অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরও বাড়াতে হবে : আরিফুর রহমান দোলন
প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৭, ১৭:২০
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরও বাড়াতে হবে :  আরিফুর রহমান দোলন
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

অনলাইন নিউজপোর্টাল ঢাকাটাইমস২৪ডটকম এবং সাপ্তাহিক এই সময়-এর সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন। স্কুলজীবনেই ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে নাম লেখান। ১৯৮৮ সালে আলফাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজের উত্তর ছাত্রাবাস শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হন। উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় অবস্থানকালে পশ্চিমবঙ্গে অধ্যয়নরত ছাত্রলীগের আদর্শের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ছাত্রলীগ পশ্চিমবঙ্গের (ভারত) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


শিক্ষাজীবন শেষে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন আরিফুর রহমান দোলন। এই পেশায়ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছেন, মহাফেজখানায় লুকিয়ে রাখা একাত্তরের দুষ্প্রাপ্য গোপন দলিল তুলে এনেছেন, যা বই হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।


দৈনিক 'বাংলাবাজার পত্রিকা' ও সাপ্তাহিক '২০০০’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন দোলন। তারপর যোগ দেন দৈনিক 'প্রথম আলো’য়। পত্রিকাটির সিনিয়র প্রতিবেদক, উপ-প্রধান প্রতিবেদক এবং বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন টানা ১০ বছরের বেশি সময়। পরে যোগ দেন দৈনিক 'বাংলাদেশ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাকালীন উপ-সম্পাদক হিসেবে। তারপর দৈনিক 'আমাদের সময়ে’র নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘বাংলাভিশনে’র বার্তা সম্পাদক এবং ‘আমাদের অর্থনীতি’ পত্রিকায় কিছুদিন উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।


আরিফুর রহমান দোলন সাংবাদিকতার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যও চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি নিউ ভিশন রিসোর্সেস লিমিটেড, নোভে কমিউনিকেশন্স লিমিটেড ও অরেঞ্জ কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এছাড়া এই সময় পাবলিকেশন্স, নিউ ভিশন এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার এবং মধুমতি অ্যাগ্রো ফিসারিজের কর্ণধার।


সম্প্রতি রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে ঢাকা টাইমসের কার্যালয়ে আরিফুর রহমান দোলন তার সাংবাদিকতা জীবনের নানান অভিজ্ঞতার কথা বলেন বিবার্তাকে। একান্ত আলাপে সাংবাদিকতার হালচালসহ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবার্তার প্রতিবেদক উজ্জ্বল এ গমেজ।



বিবার্তা : দেশের শীর্ষ পত্রিকায় দেশকাঁপানো রিপোর্টের মাধ্যমে আপনি নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। আপনার সফলতার পেছনে কোন কোন বিষয় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে?


আরিফুর রহমান দোলন : এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফল করার পর চিন্তা করেছি, এমন পেশাকে বেছে নেবো যেখানে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবো। আব্বা ব্যাংকে চাকরি করেছেন। সেখানে দেখেছি কী ধরনের পরিবেশের মধ্যে তিনি কাজ করতেন। অনেক আত্মীয় আছেন যারা সরকারি চাকরি করেন, তাদের সীমাবদ্ধতা দেখেছি। সেজন্য সরকারি চাকরির প্রতি আমার কোনো দিনও মোহ ছিল না। আমার তখন মনে হতো সাংবাদিকতায় স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই কারণে এই পেশায় আসা। এ ছাড়া জীবনে কোনো দিনও অন্য কোনো চাকরির চিন্তাও করিনি, দরখাস্তও করিনি। আমার বন্ধু-বান্ধবরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা হয়েছে। এসবের জন্য আমার কোনো দিনও কোনো ইচ্ছে হয়নি।


যখন এই পেশায় ঢুকেছি পেশাটাকে শতভাগ আন্তরিকতার সঙ্গে নিয়েই কাজ করেছি। এটা আমার জন্য এক ধরনের স্যাটিসফেকশন। এ কারণে আমি যখন ‘প্রথম আলো’তে কাজ করেছি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডে অফও নেইনি, প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছে যেন আমার গুরুত্ব থাকে। অনেক ক্ষেত্রে আমি নিজেই অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতাম এবং নিজেই অ্যাসাইনমেন্ট নিতাম।


এভাবে আমি ‘প্রথম আলো’তে কাজ করছি, ভাল করছি, সবাই প্রশংসা করছে। কিন্তু আমার মনে হয় আরেকটু ভাল কিছু করার সুযোগ আছে, দেয়ার সুযোগ আছে। সেই সুযোগটা মনে হয় অন্য জায়গায় গেলে ভাল হবে। এভাবে‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ যখন শুরু হয় তখন সেখানে গেলাম, কিছু দিন নেতৃত্ব দিলাম। শুধু সংবাদ নয়, কিভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হয়, বিজ্ঞাপন কীভাবে আনতে হয়, সার্কুলেশন কীভাবে দেখতে হয় এই কাজগুলোর সাথেও জড়িত ছিলাম।


এরপর ‘আমাদের সময়ে’ এসে উপ-সম্পাদক থেকে নির্বাহী সম্পাদক হলাম। আরেকটু বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ হলো। এরপর টেলিভিশনে কাজ করার সুযোগ হলো। শেষে চিন্তা করলাম এখনই উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে মেলে ধরার সময়। শুরু করি ঢাকাটাইমস২৪ডটকম এবং সাপ্তাহিক 'এই সময়'। পাশাপাশি ব্যবসা- বাণিজ্যের উদ্যোগও নেই।



বিবার্তা : আপনাদের সময় আর হাল আমলের রিপোর্টিংয়ে মাঝে কোনো তফাত কি আপনার চোখে পড়ে?


আরিফুর রহমান দোলন : এখন আগের তুলনায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাটা একটু কম। আগে বেশি ছিল বলে আমার মনে হয়। এর জন্য যে রিপোর্টার দায়ী সেটা আমি বলছি না। তবে কম হচ্ছে। আরো বেশি করে হতে পারে। সেটা হলে সামগ্রিকভাবে এই জগতের জন্য ভালো হবে। মুদ্রণ সংবাদমাধ্যম, অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম সব জায়গায়ই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাটা আরো বেশি হওয়া উচিত। এখনকার ছেলেমেয়েরা অনেক মেধাবী। অনেক ভাল করছে তারা। তাদের আরো ভালো করার সুযোগ আছে।


বিবার্তা : অনেকে বলেছেন আগামীতে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্ভাবনাটা একটু বেশি। এর কারণ কী?


আরিফুর রহমান দোলন : এখন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। যত দিন যাচ্ছে এর ব্যবহারও তত বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশকে ডিজিটাল হিসেবে গড়ার জন্য ইতোমধ্যেই অনেক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। সারাদেশের সব সেক্টরকেই প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করে সে অনুসারে কাজও করে যাচ্ছেন। তৃণমূল পর্যায়ে এখন প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছি। যারা আজকে স্মার্টফোন ব্যবহার করছে এরমধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমার মনে হয় যে মিনিমাম সংবাদ পড়তে পারে ৮০ ভাগ বা তারও বেশি লোক। যিনি ফেসবুকে আছেন তিনি তো আসলে সংবাদমাধ্যমেই আছেন। তারও কিন্তু অনেক সময় অনেক আগ্রহ তৈরি হয়। দেখি তো অমুক একটা পোস্ট দিয়েছে ওটা কী? এছাড়াও ফেসবুকে অনেক সংবাদের লিংক দেয়া হয়। ওই লিংকে ক্লিক করলে একজন পাঠক ফেসবুকে পুরো সাইটটাতে ঢুকতে পারছে। এভাবে কিন্তু বিপ্লব তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনেই অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিকশিত হচ্ছে। এর প্রতি মানুষ বেশি করে আকৃ্ষ্ট হচ্ছে। মানুষ তো সব সময় তথ্য জানতে চায়। সব সময় আপডেটেড থাকতে চায়। অন্য যে কানো সংবাদমাধ্যমের তুলনায় এটা অনলাইনে বেশি করে সম্ভব। এই কারণেই আগামীতে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্ভাবনাটা বেশি।



বিবার্তা : অনলাইন সংবাদমাধ্যমের চ্যালেঞ্জগুলো কী?


আরিফুর রহমান দোলন : এখানে একাধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমন আমাদের মধ্যে একটা প্রবণতা কাজ করে সেটা হলো যে, কোনো ঘটনা ঘটলেই খবরের প্রথম সূত্র থেকে কোনোমতে খবর পেয়ে ঘটনার গভীরে না গিয়ে ওইটাই সবার আগে দিতে হবে। অনেক সময় চেক ও ক্রসচেক না করে দ্রুততার সাথে খবরটা প্রচার করার চেষ্টা থাকে। সেটা করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে হয়তো আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটে।


আমার মতে সংবাদ পরিবেশনায় ত্রুটির কারণেও অন্যের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমি মনে করি, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জটা মোকাবেলা করতে হবে। আমি যে সংবাদটা প্রচার করবো সেটা অবশ্যই ১০০ ভাগ বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। মানুষের সংবাদ জানার অধিকার আছে। আমার প্রকাশ করার অধিকার আছে। পাশাপাশি আমার এই সংবাদ প্রকাশের কারণে কেউ অহেতুক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কিনা সেটাও খেয়াল রাখার দায়িত্বও আমারই।


আরেকটি বিষয় হচ্ছে এখন দেখা যায় যে অনেকে ছোট একটা রুম নিয়ে দুইটা ল্যাপটপ নিয়ে কাটপেস্ট করে একটা অনলাইনের মালিক-সম্পাদক হয়ে যাচ্ছেন। এরকম অনলাইন সংবাদমাধ্যম আছে। এটাও এক ধরনের চ্যালেঞ্জ।


আপনি একটা সংবাদ প্রচার করছেন, আর দুই/তিন মিনিটের ব্যবধানে সেখান থেকে কাটপেস্ট করে সেটা অন্য কেউ ব্যবহার করছে। আপনার যে পরিশ্রম, আপনার প্রতিষ্ঠানের এর পেছনে যে নানা ধরনের বিনিয়োগ, সেই বিনিয়োগের ফসল আরেকজন নেয়ার চেষ্টা করছে। এটাও একটা চ্যালেঞ্জ।


এখনো পর্যন্ত সবাই অনলাইনে সমান বিজ্ঞাপন পান না। নানা কারণে আমাদের নীতি নির্ধারক ও বিজ্ঞাপনদাতারা অনলাইনের চেয়ে অফলাইনে বিজ্ঞাপন দিতে আগ্রহী বেশি। হয়তো উনারা প্রযুক্তিবান্ধব না। অনলাইনে সংবাদ পড়ে অভ্যস্ত না। আমি তো বিজ্ঞাপন থেকে আয় করবো। সেই আয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য ব্যয় করবো। বিজ্ঞাপন পাওয়াটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এই রকম আরো চ্যালেঞ্জ রয়েছে।



বিবার্তা : আপনি তো ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়। সমাজসেবাকে জীবনের অন্যতম মিশন হিসেবে নিতে চাইছেন নাকি?


আরিফুর রহমান দোলন : আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামারগ্রামের মুন্সী পরিবারে আমার জন্ম। কয়েক পুরুষ ধরেই আমার পরিবার সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। সেই ধারাবাহিকতায় আমি যতদিন আমার পেশায় নিয়োজিত আছি তার আগে থেকেই সমাজসেবার সাথে যুক্ত আছি। এখানে আমাকে বলতে হবে, আমার প্রপিতামহ কাঞ্চন মুন্সী তখন কলকাতার অবিভক্ত বাংলার কয়েক শত মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তিনি আমাদের গ্রামে প্রাথমিক স্কুল, মাধ্যমিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। হাসপাতাল করেন। এভাবে তিনি মানুষের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা শুরু করেন।


একইভাবে আমার দাদুও সমাজসেবা করেছেন। সেই পরিবারের ছেলে হিসেবে ছোটবেলা থেকেই এসব কাজগুলো দেখার, জানার ও বোঝার সুযোগ হয়েছে। তাই আমি ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম যে বড় হয়ে আমারও যখন কাজ করার সুযোগ হবে, তখন মানুষের জন্য কাজ করবো। ওই উদ্দেশ্যেই আমি স্কুলজীবন থেকেই বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ ও রাজনীতিতে যুক্ত আছি। মানুষের প্রত্যাশা, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনগণের সেবক হয়ে আমার জন্মভূমি আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী- মধুখালীর মানুষের পাশে থেকে জীবনের বাকি সময়টুকু কাটিয়ে দেবো।



বিবার্তা : নতুন প্রজন্মের রিপোর্টারদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ কি?


আরিফুর রহমান দোলন : রিপোর্টারদের কাজের প্রতি শতভাগ নিষ্ঠাবান হওয়া জরুরি। যে যে বিটেই কাজই করুক না কে্‌ সে কাজ ডেডিকেশনের সাথে করতে হবে। আপনি যদি আপনার কাজে নিষ্ঠাবান থাকেন তাহলে অবশ্যই সফল হবেন। সেসাথে প্রয়োজন কাজকে ভালোবাসা। ভালোবেসে কোনো কাজ করলে সে কাজে আপনি একদিন সফল হবেনই।


বিবার্তা : ঢাকা টাইমস দৈনিক হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে কবে নাগাদ বাজারে আসতে পারে?


আরিফুর রহমান দোলন : ঢাকা টাইমসের বাংলা ও ইংরেজির ডিকলারেশন আছে। ইতোমধ্যেই আমরা সীমিত আকারে এটা প্রকাশও করছি। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে বাজারে দিচ্ছি না। বাজারে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। একটু সময় লাগবে।


বিবার্তা : ঢাকা টাইমসের বিশেষত্ব কী?


আরিফুর রহমান দোলন : প্রথম এবং শেষ কথা হচ্ছে সব সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ করা। আমরা অহেতুক কোনো সংবাদ প্রচার করি না। আমরা কোনোভাবে কারো দ্বারা বায়াসড হই না। আমাদের আরেকটি বিশেষ দিক হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো কিছু প্রচার না করা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে গুরুত্ব দেয়া, তাদের সংবাদ প্রচার করা। মূল কথাই হলো বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করা। আমরা কোনো ব্যক্তি, কোনো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অহেতুক সংবাদ প্রচার করি না, করবো না - এটাই আমাদের নীতি।


বিবার্তা/উজ্জ্বল/হুমায়ুন/মৌসুমী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com