ব্যাংকাররা বীরের মত কাজ করে যাচ্ছেন দেশের প্রয়োজনে ...
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২০, ১৩:৪০
ব্যাংকাররা বীরের মত কাজ করে যাচ্ছেন দেশের প্রয়োজনে ...
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

সুপ্রিয় ব্যাংকার ভাই ও বোনেরা, শ্রদ্ধেয় শাখা ব্যবস্থাপক, সম্মানিত নির্বাহীগণ, মাননীয় কর্তৃপক্ষ, সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।


আমি ব্যক্তিগতভাবে গর্বিত এ কারণে যে, দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রয়েছে ঠিকই, তবে এখনো পর্যন্ত আমার জানামতে কোথাও কোন গ্রাহক ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে কোন অভিযোগ নেই। যদিও অনেকের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে, এক ডাক্তার দেখলাম চাকরি থেক অব্যাহতি চেয়েছেন, বিভিন্ন বাহিনীর কিছু কিছু সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন (অফিস গামী ব্যাংকারদের পথ রোধ করেছেন), কেউ কেউ আবার ত্রাণ চুরিও করেছেন।


যাহোক এসময়ে তাই আমি মনে করি ব্যাংকার রা বীরের মত কাজ করে যাচ্ছেন দেশের প্রয়োজনে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে। উল্লেখ্য এখনো কিন্তু ওমরা চোমরা রা ব্যাংকে গিয়ে ধমক দিতে ভুল করেন না, সুযোগ পেলেই গর্জে উঠে অপ্রয়োজনে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকে কিছু সংখ্যক অদৃশ্য অপশক্তির তৎপরতা সাময়িক সময়ের জন্য লোপ পেয়েছে। প্রার্থনা করি এ অদৃশ্য অপশক্তি যেন নির্মূল হয়ে যায়।


শ্রদ্ধেয় শাখা ব্যবস্থাপকগন, জানি দায়িত্ব নিয়েছেন শাখার, দায়িত্ব নিয়েছেন দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য। ধন্যবাদ প্রিয় শাখা ব্যবস্থাপকগণ অনেক ঝুঁকি আছে তবুও কাজ করছেন এবং অন্যকে কাজ করাচ্ছেন। বিনীত অনুরোধ কারো প্রতি অমানবিক হবেন না। কেননা আপনি যেমন ব্যাংক, চাকরি, দেশকে ভালোবাসেন, ঠিক আপনার আন্ডারে যারা আছেন তারাও তদ্রূপ, হয়তো আপনার চেয়ে কম, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার চেয়ে বেশিও। যাহোক আপনার কলিগ তো। তার পারিপার্শ্বিক জানার চেষ্টা করিয়েন। বেশি বাড়াবাড়ি করার চেষ্টা করিবেন না, কেননা চাকরি দেয়ার ক্ষমতা আপনার নেই। আছে ক্যারিয়ার নষ্ট করার ক্ষমতা, যার কারণেই অধিক ঝুঁকি নিয়ে থাকেন সুপ্রিয় ভাই বোনেরা।


বিভিন্ন সেবা খাত ও বাহিনী কম বেশি এ ক্রান্তিলগ্নে কাজ করে বিভিন্ন বৈধ সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু ব্যাংকার রা কি পাচ্ছেন? স্বীকৃতি টুকুও কেউ দিতে চায় না। তাছাড়া ২০০৮ সাল পরবর্তী নিয়োগ প্রাপ্তদের জিপিএফ সুবিধা টুকুনও নেই। রয়েছে বহুবিধ অনিশ্চয়তা।


সম্মানিত নির্বাহীগণ আপনারাই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক, অবশ্যই আপনারা অনেক চেষ্টা করে থাকেন, রয়েছে সীমাবদ্ধতা। তবুও আবেদন রাখি, আপনারা আরো আন্তরিক হলে ব্যাংকার রা এ ক্রান্তিকালে এত বিড়ম্বনার শিকার হবেন না। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাই।


মাননীয় কর্তৃপক্ষ এ ক্রান্তিলগ্নে দেশের তরে আপনাদের মেধা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, সততা, চিন্তা চেতনা, কার্যকরী পদক্ষেপ এ দেশ তথা জাতির কাঙ্ক্ষিত বাসনা বাস্তবায়নে অন্তরায় হবে না। কেননা আপনাদের ভাবনায়ই দেশ আজো অন্যান্য দেশের তুলনায় অধিক ভালো রয়েছে।


আকুল আবেদন, ব্যাংকারদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দিবেন। কোথাও জনসমাগম না থাকলেও ব্যাংকে রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতে যতদিন রবে দেশ, ততদিন পথ হারাবে না জাতি ও দেশ।


অপচয় রোধ করুন, মিতব্যয়ী হোন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন, নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিয়ম পরিপালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হউন, এ প্রার্থনা করি মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট।


ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।


ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মিজানুর রহমান
সভাপতি
স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ, জনতা ব্যাংক লিমিটেড।


বিবার্তা/জহির

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com