পর্দা উঠছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৭:৪৩
পর্দা উঠছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ এই স্লোগানে বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে নয় দিনব্যাপী সপ্তদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ আয়োজিত এই উৎসব রাজধানীর একযোগে পাঁচটি ভেন্যুতে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।


বুধবার দুপুরে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় উৎসবের অন্যতম জুরি ইলিয়াস কাঞ্চন, উৎসব কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ম. হামিদ, উৎসবের প্রোগ্রামার জোহরে জামালি ও ইয়াসিম গুজেলপিনার উপস্থিত ছিলেন।


উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধন করবেন বিশিষ্ট সংস্কৃতি অনুরাগী, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।


উদ্বোধনী ছবি 'দ্য গেস্ট', তুরস্ক ও জর্ডানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন তুরস্কের নির্মতা আন্দাজ হাজানেদারগলু। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরই এটি প্রদর্শিত হবে।


বরাবরের মতোই এবারের উৎসবে এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড, চিল্ড্রেন্স ফিল্ম, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেন্স ফিল্ম সেকশন চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এবার ৭২টি দেশের ২১৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হওয়ার কথা রয়েছে।


উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর স্থানসমূহ-


জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তন, অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন ও যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমা।


চলচ্চিত্র দেখার নিয়মাবলী:


১. জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন: সকাল ১০টা থেকে চলবে শিশুতোষ চলচ্চিত্র। এক্ষেত্রে শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও আসতে পারবেন। এছাড়া, সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বিকাল ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবেন। সেক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেটঊল্য ৫০ টাকা।


২. কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তন: এখানে সকাল ১০টা থেকে শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শীত হবে। যেখানে অভিভাবকরাও শিশুদের সঙ্গে এই চলচ্চিত্রগুলো বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া, সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বিকাল ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে দেখতে পারবেন। সেক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকেটম‚ল্য ৫০ টাকা।


৩. জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন: এই মিলনায়তনের সব প্রদর্শনী সবাই বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে আসলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।


৪. অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তন: এখানকার প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে আসলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।


৫. শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা: এখানকার প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় আগে আসলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে।


৬. যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমা: এখানে ব্লকবাস্টার কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রদর্শনীর বিনিময়ে দর্শকরা উৎসবের চলচ্চিত্রগুলো উপভোগ করতে পারবেন।


এছাড়া আগামী ১১-১২ জানুয়ারি ২০১৯ উৎসবের অংশ হিসেবে চলচ্চিত্রে নারীর ভূমিকা বিষয়ক 'পঞ্চম আন্তর্জাতিক উইমেন ফিল্ম মেকারস্ কনফারেন্স' অঁলিয়াস ফ্রঁয়েজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বিশিষ্ঠ নারী নেত্রী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল। উক্ত কর্মশালায় দেশি বিদেশি নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ব্যক্তিত্বদের সাথে মত বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী নির্মাতাগণ অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি সুবর্ণ সুযোগ পাবেন। এখানে নারী নির্মাতারা তাদের কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে বিশ্বের খ্যাতিমান নারী নির্মাতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন। মোট জনসংখ্যার অর্ধেক হওয়ায় বিশ্বোন্নয়নে নারীর ভূমিকা ও গুরত্ব তুলে ধরা হবে।


সপ্তদশ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হিসেবে আগামী ১৪ জানুয়ারি প্রথমবারের অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নির্মাতাদের মিথষ্ক্রিয়ামূলক দিনব্যাপী সেমিনার 'ওয়েস্ট মিটস ইস্ট’। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ফলে চলচ্চিত্র হারিয়েছে নিজ সীমানা, পেয়েছে বৈশ্বিক পরিচিতি। এই একাত্মতাকে কীভাবে আরো রিদ্ধ করা যায়, সেই ভাবনা উসকে দিতেই এই আয়োজন।



এছাড়া এবারের উৎসবের অংশ হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো আগামী ১৩-১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ক্রিটিকস্ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আয়োজনে এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচক ফেডারেশনের সহযোগিতায় 'দ্বিতীয়​ এশিয়ান ফিল্ম ক্রিটিকস্ অ্যাসেম্বেলি' অনুষ্ঠিত হবে। এশীয় অঞ্চলের প্রায় ১২টি দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র সমালোচকদের অংশগ্রহণে এই অ্যাসেম্বেলি হোটেল লা ভিঞ্চি’র (কারওয়ান বাজার) কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।


প্রতিযোগিতা বিভাগ:


এশিয়ান কম্পিটিশন- এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২২টি চলচ্চিত্র নিয়ে গঠিত (নূন্যতম ৭০ মিনিট ব্যাপী ফিকশন ফিল্ম) প্রতিযোগিতা বিভাগ সেরা চলচ্চিত্র নির্ধারণে থাকবে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং এক লক্ষ টাকা। এছাড়া শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রী, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক এবং শ্রেষ্ঠ নিত্রনাট্যের জন্য পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট।


রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ- ইউরোপের খ্যাতিমান স্বাধীন নির্মাতা গোরান পাসক্যালজেভিকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ৭টি চলচ্চিত্র নিয়ে সাজানো হয়েছে রেট্রোস্পেটিভ বিভাগ। গোরানের জন্ম সার্বিয়ায় এবং তার পড়াশোন প্রাগের বিখ্যাত ফিল্মস্কুলে। পরে সার্বিয়ায় ফিরে এসে ফিল্ম আর্কাইভে কাজ শুরু করেন। গোরান এখন পর্যন্ত ১৭টি ফিচার ও ৩০টি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন। ২০০১ সালে ভ্যারাইটি আন্তর্জাতিক ফিল্ম গাউড গোরানকে বিশ্বের সেরা ৫ নির্মাতার একজন হিসেবে চিহ্নিত করে।


বাংলাদেশ প্যানোরোমা- উৎসবের এ বিভাগে বাংলাদেশের প্রায় ১০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রচার-প্রসার ও আন্তর্জাতিক বাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে উৎসব কমিটি এই বিভাগটি পুনরায় সংযোজন করেছে। এই বিভাগে বাংলাদেশের নির্মাতাদের নির্মিত বাছাইকৃত দশটি চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচক ফেডারেশন বাংলাদেশ প্যানোরমা বিভাগে সমালোচক পুরস্কার দেবেন। এর ৩ সদস্য বিশিষ্ট জুরি বোর্ড নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো থেকে ‘শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র’ জন্য একটি পুরস্ক্রা প্রদান করবেন। পুরস্কার হিসেবে থাকছে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট।


সিনেমা অব দ্য ওর্য়াল্ড বিভাগ- এই বিভাগে বিভিন্ন দেশের সমকালীন সেরা ৫২টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এই বিভাগের জন্য দর্শক জরিপে একটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হবে। চলচ্চিত্রের জন্য পুরস্কার থাকবে সার্টিফিকেট এবং ক্রেস্ট।


চিল্ড্রেন্স বিভাগ- এই বিভাগে ১৭টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। বরাবরের মতো এবারও সব শিশুর জন্য এই প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের এই বিভাগের চলচ্চিত্রগুলো দেখার বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। এই বিভাগ থেকে একটি চলচ্চিত্র ‘বেস্ট জুভেনাইল অডিয়েন্স বাদল রহমান অ্যাওর্য়াড’র জন্য মনোনীত হবে। এই পুরস্কার হিসেবেথাকছে সনদ ও ক্রেস্ট।


স্পিরিচুয়াল ফিল্মস- এই বিভাগে প্রায় ২৪টি ছবি প্রদর্শিত হবে। মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস, অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মানবতাবাদী চলচ্চিত্র এ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই বিভাগটির ছবিগুলোর মাধ্যমে আন্তঃধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরিতে সহায়তা করবে। এ ভাববাদী চলচ্চিত্র বিভাগের জন্য ইন্টারফেইথ্ জুরি একটি শ্রেষ্ঠ কাহিনীচিত্র ও একটি শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র নির্ধারণ করবে। পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি সার্টিফিকেট ও একটি ক্রেস্ট।


উইমেন ফিল্ম মেকারস্ সেশন- দেশ ও বিদেশের নারী নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নিয়ে এই বিভাগটি সাজানো হয়েছে। এতে দেশি-বিদেশি ২৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং প্রামাণ্যচিত্র অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। একটি স্বাধীন জুরি এই বিভাগের একটি শ্রেষ্ঠ কাহিনীচিত্র ও একটি শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্রকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করবে। পুরস্কার হিসেবে থাকছে সনদ ও ক্রেস্ট।


শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্মস্ বিভাগ- ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নবীন ও স্বাধীন চলচ্চিত্র নিমার্তাদের তথ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্রসমূহ প্রদর্শিত হবে। এতে দেশি-বিদেশি ৫৮টি ছবি প্রদর্শিত হবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং প্রামাণ্যচিত্র অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করতেই এই বিভাগটি উৎসবে উন্মুক্ত করা হয়েছে।


কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার চত্বরে উৎসব চলাকালীন সময়ে নিয়মিত মিলনমেলার আয়োজন থাকবে। যেখানে চলচ্চিত্র র্নিমাতা ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা তাদের চলচ্চিত্র পরিচিতির জন্য সমবেত হবেন। চলচ্চিত্রের যাবতীয় তথ্য সমৃদ্ধ স্মরণিকা প্রকাশিত হবার পাশাপাশি উৎসব চলাকালীন প্রতিদিনকার সংবাদসহ 'উৎসব প্রতিদিন' শীর্ষক একটি বুলেটিন প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও, এখানেই চলচ্চিত্রকার, প্রযোজক, অভিনয় শিল্পীসহ দেশি-বিদেশি ডেলিগেট সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবেন।


বিবার্তা/হাসান/কামরুল

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com