুমায়ুন আহমেদের পুরনো বইগুলো সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান।


ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের শিশুতোষ বই ‘হালুম’ প্রকাশ করেছে পাল পাবলিশার্স। দু’দিন ধরে এই বইটিও ভালো বিক্রি হচ্ছে বলে স্টল থেকে জানালেন বিক্রেতা আহমেদ হায়দার। তিন জানান, দুইদিন ধরে পাঠকরা ভিড় করছে বইটি কেনার জন্য। বইটিতে সাকিব তার ছোটবেলার বেশকিছু ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন।


মঙ্গলবার মেলার মুলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘অশ্বিনী কুমার দত্ত : জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনা সভা। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বদিউর রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ। আলোচনায় অংশ নেন কবি আসাদ চৌধুরী, লেখক সৈয়দ বদরুল আহসান, ড. জালাল আহমেদ ও মনিরুজ্জামান।


সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ বলেন, ভাষাপ্রেমী ও ভাষাসৈনিক অশ্বিনী দত্ত কুমারের সাহিত্যসমগ্র বর্তমান প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরা প্রয়োজন। এই জ্ঞানী ও মেধাবী সন্তান মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করে গেছেন।
কবি আসাদ চৌধরী বলেন, ভাষা আন্দোলনে জেলা পর্যায়ের ইতিহাস এখনও পুরোপুরি গ্রন্থ আকারে আসেনি। এ দৈন্যতা দূর করা প্রয়োজন। দুই-চারটে জেলার ইতিহাস বিক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ পেয়েছে মাত্র। এ ব্যাপারে গবেষণার কাজও বাড়ানো দরকার।


বিবার্তা/নুর

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com