উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোট গঠনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৯, ১৫:২৮
উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোট গঠনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় জলসীমায় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে একটি জোট গঠনে আগ্রহী। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চরম উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র এই জোট গঠনে আগ্রহ দেখাচ্ছে।


মঙ্গলবার দেশটির এক শীর্ষ জেনারেল সংবাদমাধ্যমকে একথা বলেন।


উপসাগরীয় জলসীমায় থাকা ট্যাঙ্কারে কয়েক দফা হামলা চালানোয় যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে দায়ী করায় এবং তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এ অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনা চলছে।


বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এ জলসীমা দিয়ে আনা নেয়া করা হয়।


জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে এমন একটি জোট গঠন করা যায় কিনা আমরা এখন সেটা নিয়ে বিভিন্ন দেশের সাথে কাজ করছি।


তিনি বলেন, আমি মনে করি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আমরা জানতে পারবো যে কোন কোন দেশ এমন জোট গঠনের ব্যাপারে আগ্রহী রয়েছে। এরপর আমরা সরাসরি সেসব দেশের সাথে এ জোট গঠনে কাজ করবো।


তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ ক্ষমতায় সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি কাজ করবে। প্রতিটি দেশকে এই উদ্যোগ সমর্থন করতে হবে।


গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের ২০টির বেশি দেশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোট গঠন বিষয়ে একত্রে কাজ করবে। এ জোটে আমরা আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ চাই।


তবে এ জোটে অংশগ্রহণের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি বলে দিয়েছেন, এর ব্যয় যুক্তরাষ্ট্র বহন করবে না।


হরমুজ প্রণালি ও বাব এল-মান্দেব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুটি সমুদ্রপথ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রফতানি করা হয় হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে। হরমুজ প্রণালির একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশ রয়েছে। হরমুজ প্রণালির অন্য পাশে রয়েছে ইরান। পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল রফতানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। এই প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল রফতানি হয়।


অন্যদিকে, প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল বাব-এল মান্দেবের মাধ্যমে সারা বিশ্বে চলে যায়। ইয়েমেন, জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার মাঝখানের বাব এল-মান্দেব হলো মার্কিন সরকারি তালিকার গুরুত্বপূর্ণ তেল সঞ্চালনকেন্দ্রের একটি। সূত্র: এএফপি


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com