জার্মানিতে রেস্তোরাঁয় খানাপিনা ও খাওয়ার নিয়ম
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:৪৪
জার্মানিতে রেস্তোরাঁয় খানাপিনা ও খাওয়ার নিয়ম
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

অন্য অনেক দেশের মতো জার্মানিতেও রেস্তোরাঁয় খাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। রেস্তোরাঁয় জার্মানরা কী খেতে ভালোবাসেন, কিংবা ভুল খাবার পরিবেশন করা হলে কী হয় অথবা খাবার অপচয় রোধ করতে কী পদক্ষেপ নেয়া হয় - এরকম অনেক কিছুই আমাদের জানা নেই। আজ আসুন, তার খানিকটা জেনে নেয়া যাক।


০১. পিৎসা ও পাস্তা
এক সমীক্ষায় জানা যায়, জার্মানরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ইটালীয় খাবার পিৎসা ও পাস্তা। জার্মানির ভুর্টসবুর্গ শহরের এলিফান্টেন গাছে প্রথম সেই ১৯৫২ সালে পিৎজারিয়া বা পিজা রেস্তোরাঁ খোলা হয়। তবে সে সময় সেখানে যাঁরা খেতে যেতেন, তাঁদের বেশিরভাগই ছিলেন অ্যামেরিকান সৈন্য।


০২. অনলাইনে অর্ডার
পিৎসা, সুশি কিংবা মেক্সিকান - যে খাবারই হোক না কেন, আজকাল অনলাইনে সব ধরনের খাবারের অর্ডার দেয়ার প্রবণতা বাড়ছে। ২০১৫ সালের এক সমীক্ষায় এর সংখ্যা ছিলো আনুমানিক ৬০ লাখ। তবে ২০২১ সালে এই সংখ্যা ২০০% ভাগ বেড়ে এক কোটি ৮০ লাখ হবে বলে জানিয়েছে জার্মান পরিসংখ্যান পোর্টালক।


০৩. শিশুরাও কেনা খাবার বেশি খায়
শিশুদের মধ্যেও সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার বাড়িতে খাওয়ার প্রবণতা ২০০৫ থেকে ২০১৫-এর মধ্যে অনেক কমে গেছে। কনজিউমার্স চয়েস-এর এক সমীক্ষা থেকে জানা যায় এ কথা।


০৪. কারণ, পেশাজীবী মায়ের সংখ্যা বাড়ছে
কিন্তু শিশুদের মধ্যেও এ প্রবণতা? দেখা গেছে, আগের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি মা পেশাজীবী। তাই রান্নাবান্নায় দেয়ার মতো সময় তাঁদের কমে গেছে। আর এ কারণেই অনেক শিশুকে দু’বেলাই বাইরের কেনা খাবার খেতে হচ্ছে।


০৫. ভুল খাবার পরিবেশ করলে যা হয়
আপনি রেস্তোরাঁয় যে খাবারটি অর্ডার দিয়েছেন তার পরিবর্তে কি অন্য কোনো খাবার আপনাকে দেয়া হয়েছে? এমন হলে যদি আপনি সাথে সাথেই ওয়েটারকে তা জানিয়ে দেন, তাহলে আপনাকে নতুন করে আপনার অর্ডার অনুযায়ী খাবার দেয়া হবে।


০৬. পরে অভিযোগ করে লাভ নেই
আর যদি কিছু না বলে ভুল খাবার চুপচাপ খেয়ে নেন এবং পরে সে কথা জানান বা অভিযোগ করেন, তাহলে কিন্তু কোনো লাভ হবে না।


০৭. আইনি অধিকার
আর হ্যাঁ, যদি কোনো রেস্তোরাঁয় অর্ডার দেয়ার দেড় ঘন্টা পরে খাবার পরিবেশন করা হয়, তাহলে দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে বিলের ৩০% কম মূল্য আপনি পরিশোধ করতে পারেন। জার্মানিতে এটা ক্রেতার আইনসঙ্গত অধিকার।


০৮. অপচয় না করে পেট ভরে খান
অন্যান্য অনেক দেশের মতো জার্মনিতেও এমন অনেক রেস্তোরাঁ রয়েছে যেগুলোতে লেখা থাকে ‘অল ইউ ক্যান ইট’, অর্থাৎ আপনি যত খুশি তত খান, বিল কিন্তু একই থাকবে। এ ক্ষেত্রে খাবার যাতে নষ্ট না করা হয় সেজন্য জার্মানির কিছু রোস্তোরাঁয় খাবার টেবিলেই লেখা থাকে, ২০০ গ্রামের বেশি খাবার নষ্ট বা প্লেটে রেখে দিলে তার জন্য নির্ধারিত অংকের ইউরো জরিমানা দিতে হবে। সূত্র : ডয়চে ভেলে


বিবার্তা/হুমায়ুন/মৌসুমী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com