বাংলাদেশের অর্থনীতি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে: এমসিসিআই
প্রকাশ : ১৪ মে ২০১৯, ১০:৫৪
বাংলাদেশের অর্থনীতি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে: এমসিসিআই
বাণিজ্য ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

বাংলাদেশের অর্থনীতি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। বিশেষত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশগুলোর একেবারে পুরোভাগে দাঁড়িয়ে আছে।


পাশাপাশি দারিদ্র হ্রাস ও জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তবে সত্যিকারের সম্ভাবনা অনুযায়ী কাঙ্খিত পর্যায়ে উন্নতি হয়নি।


ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালী সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) তাদের ত্রৈমাসিক পর্যালোচনায় এসব একথা বলেছে।


চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ জানুয়ারি-মার্চ সময়ের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক নিয়ে এমসিসিআইয়ের এ পর্যালোচনা সোমবার প্রকাশ করা হয়। প্রতি তিন মাস পর পর এ ধরনের পর্যালোচনা করে সংগঠনটি।


এবারের পর্যালোচনায় এমসিসিআই বলেছে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে দেশের কৃষি, উৎপাদনশীল ও সেবাখাত ভাল করেছে। এ ধারা ধরে রাখতে সরকারের সহায়তা দরকার। এমসিসিআই বরাবরের মতো এবারো বলেছে বাংলাদেশ সত্যিকারের সম্ভাবনা অনুযায়ী এগুতে পারছে না। অবকাঠামো ঘাটতি এবং গ্যাস ও বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবারহ না থাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাঁগ্রস্ত হচ্ছে। তাই কাঙ্খিত মাত্রায় উন্নয়ন হচ্ছে না।


কৃষি খাত নিয়ে পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, অনুকূল আবহাওয়া ও সরকারের পর্যাপ্ত সহায়তার কারণে আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশ কৃষিতে ভাল করেছে। বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কৃষিতে ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।


এমসিসিআই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বলেছে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে উৎপাদনশীলখাতে যথেষ্ট ভাল করেছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে গত অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। সেবাখাতের নয়টি উপখাতেই আলোচ্য সময়ে প্রবৃদ্ধি এসেছে।


দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে সংগঠনটি বলছে, সরকারের হিসেবে ৩১ মার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১৩ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং একেবারে ছিল না। তবে সংগঠটির মতে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে না। যার ফলে শিল্পায়ন বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে সরকারকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরো মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ সংগঠনটির।


জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে আরো জোরালো করার জন্য কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, ব্যাংক ঋণের সুদহার এক অংকের ঘরে নিয়ে আসা এবং বৈদেশিক রিজার্ভ শক্তিশালীকরণের পরামর্শ দিয়েছে এমসিসিআই।


তারা বলছে, এসব করা সম্ভব হলে ২০৩০ সাল বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন করা সহজ হবে।


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com