পথে পথে হয়রানির শিকার ব্যাংক কর্মকর্তারা
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২০, ১৭:০৩
পথে পথে হয়রানির শিকার ব্যাংক কর্মকর্তারা
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কায় ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়িয়েছে সরকার।এ সময়ে মানুষ যেন নিজের ঘরেই অবস্থান করে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাস্তাঘাটে জনসমাগম ঠেকাতে কড়াকড়ি আরোপ করছে।


এর মধ্যে সবচেয়ে বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ ব্যাংকাররা। গণপরিবহন বন্ধ। ব্যাংক থেকেও কোনো পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়নি। তাই তাদের একমাত্র বাহন রিকশা। কিন্তু বিভিন্ন মোড়ে রিকশাও আটকে দিচ্ছে পুলিশ। ফলে দীর্ঘ পথ হেঁটে অনেক মহিলা কর্মকর্তাসহ সাধারণ কর্মকর্তারা কর্মস্থলে যাচ্ছেন।


একজন ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একেতো নিরাপত্তামূলক পোশাক ব্যাংক থেকে সরবরাহ করা হয়নি, এরওপর দেয়া হয়নি নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা। এর ফলে পকেটের টাকা খরচ করে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে অফিসে যেতে হচ্ছে, এরওপর আবার পথে পথে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।


তিনি আরো বলেন, অনেকেই রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়ছেন। কেউবা দীর্ঘ পথ হেঁটে অফিসে যাচ্ছেন। কিন্তু যাদের বেশি শারীরিক সমস্যা তারা বাসায় ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকিং খাত সীমিত পরিসরে ব্যাংক লেনদেনের জন্য খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা ব্যাংকের মাধ্যমেই পরিশোধ করতে হয়। আবার রফতানিমুখী শিল্প কারখানার শ্রমিকদের বেতনভাতা দেয়ার জন্য সরকার যে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাও বাস্তবায়ন হবে এই ব্যাংকের মাধ্যমেই। মূলত সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও জনগণের স্বার্থেই ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক খোলা রাখার শুধু নির্দেশনা দিতে পারে, তবে ব্যাংক কিভাবে তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিত করবে এটা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব ব্যাপার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তেমন কিছু করার নেই।


বিবার্তা/আবদাল

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com