ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন উদ্যোগ: গ্রিনকার্ড পেতে কড়াকড়ি
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৫
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন উদ্যোগ: গ্রিনকার্ড পেতে কড়াকড়ি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যারা সরকারি সাহায্য গ্রহণ করেছে, এমন বৈধ বহিরাগতদের গ্রিনকার্ড দেয়ার ক্ষেত্রে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে।


নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী যেসব অভিবাসীরা খাদ্য, বাসস্থান বা স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন তারা বোঝা হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং তাদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিদেশিদের জন্য নানা ধরণের সুবিধা বন্ধ কিংবা আরো কঠোর করার জন্য এ ধরণের উদ্যোগ নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।


এর ফলে দেশটিতে বৈধভাবেও যেসব বিদেশি যাবেন বা রয়েছেন তাদের খাদ্য সহায়তা, গৃহায়ন কিংবা স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।


হোমল্যান্ড সিকিউরিটির বিভাগের প্রস্তাবিত রেগুলেশন্সে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ভিসা কিংবা বসবাসের অনুমতি প্রত্যাখ্যানের ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।


দেশটিতে বসবাসের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসেবার মতো কিছু বিষয়ে সেবা পাওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে। নতুন নীতমালা হলে বিদেশিদের জন্য এসব সুবিধা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। প্রায় দু'দশক ধরে চলমান নীতির আওতায় সেখানে অনুমতি নিয়ে বসবাসরত বিদেশিরা এসব সুবিধা পেয়ে আসছিলো।


সাধারণত, গ্রিনকার্ড অর্জনের মাধ্যমে এ দেশে বৈধভাবে আসা বহিরাগতরা স্থায়ীভাবে বসবাসের যোগ্যতা অর্জন করে থাকেন। গ্রিনকার্ড লাভের পাঁচ বছরের মাথায় কোনো অভিবাসী মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।


এখন নতুন নীতিমালা কার্যকর হবে যারা ভিসা চাইবেন বা স্থায়ী বসবাসের আইনগত অনুমতি চাইবেন তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে। তবে যারা নাগরিকত্বের আবেদন করবেন তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে না।


সেক্রেটারি অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কার্স্টজেন নিয়েলসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যারা অভিবাসনের আবেদন করবেন তাদের আর্থিকভাবে নিজেদের সাহায্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। যারা গ্রিনকার্ড পেতে আগ্রহী, তাদের এ কথা প্রমাণ করতে হবে যে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের তারা আর্থিকভাবে সমর্থনে সক্ষম।


তিনি বলেন, এই নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে অভিবাসীরা আত্মনির্ভরশীল হতে উদ্বুদ্ধ হবে এবং মার্কিন করদাতাদের ওপর বাড়তি ব্যয়ভার কমবে। সেজন্য প্রস্তাবিত আইন কংগ্রেসে উত্থাপন করা হবে।


তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন নীতিমালা কংগ্রেসে উত্থাপনের প্রয়োজন হবে না। যদিও চূড়ান্ত হওয়ার আগে এর ওপর মতামত দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টরা এসব বিষয়ে পাওয়া মতামতগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন। এজন্য ৬০ দিন অপেক্ষা করা হবে।


প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে থাকা প্রায় তিন লাখ ৮২ হাজারের বেশি ব্যক্তি স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়ে থাকেন, আর নতুন এ নীতি তাদের ওপর প্রভাব ফেলবে। সূত্র: বিবিসি


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com